০৯:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের কলামঃ যুদ্ধের ধাক্কা থেকে যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত ঘুরে দাঁড়াবে, যুক্তরাজ্যের সামনে বড় অনিশ্চয়তা মাদুরো চলে গেছেন, এখন শুরু হয়েছে তাঁর ঘনিষ্ঠদের শুদ্ধি অভিযান ফোনালাপে যুদ্ধবিরতি, ইউনিফিলে হামলায় শোক ও তদন্তের আশ্বাস দক্ষিণ লেবাননে শান্তিরক্ষী টহলে হামলা, নিহত ১ রাশিয়ার তেলে ছাড় বাড়াল ট্রাম্প প্রশাসন, দাম কমাতে নতুন কৌশল—হরমুজ পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত হরমুজ প্রণালীর কাছে দুই তেলবাহী জাহাজে গুলি: উত্তেজনা বাড়ছে ঢাকা ইসলামাবাদের কূটনৈতিক উদ্যোগকে প্রশংসা করল, উপসাগরীয় সংকট সমাধানে আলোচনার ওপর জোর ফেনীতে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে ধাক্কা, সহকারী নিহত, চালক আহত পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে এ-আই দিয়ে বুথে নজরদারি চালাবে নির্বাচন কমিশন মৃত্যুর পরেও সিনেমায় ফিরলেন ভ্যাল কিলমার — এআই দিয়ে পুনরুজ্জীবিত হলেন হলিউড তারকা

আইএমএফ সতর্কবার্তা: ইরান যুদ্ধের ছায়ায় বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি নামবে ৩.১ শতাংশে, বাংলাদেশ সবচেয়ে ঝুঁকিতে

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) তাদের এপ্রিল ২০২৬ সংস্করণের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকে সতর্ক করেছে যে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতি আবার বড় ধাক্কা খাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সীমিত যুদ্ধের পরিস্থিতি ধরে নিলেও ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩.১ শতাংশে নেমে আসবে এবং ২০২৭ সালে সামান্য বেড়ে ৩.২ শতাংশ হবে। বাংলাদেশের মতো কমোডিটি আমদানিকারক উদীয়মান অর্থনীতিগুলোকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি ও আর্থিক অস্থিরতা

আইএমএফ বলছে, হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ২০২৬ সালে কিছুটা বাড়বে, তারপর ২০২৭ সালে আবার কমতে শুরু করবে। ঝুঁকিগুলো স্পষ্টতই নিম্নমুখী। যুদ্ধ দীর্ঘ হলে বা ভূরাজনৈতিক বিভক্তি আরও গভীর হলে প্রবৃদ্ধি আরও কম হতে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত উৎপাদনশীলতার প্রত্যাশা পূরণ না হওয়া এবং নতুন বাণিজ্য সংঘাতও ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে।

বাংলাদেশ কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে

আইএমএফ প্রতিবেদনে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভিয়েতনামকে জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশ হিসেবে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলো মূল্যস্ফীতি ও আর্থিক চাপের বিপদে সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সরকার জ্বালানি আমদানির জন্য ২০০ কোটি ডলার বাইরের ঋণ চেয়েছে এবং সরকারি ব্যয় ছাঁটাই করতে বাধ্য হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের কলামঃ যুদ্ধের ধাক্কা থেকে যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত ঘুরে দাঁড়াবে, যুক্তরাজ্যের সামনে বড় অনিশ্চয়তা

আইএমএফ সতর্কবার্তা: ইরান যুদ্ধের ছায়ায় বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি নামবে ৩.১ শতাংশে, বাংলাদেশ সবচেয়ে ঝুঁকিতে

০৭:০৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) তাদের এপ্রিল ২০২৬ সংস্করণের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকে সতর্ক করেছে যে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতি আবার বড় ধাক্কা খাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সীমিত যুদ্ধের পরিস্থিতি ধরে নিলেও ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩.১ শতাংশে নেমে আসবে এবং ২০২৭ সালে সামান্য বেড়ে ৩.২ শতাংশ হবে। বাংলাদেশের মতো কমোডিটি আমদানিকারক উদীয়মান অর্থনীতিগুলোকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি ও আর্থিক অস্থিরতা

আইএমএফ বলছে, হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ২০২৬ সালে কিছুটা বাড়বে, তারপর ২০২৭ সালে আবার কমতে শুরু করবে। ঝুঁকিগুলো স্পষ্টতই নিম্নমুখী। যুদ্ধ দীর্ঘ হলে বা ভূরাজনৈতিক বিভক্তি আরও গভীর হলে প্রবৃদ্ধি আরও কম হতে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত উৎপাদনশীলতার প্রত্যাশা পূরণ না হওয়া এবং নতুন বাণিজ্য সংঘাতও ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে।

বাংলাদেশ কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে

আইএমএফ প্রতিবেদনে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভিয়েতনামকে জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশ হিসেবে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলো মূল্যস্ফীতি ও আর্থিক চাপের বিপদে সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সরকার জ্বালানি আমদানির জন্য ২০০ কোটি ডলার বাইরের ঋণ চেয়েছে এবং সরকারি ব্যয় ছাঁটাই করতে বাধ্য হয়েছে।