০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
প্রদেশ নয়, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণই পাকিস্তানের প্রকৃত সংস্কার টাইটানিকের শতাধিক নিদর্শন নিলাম বন্ধ করলেন মার্কিন বিচারক আমদানি নীতিতে বড় পরিবর্তন, এলসি ছাড়াই সীমাহীন মূল্যের চুক্তিতে পণ্য আমদানির সুযোগ মহেশখালীর সাগরে নিউজিল্যান্ডের পরিবারের নৌকাডুবি, নিখোঁজ কিশোর চীনের জে-১০ সিই কিনছে বাংলাদেশ ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ৯০৭; মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৮ বুধবার বাংলাদেশে পালিত হবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী, দেশজুড়ে নানা আয়োজন ঢাকা-যশোর রুটে আবার ইউএস-বাংলার ফ্লাইট, ৯ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিদিন দুই ট্রিপ মেঘনা ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড অনুমোদন, মূলধন শক্তিশালী হবে প্রিন্স হ্যারি–মেগানের নতুন ব্রিটেনযাত্রা, পেছনে পড়ে থাকবে আর্চির প্রিয় ‘মুরগির বাড়ি’

এলডিসি স্নাতকের আগে সংস্কার না হলে বিনিয়োগ টানতে পারবে না বাংলাদেশ, সতর্কতা আঙ্কটাডের

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা আঙ্কটাড একটি নতুন প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাংলাদেশ বিনিয়োগ পরিবেশে অগ্রগতি করলেও নভেম্বর ২০২৬-এ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আগে জরুরি কাঠামোগত সংস্কার করতে না পারলে দেশটি বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে। ঢাকায় বিডা ভবনে এই প্রতিবেদন উন্মোচন করে আঙ্কটাড, ইউএনডিপি ও বিডা।
**কোন সংস্কারগুলো জরুরি**
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি সমন্বিত জাতীয় বিনিয়োগ নীতি প্রয়োজন, একটি সংহত বিনিয়োগ আইন দরকার এবং ডিজিটাল বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। বিডার প্রধান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, “আমরা এতদিন সেকেন্ড গিয়ারে চলেছি, এখন পঞ্চম গিয়ারে যেতে হবে। না হলে প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে পাল্লা দেওয়া সম্ভব হবে না।”
**এলডিসি থেকে বের হওয়ার চাপ**
নভেম্বরে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে গেলে বাংলাদেশ অনেক বাণিজ্যিক সুবিধা হারাবে। বিশেষত পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা কমে যাবে। এই বাস্তবতায় নতুন বিনিয়োগ আনা অপরিহার্য। ইউএনডিপির প্রতিনিধি বলেন, দায়িত্বশীল ও প্রভাবশালী বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পারলেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রদেশ নয়, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণই পাকিস্তানের প্রকৃত সংস্কার

এলডিসি স্নাতকের আগে সংস্কার না হলে বিনিয়োগ টানতে পারবে না বাংলাদেশ, সতর্কতা আঙ্কটাডের

০৭:৪৬:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা আঙ্কটাড একটি নতুন প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাংলাদেশ বিনিয়োগ পরিবেশে অগ্রগতি করলেও নভেম্বর ২০২৬-এ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আগে জরুরি কাঠামোগত সংস্কার করতে না পারলে দেশটি বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে। ঢাকায় বিডা ভবনে এই প্রতিবেদন উন্মোচন করে আঙ্কটাড, ইউএনডিপি ও বিডা।
**কোন সংস্কারগুলো জরুরি**
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি সমন্বিত জাতীয় বিনিয়োগ নীতি প্রয়োজন, একটি সংহত বিনিয়োগ আইন দরকার এবং ডিজিটাল বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। বিডার প্রধান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, “আমরা এতদিন সেকেন্ড গিয়ারে চলেছি, এখন পঞ্চম গিয়ারে যেতে হবে। না হলে প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে পাল্লা দেওয়া সম্ভব হবে না।”
**এলডিসি থেকে বের হওয়ার চাপ**
নভেম্বরে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে গেলে বাংলাদেশ অনেক বাণিজ্যিক সুবিধা হারাবে। বিশেষত পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা কমে যাবে। এই বাস্তবতায় নতুন বিনিয়োগ আনা অপরিহার্য। ইউএনডিপির প্রতিনিধি বলেন, দায়িত্বশীল ও প্রভাবশালী বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পারলেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।