পোলট্রি শিল্পের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হওয়ায় খামারিরা মারাত্মক সমস্যায় পড়ছেন। নিরবচ্ছিন্ন তাপমাত্রা বজায় রাখতে না পারায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। অনেক খামারি বাধ্য হয়ে জেনারেটরের ওপর নির্ভর করলেও জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্যের কারণে সেটি চালানোও এখন কঠিন হয়ে উঠেছে।
এই পরিস্থিতির সরাসরি প্রভাব পড়েছে ব্রয়লার বাচ্চা উৎপাদনে। সাপ্তাহিক চাহিদার তুলনায় প্রায় ৫০ লাখ বাচ্চা কম উৎপাদিত হচ্ছে, ফলে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এতে পুরো পোলট্রি খাতই অস্থির হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আগে যেখানে একটি ট্রাকে বেশি সংখ্যক মুরগি পরিবহন করা সম্ভব হতো, এখন তা কমে গেছে। উৎপাদন কমে যাওয়ায় দূরবর্তী এলাকা থেকে সংগ্রহ করতে হচ্ছে, যা প্রতি ইউনিট পণ্যের খরচ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
এই বাড়তি খরচের প্রভাব সরাসরি পড়ছে বাজারে। এক মাসের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনপ্রতি প্রায় ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। একইভাবে মুরগির দামও বেড়ে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে, যা দেশের প্রোটিন নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক সংকেত।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















