বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শংকরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, যেটি ছিল ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রথম উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। বৈঠকে বাংলাদেশ পক্ষ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত পাঠানোর আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পুনরায় জানিয়েছে।
ভারতের প্রতিক্রিয়া ও সম্পর্কের নতুন সমীকরণ
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৈঠকের পর সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে প্রত্যর্পণ অনুরোধ বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের উল্লেখ করেনি। তবে ড. খলিলুর রহমান পরে জানান, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে চিঠি বিনিময় করেছেন এবং সরাসরি ফোনে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, “আমি যুক্তিসঙ্গতভাবে আশাবাদী।” বাংলাদেশ সরকার নিজেদের পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতি হিসেবে “বাংলাদেশ ফার্স্ট” ঘোষণা করেছে।
প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া কোথায় দাঁড়িয়ে
হাসিনার প্রত্যর্পণ চাওয়ার ব্যাপারটি দুটি সরকার পর পর চালিয়ে যাচ্ছে। ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রথম নোট ভার্বাল পাঠিয়েছিল এবং ২০২৫ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর দ্বিতীয় অনুরোধ পাঠানো হয়। ভারত এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যর্পণের সময়সীমা জানায়নি। ড. জয়শংকর বলেছেন, বিষয়টি “চলমান আইনি ও অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার” অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















