১০:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
অর্থমন্ত্রী সতর্কবার্তা: সামনে দুই বছর কঠিন—অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে কষ্টের সিদ্ধান্ত জরুরি মঞ্চে ঝড় তোলেন, তবু বুকের ভেতর কাঁপন—জুডি লাভের অজানা লড়াই মনোরোগ বিশেষজ্ঞ থেকে রহস্যকাহিনি লেখক: নতুন উপন্যাসে চমক দিলেন ফিলিপা পেরি সকালে কমে, বিকেলে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম নাটক থেকেই শুরু, এখন ওয়েবটুন-উপন্যাসে বিস্তার—বিনোদন জগতে নতুন ধারা জুলাই চেতনাকে পুঁজি করে ‘রাজনৈতিক ব্যবসা’ বরদাশত হবে না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি বিসিবি নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু, ঘরোয়া ক্রিকেটে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা অন্ধকার থেকে আলো—ব্যক্তিগত সংগ্রামকে হাসিতে বদলে নতুন মঞ্চে অ্যাঞ্জেলা ড্রাভিড ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন কৌশল গড়ছে উত্তর কোরিয়া, সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র এখন চীনের প্রযুক্তি কৌশলই অনুসরণ করছে

নাটক থেকেই শুরু, এখন ওয়েবটুন-উপন্যাসে বিস্তার—বিনোদন জগতে নতুন ধারা

টেলিভিশন নাটককে ঘিরে দীর্ঘদিনের প্রচলিত ধারা ভেঙে নতুন পথে হাঁটছে কনটেন্ট জগৎ। আগে জনপ্রিয় ওয়েবটুন বা অনলাইন উপন্যাস থেকে নাটক তৈরি হতো, আর এখন উল্টোটা হচ্ছে—মূল নাটকের গল্প থেকেই তৈরি হচ্ছে ওয়েবটুন ও উপন্যাস। এই পরিবর্তনকে বলা হচ্ছে ‘রিভার্স এক্সপানশন’, যা ২০২৬ সালে এসে বিনোদন শিল্পে বড় একটি মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।

নতুন ধারার উত্থান
সম্প্রতি বেশ কিছু সফল নাটক এই পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। নতুন লেখকদের মৌলিক গল্প নিয়ে তৈরি এসব নাটক দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হওয়ার পর সেগুলোকেই আবার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ওয়েবটুন বা উপন্যাস হিসেবে প্রকাশ করা হচ্ছে। এর ফলে একই গল্প বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে এবং দর্শক- পাঠকদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ বাড়ছে।

একসময় ওয়েবটুন বা অনলাইন গল্পের ওপর নির্ভর করেই নাটক তৈরি হতো। কারণ সেগুলোর আগে থেকেই একটি নির্দিষ্ট পাঠকগোষ্ঠী থাকত। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, নতুন লেখকদের মৌলিক গল্প দিয়েই নাটক সফল হচ্ছে এবং পরে সেটিই হয়ে উঠছে বড় কনটেন্ট আইপি বা বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ।

সাফল্যের উদাহরণ
এই ধারার অন্যতম উদাহরণ একটি জনপ্রিয় রোমান্টিক নাটক, যা সম্প্রচারের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই দর্শকসংখ্যায় বড় সাফল্য পায়। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মেও এটি শীর্ষস্থানে উঠে আসে। পরে এই নাটকটির গল্প নিয়ে ওয়েব উপন্যাস তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়।

 

Original TV scripts spark 'reverse' expansion into webtoons, novels - The  Korea Times

শুধু তাই নয়, আরও কয়েকটি নাটক প্রচারের আগেই ওয়েবটুন সংস্করণ প্রকাশ করে আগ্রহ তৈরি করছে। এতে দর্শকরা গল্পের ভেতরে ঢোকার আগেই চরিত্র ও কাহিনির সঙ্গে পরিচিত হতে পারছে, যা নাটকের জনপ্রিয়তা বাড়াতে সহায়তা করছে।

গল্পের বিস্তার ও নতুন সম্ভাবনা
এই নতুন ধারার আরেকটি বড় দিক হলো গল্পের বিস্তার। নাটকে যেসব চরিত্র বা ঘটনার গভীরে যাওয়া সম্ভব হয় না, সেগুলো ওয়েবটুন বা উপন্যাসে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হচ্ছে। কখনও প্রিক্যুয়েল বা সিক্যুয়েল তৈরি করে গল্পকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

ফলে একটি গল্প একাধিক মাধ্যমে নতুনভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে এবং দর্শক- পাঠক উভয় ক্ষেত্রেই আগ্রহ ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে। একই সঙ্গে নির্মাতারাও একটি সফল কনটেন্ট থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে পারছেন।

নতুন লেখকদের জন্য সুযোগ
এই পরিবর্তনের ফলে নতুন লেখকদের জন্যও দরজা খুলে যাচ্ছে। আগে জনপ্রিয় ওয়েবটুন বা বইয়ের ওপর নির্ভর করতে হতো, এখন মৌলিক গল্প দিয়েই সফল হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এতে বিনোদন শিল্পে নতুন ধারণা ও বৈচিত্র্য বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারা একটি ইতিবাচক চক্র তৈরি করছে। নতুন গল্প তৈরি হচ্ছে, সেগুলো নাটক হিসেবে সফল হচ্ছে, পরে আবার অন্য মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে—ফলে পুরো শিল্পে সৃজনশীলতা ও ব্যবসায়িক সম্ভাবনা দুটোই বাড়ছে।

