১০:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থা: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান টানাপোড়েনে বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যে নতুন সংকট ইরান পরিস্থিতি ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা, পাকিস্তানে যাচ্ছেন উইটকফ ও কুশনার সবুজ প্রতিশ্রুতির রাজনীতি: কথার চেয়ে কাজে কতটা এগোবে বাংলা? ‘জয় বাংলা’ বলা নিষিদ্ধ কোথায়—প্রশ্ন তুলে ইমির মুক্তির দাবিতে রাজু ভাস্কর্যে প্রতিবাদ কলকাতার অভিজাত রাশবিহারী কেন্দ্রে বিজেপির মতাদর্শিক মুখ বনাম তৃণমূলের অভিজ্ঞ যোদ্ধা—জমে উঠেছে লড়াই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থ নিয়ে বিতর্ক: ১ কোটি টাকা পাওয়ার কথা স্বীকার, আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার রিফাতের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাইবার প্রতারণা দমনে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া পদক্ষেপ, কোটি ডলারের পুরস্কার ঘোষণা ৩০ বছরের চুক্তির শেষ বছরে গঙ্গা ইস্যু, নতুন বাস্তবতায় সমন্বিত পরিকল্পনার তাগিদ রাতের বাসযাত্রা থেকে নিখোঁজ, ১২ ঘণ্টা পর কুমিল্লার ফুটপাতে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার মরদেহ মিছিল নিয়ে তেল পাম্পে হামলা: শৃঙ্খলা ফেরাতে গিয়ে ইউএনওর ওপর আক্রমণ, অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থ নিয়ে বিতর্ক: ১ কোটি টাকা পাওয়ার কথা স্বীকার, আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার রিফাতের

কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে পাওয়া অর্থকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সভাপতি রিফাত রশিদ। গণভোটে ‘হ্যাঁ ক্যাম্পেইন’ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এক কোটি টাকা পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও আত্মসাতের অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেছেন তিনি।

ভিডিও বক্তব্যে ব্যাখ্যা
শুক্রবার রাতে প্রকাশিত এক ভিডিও বক্তব্যে রিফাত রশিদ বলেন, গণভোটের প্রচারণায় ব্যবহৃত অর্থ নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার দাবি, সংগঠনের পক্ষ থেকে সারা দেশে প্রচারণা চালানোর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

অভিযোগের সূত্র
এর আগে বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মুখপাত্র সিনথিয়া জাহিন আয়েশা রিফাতের বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের অভিযোগ তোলেন। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়।

অর্থ গ্রহণের প্রক্রিয়া
রিফাত জানান, সংগঠনটি নিবন্ধিত না থাকায় সরাসরি অর্থ গ্রহণ সম্ভব হয়নি। এ কারণে একটি ফাউন্ডেশন গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। তিনি বলেন, মোট পাঁচ কোটি টাকার একটি চুক্তি হলেও প্রাথমিকভাবে এক কোটি টাকা পাওয়া যায় এবং তা নির্ধারিত শর্ত মেনে ব্যয় করা হয়েছে।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নামে প্রচারিত গণমাধ্যমের তালিকা ভুয়া |  শিরোনাম | বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

অডিট ও জবাবদিহি
অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে স্বচ্ছতার দাবি করে রিফাত রশিদ বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত অডিট ফার্মের মাধ্যমে সম্পূর্ণ ব্যয়ের হিসাব নিরীক্ষা করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তা জমা দেওয়া হয়েছে। ওই অডিটে কোনো অনিয়ম ধরা পড়েনি বলেও দাবি করেন তিনি।

অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও অবস্থান
সিনথিয়া জাহিন আয়েশার ভূমিকা প্রসঙ্গে রিফাত বলেন, ফাউন্ডেশন গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে তিনি যুক্ত থাকলেও পরে নিজেই সরে দাঁড়ান। এরপর তাকে বাদ দিয়েই কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হয়। সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কাঠামো নিয়ে সমালোচনার জবাবে তিনি জানান, এক সময় চার মাস নেতৃত্বশূন্য অবস্থায় ছিল সংগঠনটি। পরে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে একটি উপদেষ্টা প্যানেল গঠন করা হয়েছে।

