১০:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
অর্থমন্ত্রী সতর্কবার্তা: সামনে দুই বছর কঠিন—অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে কষ্টের সিদ্ধান্ত জরুরি মঞ্চে ঝড় তোলেন, তবু বুকের ভেতর কাঁপন—জুডি লাভের অজানা লড়াই মনোরোগ বিশেষজ্ঞ থেকে রহস্যকাহিনি লেখক: নতুন উপন্যাসে চমক দিলেন ফিলিপা পেরি সকালে কমে, বিকেলে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম নাটক থেকেই শুরু, এখন ওয়েবটুন-উপন্যাসে বিস্তার—বিনোদন জগতে নতুন ধারা জুলাই চেতনাকে পুঁজি করে ‘রাজনৈতিক ব্যবসা’ বরদাশত হবে না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি বিসিবি নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু, ঘরোয়া ক্রিকেটে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা অন্ধকার থেকে আলো—ব্যক্তিগত সংগ্রামকে হাসিতে বদলে নতুন মঞ্চে অ্যাঞ্জেলা ড্রাভিড ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন কৌশল গড়ছে উত্তর কোরিয়া, সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র এখন চীনের প্রযুক্তি কৌশলই অনুসরণ করছে

সকালে কমে, বিকেলে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম

একই দিনে দুই দফা মূল্য সমন্বয়ের কারণে দেশের স্বর্ণবাজারে অস্বাভাবিক ওঠানামা দেখা গেছে। সকালে দাম কমানোর ঘোষণা দেওয়ার পর বিকেলে আবার তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

বৃহস্পতিবার সকালে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা বিশুদ্ধ সোনার দাম কমায় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৬ টাকা। এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়।

সকালের নির্ধারিত দরে ২১ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩০ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের দাম ছিল ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৬ টাকা।

তবে একইদিন সন্ধ্যায় পরিস্থিতি বদলে যায়। তেজাবি স্বর্ণের দাম বাড়ার প্রেক্ষিতে বাজুসের প্রাইসিং ও প্রাইস মনিটরিং কমিটির জরুরি বৈঠকে নতুন করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন এই দর সন্ধ্যা ৭টা থেকে কার্যকর করা হয়।

সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৪ টাকায়। ২১ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৪ টাকা।

বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে বিশুদ্ধ সোনার দামের ওঠানামার কারণেই একই দিনে দুই দফা মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৬০ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩ বার দাম বেড়েছে এবং ২৭ বার কমেছে। আর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার সমন্বয়ের মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানোর নজির রয়েছে।

বাজুস আরও জানায়, নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে ক্রেতাদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট আদায় করে তা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

অর্থমন্ত্রী সতর্কবার্তা: সামনে দুই বছর কঠিন—অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে কষ্টের সিদ্ধান্ত জরুরি

সকালে কমে, বিকেলে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম

০৮:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

একই দিনে দুই দফা মূল্য সমন্বয়ের কারণে দেশের স্বর্ণবাজারে অস্বাভাবিক ওঠানামা দেখা গেছে। সকালে দাম কমানোর ঘোষণা দেওয়ার পর বিকেলে আবার তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

বৃহস্পতিবার সকালে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা বিশুদ্ধ সোনার দাম কমায় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৬ টাকা। এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়।

সকালের নির্ধারিত দরে ২১ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩০ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের দাম ছিল ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৬ টাকা।

তবে একইদিন সন্ধ্যায় পরিস্থিতি বদলে যায়। তেজাবি স্বর্ণের দাম বাড়ার প্রেক্ষিতে বাজুসের প্রাইসিং ও প্রাইস মনিটরিং কমিটির জরুরি বৈঠকে নতুন করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন এই দর সন্ধ্যা ৭টা থেকে কার্যকর করা হয়।

সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৪ টাকায়। ২১ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৪ টাকা।

বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে বিশুদ্ধ সোনার দামের ওঠানামার কারণেই একই দিনে দুই দফা মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৬০ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩ বার দাম বেড়েছে এবং ২৭ বার কমেছে। আর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার সমন্বয়ের মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানোর নজির রয়েছে।

বাজুস আরও জানায়, নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে ক্রেতাদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট আদায় করে তা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।