০৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশে মাত্র ১৮৯টি বাঘ, বিলুপ্তির ঝুঁকি ঠেকাতে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান অ্যান্ডি বার্নহামের সামাজিক সেবা সংস্কার পরিকল্পনা: আয়করে নতুন করের ভাবনা, বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত আরব বসন্ত থেকে যন্তর মন্তর: রাজনৈতিক আন্দোলনের বৈশ্বিক নকশা ও তার উৎস মেহেরপুরে দুই বাড়ির ফটকের সামনে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ সুন্দরবনে ১০ বছরে বেড়েছে ১৯টি রয়েল বেঙ্গল টাইগার, তবু নিরাপত্তা নিয়ে রয়ে গেছে বড় উদ্বেগ রয়েল বেঙ্গল টাইগার সম্পর্কে ১০টি অবাক করা তথ্য রয়েল বেঙ্গল টাইগার: সুন্দরবনের প্রাণ, বাংলাদেশের গৌরবের প্রতীক বেঙ্গল টাইগার: অরণ্যের সম্রাট সম্পর্কে জানার ১০টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাকিস্তানের পাঞ্জাবে ভয়াবহ বন্যা, নৌকায় ঘর ছাড়ছেন মানুষ পাকিস্তানের পাসপোর্ট বিশ্বের চতুর্থ দুর্বল, ১০১তম অবস্থানে

‘জয় বাংলা’ বলা নিষিদ্ধ কোথায়—প্রশ্ন তুলে ইমির মুক্তির দাবিতে রাজু ভাস্কর্যে প্রতিবাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হল ছাত্র সংসদের সাবেক সহসভাপতি ও ‘স্লোগান ৭১’–এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে ‘নিপীড়নবিরোধী নাগরিক সমাজ’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

সমাবেশে অংশ নিয়ে বক্তারা ইমির বিরুদ্ধে করা মামলার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে দ্রুত মুক্তির দাবি জানান। তারা বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকারের প্রশ্নে এ ধরনের গ্রেপ্তার নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বক্তব্যে প্রশ্ন তুললেন নাহিদুল ইসলাম
সমাবেশে বক্তব্য দেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আলোচিত মুখ এবং ঢাকার নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী নাহিদুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে সরাসরি আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তিনি বলেন, সংবিধানের কোথাও ‘জয় বাংলা’ বলা বা ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার নিষিদ্ধ আছে কি না—সেটি স্পষ্ট করা প্রয়োজন। যদি কোনো আইনে এসব নিষিদ্ধ থাকে, তবে তিনি নিজের বক্তব্য প্রত্যাহার করবেন বলেও উল্লেখ করেন। তবে এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলে দ্রুত ইমির মুক্তির দাবি জানান তিনি।

নাহিদুল ইসলাম আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে দাঁড়িয়ে তারা যে স্বপ্ন দেখেছেন, তা বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যেতে হলে ইমিকে মুক্ত করতে হবে। তিনি জানান, আন্দোলনের অংশ হিসেবে প্রতিবাদের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

মামলার প্রেক্ষাপট
গত ৮ মার্চ রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা এক মামলায় শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। ওই মামলাকে কেন্দ্র করেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা মামলাটির বিচারিক প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার পাশাপাশি ইমির মুক্তির দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। তাদের বক্তব্যে আইনগত স্বচ্ছতা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে মাত্র ১৮৯টি বাঘ, বিলুপ্তির ঝুঁকি ঠেকাতে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান

‘জয় বাংলা’ বলা নিষিদ্ধ কোথায়—প্রশ্ন তুলে ইমির মুক্তির দাবিতে রাজু ভাস্কর্যে প্রতিবাদ

০৮:৪০:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হল ছাত্র সংসদের সাবেক সহসভাপতি ও ‘স্লোগান ৭১’–এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে ‘নিপীড়নবিরোধী নাগরিক সমাজ’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

সমাবেশে অংশ নিয়ে বক্তারা ইমির বিরুদ্ধে করা মামলার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে দ্রুত মুক্তির দাবি জানান। তারা বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকারের প্রশ্নে এ ধরনের গ্রেপ্তার নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বক্তব্যে প্রশ্ন তুললেন নাহিদুল ইসলাম
সমাবেশে বক্তব্য দেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আলোচিত মুখ এবং ঢাকার নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী নাহিদুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে সরাসরি আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তিনি বলেন, সংবিধানের কোথাও ‘জয় বাংলা’ বলা বা ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার নিষিদ্ধ আছে কি না—সেটি স্পষ্ট করা প্রয়োজন। যদি কোনো আইনে এসব নিষিদ্ধ থাকে, তবে তিনি নিজের বক্তব্য প্রত্যাহার করবেন বলেও উল্লেখ করেন। তবে এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলে দ্রুত ইমির মুক্তির দাবি জানান তিনি।

নাহিদুল ইসলাম আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে দাঁড়িয়ে তারা যে স্বপ্ন দেখেছেন, তা বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যেতে হলে ইমিকে মুক্ত করতে হবে। তিনি জানান, আন্দোলনের অংশ হিসেবে প্রতিবাদের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

মামলার প্রেক্ষাপট
গত ৮ মার্চ রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা এক মামলায় শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। ওই মামলাকে কেন্দ্র করেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা মামলাটির বিচারিক প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার পাশাপাশি ইমির মুক্তির দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। তাদের বক্তব্যে আইনগত স্বচ্ছতা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।