০১:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
অস্ট্রেলিয়ার ‘ভুলে যাওয়া যুদ্ধ’: বোর্নিও ও মালয় উপদ্বীপে ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি সংঘাতে অস্ট্রেলিয়ার ভূমিকা অস্ট্রেলিয়ার অদ্ভুত জলপ্রপাত: আড়াআড়ি স্রোত, উল্টো ধারা আর কুয়াশার জলপ্রপাতের বিস্ময় বিবাহবিচ্ছেদের পর একাকী জীবনের কঠিন বাস্তবতা: আয় কমে খরচ বেড়ে বদলে যাচ্ছে জীবনধারা এজেএল ৪০: নবাগত তারকারা নতুন সুরে মঞ্চ মাতাতে প্রস্তুত ফ্লেমিঙ্গো ছানার জীবনচক্র ও গোলাপি রঙে বদলের অবাক করা রহস্য সিঙ্গাপুর এক্সচেঞ্জে ১.২৭ বিলিয়ন ডলারের রিয়েল এস্টেট ট্রাস্ট তালিকাভুক্তির পরিকল্পনায় থাই হসপিটালিটি জায়ান্ট ইন্দোনেশিয়ার সমুদ্রে একের পর এক রহস্যময় ক্ষেপণাস্ত্র সদৃশ বস্তু: আতঙ্ক ছড়াচ্ছে উপকূলজুড়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় নতুন মোড়: ছায়াযুদ্ধের আশঙ্কা ও স্লিপার সেল আতঙ্কে বিশ্ব নিরাপত্তা ঝুঁকি ২৩ কোটি রিঙ্গিত আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ: এনজিও কেলেঙ্কারিতে বিলাসবহুল সম্পদ জব্দ হরমুজ সংকটে ভারতে গ্যাসের তীব্র সংকট, রাস্তায় নেমেছে শ্রমিকদের ক্ষোভ

বৃহস্পতিবার ৩ হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা, বাড়ছে বিদ্যুৎ সংকট

দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি হওয়ায় বৃহস্পতিবার প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও শিল্পাঞ্চলে বাড়তি চাহিদার কারণে পরিস্থিতি আরও চাপে পড়েছে।

চাহিদা-উৎপাদনে বড় ফারাক

বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দেশে বিদ্যুতের মোট চাহিদা প্রায় ১৭ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে। এর বিপরীতে উৎপাদন থাকবে প্রায় ১৪ হাজার মেগাওয়াটের মতো। ফলে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আগের দিনের অবস্থাও ছিল চাপের

বুধবারও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি খুব একটা স্বস্তিদায়ক ছিল না। সেদিন প্রায় ২ হাজার ৮৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। উৎপাদন ছিল ১৩ হাজার ৬৮১ মেগাওয়াট, যা চাহিদার তুলনায় কম ছিল।

Why load shedding despite so many power plants | Prothom Alo

তাপদাহ ও শিল্পে চাহিদা বৃদ্ধি

বর্তমান তাপদাহের কারণে ঘরোয়া পর্যায়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার বেড়েছে। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলগুলোতেও উৎপাদন অব্যাহত রাখতে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। এই দুইয়ের চাপ মিলেই বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় অস্বাভাবিক চাপ তৈরি হয়েছে।

কারিগরি ও জ্বালানি সংকটের প্রভাব

বিদ্যুৎ উৎপাদনে কিছু কারিগরি ত্রুটি ও জ্বালানি সংকটও বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ রয়েছে। অন্য একটি কেন্দ্র আংশিক সক্ষমতায় চলছে। এছাড়া কয়লার অভাবে আরেকটি কেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ রাখতে হয়েছে।

Adani's 700 MW unit shut down fuels load shedding more in rural areas than  Jessore city | The Business Standard

কবে আসতে পারে স্বস্তি

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলমান মেরামত কাজ শেষ হলে এবং নতুন করে কয়লার চালান এলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। আগামী ২৬ ও ২৮ এপ্রিলের পর ধীরে ধীরে উৎপাদন বাড়ার আশা করা হচ্ছে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহ এলে প্রায় ১ হাজার ৯৮২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

সামনে কী অপেক্ষা করছে

বর্তমান পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে, স্বল্পমেয়াদে লোডশেডিং পুরোপুরি কমে আসার সম্ভাবনা কম। তবে মেরামত ও জ্বালানি সরবরাহ ঠিক হলে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ার ‘ভুলে যাওয়া যুদ্ধ’: বোর্নিও ও মালয় উপদ্বীপে ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি সংঘাতে অস্ট্রেলিয়ার ভূমিকা

বৃহস্পতিবার ৩ হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা, বাড়ছে বিদ্যুৎ সংকট

১১:২৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি হওয়ায় বৃহস্পতিবার প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও শিল্পাঞ্চলে বাড়তি চাহিদার কারণে পরিস্থিতি আরও চাপে পড়েছে।

চাহিদা-উৎপাদনে বড় ফারাক

বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দেশে বিদ্যুতের মোট চাহিদা প্রায় ১৭ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে। এর বিপরীতে উৎপাদন থাকবে প্রায় ১৪ হাজার মেগাওয়াটের মতো। ফলে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আগের দিনের অবস্থাও ছিল চাপের

বুধবারও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি খুব একটা স্বস্তিদায়ক ছিল না। সেদিন প্রায় ২ হাজার ৮৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। উৎপাদন ছিল ১৩ হাজার ৬৮১ মেগাওয়াট, যা চাহিদার তুলনায় কম ছিল।

Why load shedding despite so many power plants | Prothom Alo

তাপদাহ ও শিল্পে চাহিদা বৃদ্ধি

বর্তমান তাপদাহের কারণে ঘরোয়া পর্যায়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার বেড়েছে। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলগুলোতেও উৎপাদন অব্যাহত রাখতে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। এই দুইয়ের চাপ মিলেই বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় অস্বাভাবিক চাপ তৈরি হয়েছে।

কারিগরি ও জ্বালানি সংকটের প্রভাব

বিদ্যুৎ উৎপাদনে কিছু কারিগরি ত্রুটি ও জ্বালানি সংকটও বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ রয়েছে। অন্য একটি কেন্দ্র আংশিক সক্ষমতায় চলছে। এছাড়া কয়লার অভাবে আরেকটি কেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ রাখতে হয়েছে।

Adani's 700 MW unit shut down fuels load shedding more in rural areas than  Jessore city | The Business Standard

কবে আসতে পারে স্বস্তি

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলমান মেরামত কাজ শেষ হলে এবং নতুন করে কয়লার চালান এলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। আগামী ২৬ ও ২৮ এপ্রিলের পর ধীরে ধীরে উৎপাদন বাড়ার আশা করা হচ্ছে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহ এলে প্রায় ১ হাজার ৯৮২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

সামনে কী অপেক্ষা করছে

বর্তমান পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে, স্বল্পমেয়াদে লোডশেডিং পুরোপুরি কমে আসার সম্ভাবনা কম। তবে মেরামত ও জ্বালানি সরবরাহ ঠিক হলে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে।