০৭:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধির আড়ালে ভারতের বিশাল অনানুষ্ঠানিক খাতের ধাক্কা, বলছেন অর্থনীতিবিদরা মধ্যপ্রাচ্য সংকটে অ্যালুমিনিয়াম ঘাটতি, চাপ বাড়ছে ভারতের গাড়ি শিল্পে হাওরের বুকজুড়ে ধানের স্বপ্ন ডুবে গেলো, সুনামগঞ্জে ১০ হাজার হেক্টর জমিতে কৃষকের হাহাকার মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় লন্ডন থেকে ঢাকা—সবখানেই বাড়ছে খরচ, বললেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার ওপেক ছাড়ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, জ্বালানি নীতিতে বড় মোড় সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর ৪৬৪ হত্যা, ৬৬৬ ধর্ষণ মামলা—সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তথ্য হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যু, উদ্বেগ বাড়ছে সংক্রমণ নিয়ে এনসিসি ব্যাংকের ২১ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা, শেয়ারবাজারে তীব্র উত্থান বনের পথ ফেরাতে দড়ির সেতু, প্রথমবার সড়ক পেরোল সুমাত্রার ওরাংউটান ইরানে ক্ষমতার দ্বন্দ্বে অচলাবস্থা, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অনিশ্চয়তা

অকাল বন্যার শঙ্কা উত্তরাঞ্চলে, রেকর্ড বৃষ্টিতে ফুলে উঠছে নদী

এপ্রিলের অস্বাভাবিক ভারী বৃষ্টিতে উত্তরাঞ্চলের নদীগুলো দ্রুত ফুলে উঠছে, তৈরি হয়েছে অকাল বন্যার আশঙ্কা। তিস্তা, ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি একটানা বাড়তে থাকায় নিম্নাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। কৃষকদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ, কারণ এই সময় এমন পরিস্থিতি সচরাচর দেখা যায় না।

নদীর পানি বাড়ছে, বাড়ছে শঙ্কা

এপ্রিলজুড়ে টানা বৃষ্টিপাতে উত্তরাঞ্চলের প্রধান নদীগুলোর পানি ধীরে ধীরে বাড়ছে। তিস্তার পানি এখনও বিপৎসীমার নিচে থাকলেও গত কয়েক দিনে প্রায় ৪০ সেন্টিমিটার বেড়েছে। একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদেও। পানি উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি দ্রুত খারাপ হতে পারে।

অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত পরিস্থিতিকে জটিল করছে

গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলের আটটি জেলায় প্রায় ৪৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে, যা এই সময়ের জন্য অত্যন্ত অস্বাভাবিক। আবহাওয়াবিদদের মতে, এমন বৃষ্টি সাধারণত বর্ষাকালে দেখা যায়, কিন্তু বৈশাখের শুরুতেই এ ধরনের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক ইঙ্গিত দিচ্ছে। আরও কয়েক দিন বৃষ্টি চলতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কৃষিতে বড় ধাক্কা

তিস্তার চরাঞ্চলে প্রতি বছর শীতের পর কৃষকরা মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, বাদাম, মিষ্টিকুমড়া, ধান ও গম চাষ করেন। কিন্তু হঠাৎ পানি বাড়তে শুরু করায় এসব ফসল ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করেছে। অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে কাঁচা ধান কেটে ফেলছেন, যাতে বড় ক্ষতি এড়ানো যায়।

ঝড়-বৃষ্টিতে বাড়ছে ক্ষয়ক্ষতি

শুধু বৃষ্টিই নয়, এর সঙ্গে যুক্ত ঝড়ও বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা ও ফসলের ক্ষতি করেছে। রাতের ঝড়ে অনেক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি।

সামনে আরও কঠিন সময়ের আশঙ্কা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এই বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকে, তাহলে খুব দ্রুত নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে। এতে করে উত্তরাঞ্চলের নিম্নভূমি ও চরাঞ্চলে অকাল বন্যা দেখা দিতে পারে, যা কৃষি ও জীবিকার ওপর বড় আঘাত হানবে।

এ অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যাতে সম্ভাব্য ক্ষতি কমানো যায়।

অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উত্তরাঞ্চলে টানা বৃষ্টিতে নদীর পানি বাড়ছে, অকাল বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে। কৃষি ও জনজীবনে বড় প্রভাবের আশঙ্কা।

স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধির আড়ালে ভারতের বিশাল অনানুষ্ঠানিক খাতের ধাক্কা, বলছেন অর্থনীতিবিদরা

অকাল বন্যার শঙ্কা উত্তরাঞ্চলে, রেকর্ড বৃষ্টিতে ফুলে উঠছে নদী

০৫:৪১:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

এপ্রিলের অস্বাভাবিক ভারী বৃষ্টিতে উত্তরাঞ্চলের নদীগুলো দ্রুত ফুলে উঠছে, তৈরি হয়েছে অকাল বন্যার আশঙ্কা। তিস্তা, ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি একটানা বাড়তে থাকায় নিম্নাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। কৃষকদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ, কারণ এই সময় এমন পরিস্থিতি সচরাচর দেখা যায় না।

নদীর পানি বাড়ছে, বাড়ছে শঙ্কা

এপ্রিলজুড়ে টানা বৃষ্টিপাতে উত্তরাঞ্চলের প্রধান নদীগুলোর পানি ধীরে ধীরে বাড়ছে। তিস্তার পানি এখনও বিপৎসীমার নিচে থাকলেও গত কয়েক দিনে প্রায় ৪০ সেন্টিমিটার বেড়েছে। একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদেও। পানি উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি দ্রুত খারাপ হতে পারে।

অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত পরিস্থিতিকে জটিল করছে

গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলের আটটি জেলায় প্রায় ৪৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে, যা এই সময়ের জন্য অত্যন্ত অস্বাভাবিক। আবহাওয়াবিদদের মতে, এমন বৃষ্টি সাধারণত বর্ষাকালে দেখা যায়, কিন্তু বৈশাখের শুরুতেই এ ধরনের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক ইঙ্গিত দিচ্ছে। আরও কয়েক দিন বৃষ্টি চলতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কৃষিতে বড় ধাক্কা

তিস্তার চরাঞ্চলে প্রতি বছর শীতের পর কৃষকরা মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, বাদাম, মিষ্টিকুমড়া, ধান ও গম চাষ করেন। কিন্তু হঠাৎ পানি বাড়তে শুরু করায় এসব ফসল ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করেছে। অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে কাঁচা ধান কেটে ফেলছেন, যাতে বড় ক্ষতি এড়ানো যায়।

ঝড়-বৃষ্টিতে বাড়ছে ক্ষয়ক্ষতি

শুধু বৃষ্টিই নয়, এর সঙ্গে যুক্ত ঝড়ও বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা ও ফসলের ক্ষতি করেছে। রাতের ঝড়ে অনেক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি।

সামনে আরও কঠিন সময়ের আশঙ্কা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এই বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকে, তাহলে খুব দ্রুত নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে। এতে করে উত্তরাঞ্চলের নিম্নভূমি ও চরাঞ্চলে অকাল বন্যা দেখা দিতে পারে, যা কৃষি ও জীবিকার ওপর বড় আঘাত হানবে।

এ অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যাতে সম্ভাব্য ক্ষতি কমানো যায়।

অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উত্তরাঞ্চলে টানা বৃষ্টিতে নদীর পানি বাড়ছে, অকাল বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে। কৃষি ও জনজীবনে বড় প্রভাবের আশঙ্কা।