১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
ওয়ার্শ যুগের সূচনা: এশিয়ার মুদ্রাগুলোর সামনে নতুন বাস্তবতার কঠিন পরীক্ষা ইরানের হামলায় হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা, তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি নতুন এশিয়ার ভ্রমণ মানচিত্র: বালির গল্পে দেখা যাচ্ছে আঞ্চলিক অর্থনীতির নতুন শক্তি বার্নিং ম্যান উৎসবের ইতিহাস নিয়ে আসছে এইচবিও ডকুসিরিজ সিনেমা হলকে নতুনভাবে সাজাচ্ছে সাংহাই মেলনের বৈশ্বিক কে-পপ তালিকায় আলোচনায় রাইজ ও বয় নেক্সট ডোর হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্টকে অপসারণে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ, রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে ট্রাম্পের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের রায়, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরানোর পথ খুলল রাশিয়ার যুব ফুটবল দলের ফেরার ইঙ্গিত, নতুন টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের পথ খুলছে ফিফা ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক পদ বাতিল, বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ

ক্রীড়া রেফারিদের অধিকার রক্ষায় আজীবন লড়াই: ব্যারি মানোর প্রভাব ও উত্তরাধিকার

১৯৭২ সালের এক উত্তেজনাপূর্ণ বাস্কেটবল ম্যাচে শেষ মুহূর্তের একটি শট ঘিরে তৈরি হয় বিশাল বিতর্ক। দর্শকদের উল্লাস মুহূর্তেই ক্ষোভে রূপ নেয়, যখন নিয়ম অনুযায়ী সেই শট বাতিল করা হয়। এই ঘটনাই সামনে আনে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—খেলার নিয়ম রক্ষা করতে গিয়ে রেফারিরা কতটা ঝুঁকি ও চাপের মধ্যে কাজ করেন।

বিতর্ক থেকে উপলব্ধির শুরু

শিকাগোর সেই ম্যাচে সময়মতো ঘড়ি চালু না হওয়ায় শেষ শটটি বাতিল করা হয়। এতে ক্ষুব্ধ দর্শকেরা মাঠে বস্তু ছুড়ে মারতে শুরু করে। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে খেলোয়াড়দেরই রেফারিদের রক্ষা করে মাঠ ছাড়াতে হয়। এই ঘটনাই ব্যারি মানোকে গভীরভাবে নাড়া দেয় এবং তিনি উপলব্ধি করেন—রেফারিদের জন্য একটি শক্তিশালী সহায়তা ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে।

Barry Mano in a jacket with an "AABO" patch, refereeing a basketball game.

রেফারিদের জন্য কণ্ঠস্বর

এই উপলব্ধি থেকেই ১৯৭৬ সালে তিনি একটি ম্যাগাজিন চালু করেন, যার লক্ষ্য ছিল রেফারি ও ক্রীড়া কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা এবং তাদের পক্ষে কথা বলা। পরবর্তীতে তিনি একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন, যা রেফারিদের প্রশিক্ষণ, আইনি সুরক্ষা এবং অধিকার আদায়ে কাজ করে।

বাড়তে থাকা সংকট

বর্তমানে ক্রীড়া রেফারিদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো অবমাননা ও নির্যাতন। নতুন রেফারিদের বড় একটি অংশ খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই পেশা ছেড়ে দেন। বিশেষ করে স্কুল ও অপেশাদার পর্যায়ে এই সমস্যা আরও প্রকট, যেখানে পর্যাপ্ত সহায়তা ব্যবস্থা নেই।

Barry Mano, Who Gave Sports Referees a Voice (and More), Dies at 82 - WSJ

খেলার ন্যায্যতা রক্ষার প্রশ্ন

ব্যারি মানো মনে করতেন, রেফারিরা না থাকলে খেলাগুলো শুধু বিনোদনে পরিণত হবে, প্রতিযোগিতার মূল মানেই হারিয়ে যাবে। তাই খেলাধুলার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে রেফারিদের সুরক্ষা ও সম্মান নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ওয়ার্শ যুগের সূচনা: এশিয়ার মুদ্রাগুলোর সামনে নতুন বাস্তবতার কঠিন পরীক্ষা

ক্রীড়া রেফারিদের অধিকার রক্ষায় আজীবন লড়াই: ব্যারি মানোর প্রভাব ও উত্তরাধিকার

১২:১৫:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

১৯৭২ সালের এক উত্তেজনাপূর্ণ বাস্কেটবল ম্যাচে শেষ মুহূর্তের একটি শট ঘিরে তৈরি হয় বিশাল বিতর্ক। দর্শকদের উল্লাস মুহূর্তেই ক্ষোভে রূপ নেয়, যখন নিয়ম অনুযায়ী সেই শট বাতিল করা হয়। এই ঘটনাই সামনে আনে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—খেলার নিয়ম রক্ষা করতে গিয়ে রেফারিরা কতটা ঝুঁকি ও চাপের মধ্যে কাজ করেন।

বিতর্ক থেকে উপলব্ধির শুরু

শিকাগোর সেই ম্যাচে সময়মতো ঘড়ি চালু না হওয়ায় শেষ শটটি বাতিল করা হয়। এতে ক্ষুব্ধ দর্শকেরা মাঠে বস্তু ছুড়ে মারতে শুরু করে। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে খেলোয়াড়দেরই রেফারিদের রক্ষা করে মাঠ ছাড়াতে হয়। এই ঘটনাই ব্যারি মানোকে গভীরভাবে নাড়া দেয় এবং তিনি উপলব্ধি করেন—রেফারিদের জন্য একটি শক্তিশালী সহায়তা ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে।

Barry Mano in a jacket with an "AABO" patch, refereeing a basketball game.

রেফারিদের জন্য কণ্ঠস্বর

এই উপলব্ধি থেকেই ১৯৭৬ সালে তিনি একটি ম্যাগাজিন চালু করেন, যার লক্ষ্য ছিল রেফারি ও ক্রীড়া কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা এবং তাদের পক্ষে কথা বলা। পরবর্তীতে তিনি একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন, যা রেফারিদের প্রশিক্ষণ, আইনি সুরক্ষা এবং অধিকার আদায়ে কাজ করে।

বাড়তে থাকা সংকট

বর্তমানে ক্রীড়া রেফারিদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো অবমাননা ও নির্যাতন। নতুন রেফারিদের বড় একটি অংশ খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই পেশা ছেড়ে দেন। বিশেষ করে স্কুল ও অপেশাদার পর্যায়ে এই সমস্যা আরও প্রকট, যেখানে পর্যাপ্ত সহায়তা ব্যবস্থা নেই।

Barry Mano, Who Gave Sports Referees a Voice (and More), Dies at 82 - WSJ

খেলার ন্যায্যতা রক্ষার প্রশ্ন

ব্যারি মানো মনে করতেন, রেফারিরা না থাকলে খেলাগুলো শুধু বিনোদনে পরিণত হবে, প্রতিযোগিতার মূল মানেই হারিয়ে যাবে। তাই খেলাধুলার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে রেফারিদের সুরক্ষা ও সম্মান নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।