সংক্ষেপে বলা যায়, নাটক থেকে ওয়েবটুন ও উপন্যাসে বিস্তারের এই নতুন ধারা কনটেন্ট জগতকে আরও গতিশীল করে তুলছে। একই গল্প এখন একাধিক মাধ্যমে নতুনভাবে উপস্থাপিত হয়ে দর্শকদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।

অর্থমন্ত্রী সতর্কবার্তা: সামনে দুই বছর কঠিন—অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে কষ্টের সিদ্ধান্ত জরুরি

নাটক থেকেই শুরু, এখন ওয়েবটুন-উপন্যাসে বিস্তার—বিনোদন জগতে নতুন ধারা

০৮:৫০:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

টেলিভিশন নাটককে ঘিরে দীর্ঘদিনের প্রচলিত ধারা ভেঙে নতুন পথে হাঁটছে কনটেন্ট জগৎ। আগে জনপ্রিয় ওয়েবটুন বা অনলাইন উপন্যাস থেকে নাটক তৈরি হতো, আর এখন উল্টোটা হচ্ছে—মূল নাটকের গল্প থেকেই তৈরি হচ্ছে ওয়েবটুন ও উপন্যাস। এই পরিবর্তনকে বলা হচ্ছে ‘রিভার্স এক্সপানশন’, যা ২০২৬ সালে এসে বিনোদন শিল্পে বড় একটি মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।

নতুন ধারার উত্থান
সম্প্রতি বেশ কিছু সফল নাটক এই পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। নতুন লেখকদের মৌলিক গল্প নিয়ে তৈরি এসব নাটক দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হওয়ার পর সেগুলোকেই আবার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ওয়েবটুন বা উপন্যাস হিসেবে প্রকাশ করা হচ্ছে। এর ফলে একই গল্প বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে এবং দর্শক- পাঠকদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ বাড়ছে।

একসময় ওয়েবটুন বা অনলাইন গল্পের ওপর নির্ভর করেই নাটক তৈরি হতো। কারণ সেগুলোর আগে থেকেই একটি নির্দিষ্ট পাঠকগোষ্ঠী থাকত। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, নতুন লেখকদের মৌলিক গল্প দিয়েই নাটক সফল হচ্ছে এবং পরে সেটিই হয়ে উঠছে বড় কনটেন্ট আইপি বা বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ।

সাফল্যের উদাহরণ
এই ধারার অন্যতম উদাহরণ একটি জনপ্রিয় রোমান্টিক নাটক, যা সম্প্রচারের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই দর্শকসংখ্যায় বড় সাফল্য পায়। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মেও এটি শীর্ষস্থানে উঠে আসে। পরে এই নাটকটির গল্প নিয়ে ওয়েব উপন্যাস তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়।

 

Original TV scripts spark 'reverse' expansion into webtoons, novels - The  Korea Times

শুধু তাই নয়, আরও কয়েকটি নাটক প্রচারের আগেই ওয়েবটুন সংস্করণ প্রকাশ করে আগ্রহ তৈরি করছে। এতে দর্শকরা গল্পের ভেতরে ঢোকার আগেই চরিত্র ও কাহিনির সঙ্গে পরিচিত হতে পারছে, যা নাটকের জনপ্রিয়তা বাড়াতে সহায়তা করছে।

গল্পের বিস্তার ও নতুন সম্ভাবনা
এই নতুন ধারার আরেকটি বড় দিক হলো গল্পের বিস্তার। নাটকে যেসব চরিত্র বা ঘটনার গভীরে যাওয়া সম্ভব হয় না, সেগুলো ওয়েবটুন বা উপন্যাসে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হচ্ছে। কখনও প্রিক্যুয়েল বা সিক্যুয়েল তৈরি করে গল্পকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

ফলে একটি গল্প একাধিক মাধ্যমে নতুনভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে এবং দর্শক- পাঠক উভয় ক্ষেত্রেই আগ্রহ ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে। একই সঙ্গে নির্মাতারাও একটি সফল কনটেন্ট থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে পারছেন।

নতুন লেখকদের জন্য সুযোগ
এই পরিবর্তনের ফলে নতুন লেখকদের জন্যও দরজা খুলে যাচ্ছে। আগে জনপ্রিয় ওয়েবটুন বা বইয়ের ওপর নির্ভর করতে হতো, এখন মৌলিক গল্প দিয়েই সফল হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এতে বিনোদন শিল্পে নতুন ধারণা ও বৈচিত্র্য বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারা একটি ইতিবাচক চক্র তৈরি করছে। নতুন গল্প তৈরি হচ্ছে, সেগুলো নাটক হিসেবে সফল হচ্ছে, পরে আবার অন্য মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে—ফলে পুরো শিল্পে সৃজনশীলতা ও ব্যবসায়িক সম্ভাবনা দুটোই বাড়ছে।

সংক্ষেপে বলা যায়, নাটক থেকে ওয়েবটুন ও উপন্যাসে বিস্তারের এই নতুন ধারা কনটেন্ট জগতকে আরও গতিশীল করে তুলছে। একই গল্প এখন একাধিক মাধ্যমে নতুনভাবে উপস্থাপিত হয়ে দর্শকদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।