১১:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
তেলের ধাক্কা শুধু যুদ্ধের নয়, নীতিহীনতারও মূল্য রঘু রাইয়ের ক্যামেরা ছিল শুধু ছবি তোলার যন্ত্র নয়, এক ধরনের জীবনদর্শন ট্রাম্পের কঠোর আশ্রয়নীতি কি স্থায়ী রূপ নিচ্ছে? যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সন্ত্রাসবিরোধী কৌশল ঘিরে বিতর্ক, সমালোচনায় রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ নিউইয়র্কে আবাসন নির্মাণে বড় বাধা কমছে, বদলে যেতে পারে শহরের ভবিষ্যৎ ট্রাম্পের প্রতিশোধ রাজনীতি নিয়ে চাপে রিপাবলিকানরা ট্রাম্প-শি বৈঠকে বাণিজ্যের হাসি, আড়ালে তাইওয়ান-ইউক্রেন-ইরান উত্তেজনা ব্রিটিশ রাজনীতির নেতৃত্ব সংকট: জনপ্রিয়তার লড়াই নয়, বাস্তবতার পরীক্ষা লন্ডনে টমি রবিনসন ঘিরে উত্তেজনা, ফিলিস্তিনপন্থী পাল্টা বিক্ষোভে কড়া নিরাপত্তা জাকার্তার ‘সামতামা ভিলেজ’: বর্জ্য আলাদা করেই কমছে ল্যান্ডফিলে চাপ

পাকিস্তানের সোলার বিপ্লব তাকে বাঁচাল, ইরান যুদ্ধের জ্বালানি ধাক্কায় বাংলাদেশ হিমশিম — তুলনামূলক বিশ্লেষণ

ইরান যুদ্ধ দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশের শক্তি কৌশলের মধ্যে একটি তীক্ষ্ণ বৈপরীত্য সামনে এনেছে। বাংলাদেশ ব্যয়বহুল স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কিনতে বাধ্য হচ্ছে এবং জ্বালানি সংকটে পড়েছে, অথচ পাকিস্তান এই সংকটের বড় ধাক্কা থেকে মোটামুটি রক্ষা পেয়েছে। কারণটি সহজ — পাকিস্তান গত কয়েক বছরে একটি জনচালিত সোলার বিপ্লব সম্পন্ন করেছে এবং আমদানি করা জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা ৩২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশে নামিয়েছে।

বাংলাদেশ কেন পিছিয়ে পড়ল

২০২২ সালের ইউক্রেন যুদ্ধের পর বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ভিন্ন পথ নেয়। পাকিস্তানে গ্রাহক পর্যায়ে সোলার প্যানেলের ব্যবহার দ্রুতগতিতে বেড়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলে। ফলে বর্তমানে বাংলাদেশের বার্ষিক বিদ্যুতের ৬০ শতাংশ আসে আমদানি করা গ্যাস, কয়লা ও তেল থেকে। পাকিস্তান ইরান সংকটের পর একটিও স্পট এলএনজি কার্গো কেনেনি।

শিক্ষণীয় বার্তা বাংলাদেশের জন্য

মার্কিন থিংক ট্যাংক আইইইএফএ-র বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেছেন, পাকিস্তানের সাফল্য থেকে বাংলাদেশ শিক্ষা নিতে পারে। নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি না করলে ভবিষ্যতে যেকোনো ভূরাজনৈতিক সংকটে বাংলাদেশকে আবারও এভাবে ধাক্কা সামলাতে হবে। বাংলাদেশ ইতিমধ্যে মে মাসের জন্য আরও তিনটি এলএনজি কার্গো কিনেছে, যা ব্যয়বহুল।

জনপ্রিয় সংবাদ

তেলের ধাক্কা শুধু যুদ্ধের নয়, নীতিহীনতারও মূল্য

পাকিস্তানের সোলার বিপ্লব তাকে বাঁচাল, ইরান যুদ্ধের জ্বালানি ধাক্কায় বাংলাদেশ হিমশিম — তুলনামূলক বিশ্লেষণ

০৭:২৫:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ইরান যুদ্ধ দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশের শক্তি কৌশলের মধ্যে একটি তীক্ষ্ণ বৈপরীত্য সামনে এনেছে। বাংলাদেশ ব্যয়বহুল স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কিনতে বাধ্য হচ্ছে এবং জ্বালানি সংকটে পড়েছে, অথচ পাকিস্তান এই সংকটের বড় ধাক্কা থেকে মোটামুটি রক্ষা পেয়েছে। কারণটি সহজ — পাকিস্তান গত কয়েক বছরে একটি জনচালিত সোলার বিপ্লব সম্পন্ন করেছে এবং আমদানি করা জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা ৩২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশে নামিয়েছে।

বাংলাদেশ কেন পিছিয়ে পড়ল

২০২২ সালের ইউক্রেন যুদ্ধের পর বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ভিন্ন পথ নেয়। পাকিস্তানে গ্রাহক পর্যায়ে সোলার প্যানেলের ব্যবহার দ্রুতগতিতে বেড়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলে। ফলে বর্তমানে বাংলাদেশের বার্ষিক বিদ্যুতের ৬০ শতাংশ আসে আমদানি করা গ্যাস, কয়লা ও তেল থেকে। পাকিস্তান ইরান সংকটের পর একটিও স্পট এলএনজি কার্গো কেনেনি।

শিক্ষণীয় বার্তা বাংলাদেশের জন্য

মার্কিন থিংক ট্যাংক আইইইএফএ-র বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেছেন, পাকিস্তানের সাফল্য থেকে বাংলাদেশ শিক্ষা নিতে পারে। নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি না করলে ভবিষ্যতে যেকোনো ভূরাজনৈতিক সংকটে বাংলাদেশকে আবারও এভাবে ধাক্কা সামলাতে হবে। বাংলাদেশ ইতিমধ্যে মে মাসের জন্য আরও তিনটি এলএনজি কার্গো কিনেছে, যা ব্যয়বহুল।