০২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
হাইলাইট: দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়ছে প্রতিদিন, তবে বন্ধ অনুসন্ধান–মামলা সপ্তাহের শুরুতেই সোনার গহনার দাম ভরিতে কমলো ২২১৬ টাকা   শিকারি-সংগ্রাহকদের মধ্যেও ছিল প্লেগ! ৫,৫০০ বছর আগের মহামারির চাঞ্চল্যকর প্রমাণ এল নিনোর নতুন হুমকি: ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী জলবায়ু ঘটনা কি সামনে? গাছেরও আছে ‘গোপন শ্রবণশক্তি’, প্রতিবেশীর খবর শুনেই বদলায় বেড়ে ওঠার কৌশল নেটফ্লিক্সে হারলান কোবেন ঝড়: রহস্য আর পারিবারিক নাটকের জাদুতে বিশ্বজয় বড়দের নতুন ছুটি: গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্পে ফিরছে প্রাপ্তবয়স্করা অনলাইনের প্রেমে প্রতারণা: একাকীত্বকে পুঁজি করে বাড়ছে ‘লাভ স্ক্যাম’ চক্র অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারে নতুন আশা, জীবন বাড়াতে পারে যুগান্তকারী ওষুধ চকলেটের মিষ্টি রহস্য: কোকো ফলনে ভরসা রক্তচোষা ক্ষুদে পোকা

হাম প্রতিরোধে সারাদেশে টিকাদান কর্মসূচি: ১৫ লাখ সিরিঞ্জ দিচ্ছে ব্র্যাক, মাঠে নামছে ২৪ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী

দেশজুড়ে হাম রোগের বিস্তার ঠেকাতে শুরু হওয়া জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে সহায়তা দিচ্ছে ব্র্যাক। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে সংস্থাটি ১৫ লাখ সিরিঞ্জ সরবরাহ করছে এবং মাঠপর্যায়ে ব্যাপক সহায়তা দিচ্ছে, যাতে শিশুদের টিকাকেন্দ্রে নিয়ে আসা যায়।

জাতীয় টিকাদান কার্যক্রমের সূচনা

সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ২০ এপ্রিল থেকে দেশের সব উপজেলা, জেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনে একযোগে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর আগে দেশে হাম ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে ৫ এপ্রিল থেকে ১৮টি জেলার ৩০টি উচ্চঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা ও ১৩টি পৌরসভায় ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের জন্য হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি চালু করা হয়।

সিরিঞ্জ সরবরাহ ও বিতরণ পরিকল্পনা

এই কর্মসূচিকে শক্তিশালী করতে ব্র্যাক ১৫ লাখ মিশ্রণ সিরিঞ্জ সরবরাহ করছে। এর মধ্যে ১৮ এপ্রিল ২ লাখ ১৬ হাজার সিরিঞ্জ সরবরাহ করা হয়েছে। ২০ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৬ লাখ ৪৮ হাজার সিরিঞ্জ হস্তান্তর করা হয়েছে এবং বাকি সিরিঞ্জ ৩০ এপ্রিলের মধ্যে ধাপে ধাপে সরবরাহ করা হবে।

মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের ভূমিকা

৩৬টি জেলার ২৮০টি উপজেলায় ব্র্যাকের প্রায় ২৪ হাজার কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে অভিভাবকদের সচেতন করবেন, যাতে তারা শিশুদের টিকাকেন্দ্রে নিয়ে আসেন। এই কার্যক্রম ২০ এপ্রিল থেকে ১২ মে পর্যন্ত চলবে।

এছাড়া প্রায় ৩ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা ও নিবন্ধনে সহায়তা করবেন। প্রতিটি এলাকায় টিকাদান কার্যক্রম সমন্বয়ে ব্র্যাকের দুইজন করে কর্মী নিয়োজিত থাকবেন।

সচেতনতা বাড়াতে প্রচারণা

টিকাদানে অংশগ্রহণ বাড়াতে ৩৬টি জেলার প্রতিটি উপজেলায় ইউনিয়ন পর্যায়ে সর্বোচ্চ দুই দিন মাইকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে, যার ব্যয় বহন করবে ব্র্যাক। এই প্রচারণার মাধ্যমে অভিভাবকদের টিকাদানে উদ্বুদ্ধ করা হবে।

ব্র্যাকের প্রতিশ্রুতি

ব্র্যাকের স্বাস্থ্য কর্মসূচির জ্যেষ্ঠ পরিচালক ডা. মো. আক্রমুল ইসলাম বলেন, দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ টিকাদান কর্মসূচিতে সরকারের অংশীদার হতে পেরে ব্র্যাক গর্বিত। জীবনরক্ষাকারী এই টিকা যেন দেশের প্রতিটি শিশুর কাছে পৌঁছে যায়, সে লক্ষ্যেই তারা কাজ করছে। পাশাপাশি দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতেও ব্র্যাক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

