লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল বিকাল ৫টা থেকে কার্যকর হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই চুক্তির কথা ঘোষণা করেন। হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে এবং দক্ষিণ লেবাননের বাস্তুচ্যুত অনেক পরিবার নিজেদের বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে।
যুদ্ধবিরতির শর্ত ও অনিশ্চয়তা
তবে ইসরায়েলের সামরিক মুখপাত্র ঘোষণা করেছেন, যুদ্ধবিরতি থাকলেও দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সৈন্যরা এখনই সরছে না। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, সেনারা দক্ষিণ লেবাননে “নিরাপত্তা অঞ্চল” বজায় রাখতে থাকবে। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ২৬ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা এবং এর মধ্যে স্থায়ী চুক্তির ব্যাপারে কূটনৈতিক আলোচনা চলছে।
ইরানের যুক্ততা ও মুসলিম বিশ্বের প্রতিক্রিয়া
ইরান লেবাননের যুদ্ধবিরতিকে হিজবুল্লাহর “প্রতিরোধ ও সংগ্রামের ফল” হিসেবে বর্ণনা করেছে। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার গালিবাফ বলেছেন, “প্রতিরোধ ও ইরান একই আত্মা — যুদ্ধেও, যুদ্ধবিরতিতেও।” লেবাননের সরকার যুদ্ধবিরতির আগে সর্বশেষ ইসরায়েলি বিমান হামলাকে “যুদ্ধাপরাধ” বলে নিন্দা জানিয়েছে, যে হামলায় একটি পরিবারের ১৩ সদস্য নিহত হয়েছিলেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















