নোয়াখালীতে বিদ্যুৎ সংকট দিন দিন তীব্র হয়ে উঠছে। জেলার ৯ লাখের বেশি গ্রাহকের চাহিদার বিপরীতে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহের দুই-তৃতীয়াংশেরও কম পাওয়া যাচ্ছে। ফলে নিয়মিত লোডশেডিং এখন সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চাহিদা ও সরবরাহের বড় ঘাটতি
জেলায় বিদ্যুতের চাহিদা থাকলেও সরবরাহ সেই তুলনায় অনেক কম। প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের বড় একটি অংশ ঘাটতিতে থাকায় সার্বিকভাবে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চাপে রয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে।

ঘন ঘন লোডশেডিং
অনেক এলাকায় দেখা যাচ্ছে, ৩০ থেকে ৪০ মিনিট বিদ্যুৎ থাকার পর আবার দীর্ঘ সময় সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকছে। এই অনিয়মিত সরবরাহে মানুষকে বারবার দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। রাতেও একই পরিস্থিতি থাকায় ভোগান্তি আরও বাড়ছে।
শিক্ষার্থীদের ওপর মারাত্মক প্রভাব
এই সংকটের সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে শিক্ষার্থীদের ওপর, বিশেষ করে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের। নিয়মিত বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছে, যা তাদের প্রস্তুতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অনেকেই নিরবচ্ছিন্ন আলো না পাওয়ায় নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পড়াশোনা করতে পারছেন না।
সামগ্রিক পরিস্থিতি
সব মিলিয়ে নোয়াখালীতে বিদ্যুৎ ঘাটতি এখন জনজীবনের একটি বড় সমস্যায় পরিণত হয়েছে। দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এর প্রভাব আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