দুর্যোগে সহায়তার ধারাবাহিকতা

সরকারের দীর্ঘদিনের অংশীদার হিসেবে ব্র্যাক বাংলাদেশে জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করছে। একইসঙ্গে অগ্নিকাণ্ড, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়সহ নানা দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহায়তা দিয়ে আসছে সংস্থাটি।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাইলাইট: দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়ছে প্রতিদিন, তবে বন্ধ অনুসন্ধান–মামলা

হাম প্রতিরোধে সারাদেশে টিকাদান কর্মসূচি: ১৫ লাখ সিরিঞ্জ দিচ্ছে ব্র্যাক, মাঠে নামছে ২৪ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী

০৪:০৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

দেশজুড়ে হাম রোগের বিস্তার ঠেকাতে শুরু হওয়া জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে সহায়তা দিচ্ছে ব্র্যাক। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে সংস্থাটি ১৫ লাখ সিরিঞ্জ সরবরাহ করছে এবং মাঠপর্যায়ে ব্যাপক সহায়তা দিচ্ছে, যাতে শিশুদের টিকাকেন্দ্রে নিয়ে আসা যায়।

জাতীয় টিকাদান কার্যক্রমের সূচনা

সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ২০ এপ্রিল থেকে দেশের সব উপজেলা, জেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনে একযোগে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর আগে দেশে হাম ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে ৫ এপ্রিল থেকে ১৮টি জেলার ৩০টি উচ্চঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা ও ১৩টি পৌরসভায় ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের জন্য হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি চালু করা হয়।

সিরিঞ্জ সরবরাহ ও বিতরণ পরিকল্পনা

এই কর্মসূচিকে শক্তিশালী করতে ব্র্যাক ১৫ লাখ মিশ্রণ সিরিঞ্জ সরবরাহ করছে। এর মধ্যে ১৮ এপ্রিল ২ লাখ ১৬ হাজার সিরিঞ্জ সরবরাহ করা হয়েছে। ২০ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৬ লাখ ৪৮ হাজার সিরিঞ্জ হস্তান্তর করা হয়েছে এবং বাকি সিরিঞ্জ ৩০ এপ্রিলের মধ্যে ধাপে ধাপে সরবরাহ করা হবে।

মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের ভূমিকা

৩৬টি জেলার ২৮০টি উপজেলায় ব্র্যাকের প্রায় ২৪ হাজার কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে অভিভাবকদের সচেতন করবেন, যাতে তারা শিশুদের টিকাকেন্দ্রে নিয়ে আসেন। এই কার্যক্রম ২০ এপ্রিল থেকে ১২ মে পর্যন্ত চলবে।

এছাড়া প্রায় ৩ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা ও নিবন্ধনে সহায়তা করবেন। প্রতিটি এলাকায় টিকাদান কার্যক্রম সমন্বয়ে ব্র্যাকের দুইজন করে কর্মী নিয়োজিত থাকবেন।

সচেতনতা বাড়াতে প্রচারণা

টিকাদানে অংশগ্রহণ বাড়াতে ৩৬টি জেলার প্রতিটি উপজেলায় ইউনিয়ন পর্যায়ে সর্বোচ্চ দুই দিন মাইকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে, যার ব্যয় বহন করবে ব্র্যাক। এই প্রচারণার মাধ্যমে অভিভাবকদের টিকাদানে উদ্বুদ্ধ করা হবে।

ব্র্যাকের প্রতিশ্রুতি

ব্র্যাকের স্বাস্থ্য কর্মসূচির জ্যেষ্ঠ পরিচালক ডা. মো. আক্রমুল ইসলাম বলেন, দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ টিকাদান কর্মসূচিতে সরকারের অংশীদার হতে পেরে ব্র্যাক গর্বিত। জীবনরক্ষাকারী এই টিকা যেন দেশের প্রতিটি শিশুর কাছে পৌঁছে যায়, সে লক্ষ্যেই তারা কাজ করছে। পাশাপাশি দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতেও ব্র্যাক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

দুর্যোগে সহায়তার ধারাবাহিকতা

সরকারের দীর্ঘদিনের অংশীদার হিসেবে ব্র্যাক বাংলাদেশে জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করছে। একইসঙ্গে অগ্নিকাণ্ড, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়সহ নানা দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহায়তা দিয়ে আসছে সংস্থাটি।