১১:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
১৩০ বছরের ঐতিহাসিক ঘড়ির নতুন জীবন, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছর উদযাপনে বিশেষ আয়োজন তুরস্ককে ৭০ কোটি ডলারের জেট ইঞ্জিন বিক্রিতে এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র দুর্যোগের দিনে টিকে থাকার পাঠ: কেন বাড়ছে জরুরি প্রস্তুতির গুরুত্ব বিশ্বকাপের বল নিয়ে গোলরক্ষকদের দুশ্চিন্তা, প্রশ্নের উত্তর দিলেন জো হার্ট ২০৩৮ বিশ্বকাপ আয়োজনেও আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ট্রাম্পের উপদেষ্টা সিয়াটলে ইরান-মিসর ম্যাচ ঘিরে বিতর্ক, রংধনু পতাকা নিয়ে ফিফার সিদ্ধান্তে উত্তেজনা মোজার্টের অজানা সুরের খাতা আবিষ্কার, মিলল সাতটি নতুন সংগীতকর্ম ত্যাগ চাই মর্সিয়া ক্রন্দন চাই না টেনেসি উইলিয়ামসের নাটক থেকে অপেরা: পাখি, অন্ধকার রহস্য আর গথিক আবহে নতুন রূপ ইউরোপে রেকর্ডভাঙা তাপপ্রবাহ, জলবায়ু পরিবর্তন ছাড়া ‘প্রায় অসম্ভব’ বলছেন বিজ্ঞানীরা

এলডিসি স্নাতকের আগে সংস্কার না হলে বিনিয়োগ টানতে পারবে না বাংলাদেশ, সতর্কতা আঙ্কটাডের

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা আঙ্কটাড একটি নতুন প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাংলাদেশ বিনিয়োগ পরিবেশে অগ্রগতি করলেও নভেম্বর ২০২৬-এ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আগে জরুরি কাঠামোগত সংস্কার করতে না পারলে দেশটি বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে। ঢাকায় বিডা ভবনে এই প্রতিবেদন উন্মোচন করে আঙ্কটাড, ইউএনডিপি ও বিডা।
**কোন সংস্কারগুলো জরুরি**
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি সমন্বিত জাতীয় বিনিয়োগ নীতি প্রয়োজন, একটি সংহত বিনিয়োগ আইন দরকার এবং ডিজিটাল বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। বিডার প্রধান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, “আমরা এতদিন সেকেন্ড গিয়ারে চলেছি, এখন পঞ্চম গিয়ারে যেতে হবে। না হলে প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে পাল্লা দেওয়া সম্ভব হবে না।”
**এলডিসি থেকে বের হওয়ার চাপ**
নভেম্বরে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে গেলে বাংলাদেশ অনেক বাণিজ্যিক সুবিধা হারাবে। বিশেষত পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা কমে যাবে। এই বাস্তবতায় নতুন বিনিয়োগ আনা অপরিহার্য। ইউএনডিপির প্রতিনিধি বলেন, দায়িত্বশীল ও প্রভাবশালী বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পারলেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।
জনপ্রিয় সংবাদ

১৩০ বছরের ঐতিহাসিক ঘড়ির নতুন জীবন, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছর উদযাপনে বিশেষ আয়োজন

এলডিসি স্নাতকের আগে সংস্কার না হলে বিনিয়োগ টানতে পারবে না বাংলাদেশ, সতর্কতা আঙ্কটাডের

০৭:৪৬:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা আঙ্কটাড একটি নতুন প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাংলাদেশ বিনিয়োগ পরিবেশে অগ্রগতি করলেও নভেম্বর ২০২৬-এ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আগে জরুরি কাঠামোগত সংস্কার করতে না পারলে দেশটি বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে। ঢাকায় বিডা ভবনে এই প্রতিবেদন উন্মোচন করে আঙ্কটাড, ইউএনডিপি ও বিডা।
**কোন সংস্কারগুলো জরুরি**
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি সমন্বিত জাতীয় বিনিয়োগ নীতি প্রয়োজন, একটি সংহত বিনিয়োগ আইন দরকার এবং ডিজিটাল বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। বিডার প্রধান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, “আমরা এতদিন সেকেন্ড গিয়ারে চলেছি, এখন পঞ্চম গিয়ারে যেতে হবে। না হলে প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে পাল্লা দেওয়া সম্ভব হবে না।”
**এলডিসি থেকে বের হওয়ার চাপ**
নভেম্বরে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে গেলে বাংলাদেশ অনেক বাণিজ্যিক সুবিধা হারাবে। বিশেষত পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা কমে যাবে। এই বাস্তবতায় নতুন বিনিয়োগ আনা অপরিহার্য। ইউএনডিপির প্রতিনিধি বলেন, দায়িত্বশীল ও প্রভাবশালী বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পারলেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।