০২:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
ইন্দোনেশিয়ার বন্যায় বিলুপ্তির ঝুঁকি বেড়েছে তাপানুলি ওরাংওটাংয়ের, এক বছরে হারিয়েছে অন্তত ৭ শতাংশ  কাপ্তাই হ্রদের পানি কমে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধের শঙ্কা, বিপাকে পাহাড়ি জনপদ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এমআই-১৭ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত সবাই পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ১৩, নিহতদের মধ্যে ১১ শিশু অঘোষিত সম্পদ বৈধ করার নতুন সুযোগ, অতিরিক্ত ২০ শতাংশ করের প্রস্তাব শ্বেতাঙ্গ ত্রাণকর্তার মঞ্চ নাকি জাতির আত্মসমালোচনার সময়? বগুড়ায় এসআইকে কুপিয়ে মামলার নথি ছিনতাই, তদন্তে পুলিশ মে মাসে মূল্যস্ফীতি ৪.২ শতাংশে, ইরান যুদ্ধের জ্বালানি ধাক্কায় বাড়ছে মার্কিন অর্থনীতির চাপ ওমানকে ঘিরে ট্রাম্পের হুমকি, মধ্যপ্রাচ্যের নতুন কূটনৈতিক টানাপোড়েন শক্তির সংজ্ঞা যদি পুরুষতন্ত্র লিখে দেয়, তবে নারীরা জিতবে কীভাবে?

গঙ্গার পানিচুক্তি নবায়ন: বাংলাদেশের পানি নিরাপত্তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে এই আলোচনাতেই

১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। ২০২৬ সালে এই চুক্তিটি নবায়নের প্রশ্নটি দুই দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুক্তির শর্তাবলি কেমন হবে তার উপর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোটি কোটি মানুষের পানি নিরাপত্তা নির্ভর করছে।

শুষ্ক মৌসুমে পানির অপ্রতুলতা দীর্ঘদিনের সমস্যা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গঙ্গা চুক্তির আওতায় নির্ধারিত ফারাক্কা পয়েন্টে বাংলাদেশের পাওয়া পানির পরিমাণ প্রায়ই প্রতিশ্রুত মাত্রা থেকে কম থাকে। এই অপ্রতুলতা কুষ্টিয়া, রাজশাহী ও যশোরসহ উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় কৃষি ও জীবনযাত্রায় মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমালয়ের হিমবাহ গলা কমে যাওয়া এই সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে।

নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা

বিএনপি সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের যে উদ্যোগ নিয়েছে, তার অংশ হিসেবে গঙ্গা চুক্তি নবায়নের বিষয়টিও আলোচনায় আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ও নদী বিশেষজ্ঞরা চাইছেন, এবারের চুক্তিতে বাংলাদেশের জন্য ন্যায্য এবং পরিবেশবান্ধব শর্তাবলি অন্তর্ভুক্ত করা হোক, যা দেশের পানি ও কৃষি নিরাপত্তা দীর্ঘমেয়াদে নিশ্চিত করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইন্দোনেশিয়ার বন্যায় বিলুপ্তির ঝুঁকি বেড়েছে তাপানুলি ওরাংওটাংয়ের, এক বছরে হারিয়েছে অন্তত ৭ শতাংশ 

গঙ্গার পানিচুক্তি নবায়ন: বাংলাদেশের পানি নিরাপত্তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে এই আলোচনাতেই

০৬:২৮:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। ২০২৬ সালে এই চুক্তিটি নবায়নের প্রশ্নটি দুই দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুক্তির শর্তাবলি কেমন হবে তার উপর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোটি কোটি মানুষের পানি নিরাপত্তা নির্ভর করছে।

শুষ্ক মৌসুমে পানির অপ্রতুলতা দীর্ঘদিনের সমস্যা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গঙ্গা চুক্তির আওতায় নির্ধারিত ফারাক্কা পয়েন্টে বাংলাদেশের পাওয়া পানির পরিমাণ প্রায়ই প্রতিশ্রুত মাত্রা থেকে কম থাকে। এই অপ্রতুলতা কুষ্টিয়া, রাজশাহী ও যশোরসহ উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় কৃষি ও জীবনযাত্রায় মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমালয়ের হিমবাহ গলা কমে যাওয়া এই সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে।

নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা

বিএনপি সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের যে উদ্যোগ নিয়েছে, তার অংশ হিসেবে গঙ্গা চুক্তি নবায়নের বিষয়টিও আলোচনায় আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ও নদী বিশেষজ্ঞরা চাইছেন, এবারের চুক্তিতে বাংলাদেশের জন্য ন্যায্য এবং পরিবেশবান্ধব শর্তাবলি অন্তর্ভুক্ত করা হোক, যা দেশের পানি ও কৃষি নিরাপত্তা দীর্ঘমেয়াদে নিশ্চিত করবে।