একই দিনে দুই দফা মূল্য সমন্বয়ের কারণে দেশের স্বর্ণবাজারে অস্বাভাবিক ওঠানামা দেখা গেছে। সকালে দাম কমানোর ঘোষণা দেওয়ার পর বিকেলে আবার তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
বৃহস্পতিবার সকালে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা বিশুদ্ধ সোনার দাম কমায় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৬ টাকা। এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়।
সকালের নির্ধারিত দরে ২১ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩০ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের দাম ছিল ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৬ টাকা।
তবে একইদিন সন্ধ্যায় পরিস্থিতি বদলে যায়। তেজাবি স্বর্ণের দাম বাড়ার প্রেক্ষিতে বাজুসের প্রাইসিং ও প্রাইস মনিটরিং কমিটির জরুরি বৈঠকে নতুন করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন এই দর সন্ধ্যা ৭টা থেকে কার্যকর করা হয়।
সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৪ টাকায়। ২১ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৪ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে বিশুদ্ধ সোনার দামের ওঠানামার কারণেই একই দিনে দুই দফা মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৬০ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩ বার দাম বেড়েছে এবং ২৭ বার কমেছে। আর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার সমন্বয়ের মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানোর নজির রয়েছে।
বাজুস আরও জানায়, নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে ক্রেতাদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট আদায় করে তা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