তদন্তে সহযোগিতার আশ্বাস
উঠে আসা অভিযোগকে পরিকল্পিত বলে দাবি করে রিফাত বলেন, সংগঠনকে বিতর্কিত করতে একটি মহল এসব অভিযোগ তুলছে। তিনি জানান, যেকোনো তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করবেন এবং প্রয়োজনে সব ধরনের নথিপত্র সরবরাহ করবেন। গত দুই বছরে তার বিরুদ্ধে এক টাকারও দুর্নীতির প্রমাণ দেখাতে পারলে দায় স্বীকার করবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শেষ বক্তব্যে তিনি সংগঠনের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ধরনের বিভ্রান্তিমূলক ফাঁদে না পড়ার জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থ নিয়ে রিফাতের ব্যাখ্যা, আত্মসাতের অভিযোগ নাকচ—নতুন বিতর্ক

হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থা: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান টানাপোড়েনে বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যে নতুন সংকট

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থ নিয়ে বিতর্ক: ১ কোটি টাকা পাওয়ার কথা স্বীকার, আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার রিফাতের

০৮:১৮:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে পাওয়া অর্থকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সভাপতি রিফাত রশিদ। গণভোটে ‘হ্যাঁ ক্যাম্পেইন’ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এক কোটি টাকা পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও আত্মসাতের অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেছেন তিনি।

ভিডিও বক্তব্যে ব্যাখ্যা
শুক্রবার রাতে প্রকাশিত এক ভিডিও বক্তব্যে রিফাত রশিদ বলেন, গণভোটের প্রচারণায় ব্যবহৃত অর্থ নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার দাবি, সংগঠনের পক্ষ থেকে সারা দেশে প্রচারণা চালানোর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

অভিযোগের সূত্র
এর আগে বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মুখপাত্র সিনথিয়া জাহিন আয়েশা রিফাতের বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের অভিযোগ তোলেন। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়।

অর্থ গ্রহণের প্রক্রিয়া
রিফাত জানান, সংগঠনটি নিবন্ধিত না থাকায় সরাসরি অর্থ গ্রহণ সম্ভব হয়নি। এ কারণে একটি ফাউন্ডেশন গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। তিনি বলেন, মোট পাঁচ কোটি টাকার একটি চুক্তি হলেও প্রাথমিকভাবে এক কোটি টাকা পাওয়া যায় এবং তা নির্ধারিত শর্ত মেনে ব্যয় করা হয়েছে।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নামে প্রচারিত গণমাধ্যমের তালিকা ভুয়া |  শিরোনাম | বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

অডিট ও জবাবদিহি
অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে স্বচ্ছতার দাবি করে রিফাত রশিদ বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত অডিট ফার্মের মাধ্যমে সম্পূর্ণ ব্যয়ের হিসাব নিরীক্ষা করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তা জমা দেওয়া হয়েছে। ওই অডিটে কোনো অনিয়ম ধরা পড়েনি বলেও দাবি করেন তিনি।

অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও অবস্থান
সিনথিয়া জাহিন আয়েশার ভূমিকা প্রসঙ্গে রিফাত বলেন, ফাউন্ডেশন গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে তিনি যুক্ত থাকলেও পরে নিজেই সরে দাঁড়ান। এরপর তাকে বাদ দিয়েই কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হয়। সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কাঠামো নিয়ে সমালোচনার জবাবে তিনি জানান, এক সময় চার মাস নেতৃত্বশূন্য অবস্থায় ছিল সংগঠনটি। পরে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে একটি উপদেষ্টা প্যানেল গঠন করা হয়েছে।

তদন্তে সহযোগিতার আশ্বাস
উঠে আসা অভিযোগকে পরিকল্পিত বলে দাবি করে রিফাত বলেন, সংগঠনকে বিতর্কিত করতে একটি মহল এসব অভিযোগ তুলছে। তিনি জানান, যেকোনো তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করবেন এবং প্রয়োজনে সব ধরনের নথিপত্র সরবরাহ করবেন। গত দুই বছরে তার বিরুদ্ধে এক টাকারও দুর্নীতির প্রমাণ দেখাতে পারলে দায় স্বীকার করবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শেষ বক্তব্যে তিনি সংগঠনের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ধরনের বিভ্রান্তিমূলক ফাঁদে না পড়ার জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থ নিয়ে রিফাতের ব্যাখ্যা, আত্মসাতের অভিযোগ নাকচ—নতুন বিতর্ক