আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) তাদের এপ্রিল ২০২৬ সংস্করণের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকে সতর্ক করেছে যে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতি আবার বড় ধাক্কা খাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সীমিত যুদ্ধের পরিস্থিতি ধরে নিলেও ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩.১ শতাংশে নেমে আসবে এবং ২০২৭ সালে সামান্য বেড়ে ৩.২ শতাংশ হবে। বাংলাদেশের মতো কমোডিটি আমদানিকারক উদীয়মান অর্থনীতিগুলোকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি ও আর্থিক অস্থিরতা
আইএমএফ বলছে, হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ২০২৬ সালে কিছুটা বাড়বে, তারপর ২০২৭ সালে আবার কমতে শুরু করবে। ঝুঁকিগুলো স্পষ্টতই নিম্নমুখী। যুদ্ধ দীর্ঘ হলে বা ভূরাজনৈতিক বিভক্তি আরও গভীর হলে প্রবৃদ্ধি আরও কম হতে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত উৎপাদনশীলতার প্রত্যাশা পূরণ না হওয়া এবং নতুন বাণিজ্য সংঘাতও ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে।
বাংলাদেশ কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে
আইএমএফ প্রতিবেদনে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভিয়েতনামকে জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশ হিসেবে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলো মূল্যস্ফীতি ও আর্থিক চাপের বিপদে সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সরকার জ্বালানি আমদানির জন্য ২০০ কোটি ডলার বাইরের ঋণ চেয়েছে এবং সরকারি ব্যয় ছাঁটাই করতে বাধ্য হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















