০৪:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
কলকাতাজুড়ে মিশ্র জনমত, গণনার দিনে এগিয়ে বিজেপি—তবু এলাকায় এলাকায় ভিন্ন চিত্র ইরানের হুশিয়ারি, হরমুজ প্রণালীতে কোন বিদেশী বাহিনী এলেই হামলা চালানো হবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে উৎপাদনে ধস, এপ্রিলেই সংকোচনে শিল্পখাত আল কাদসিয়ার ধাক্কায় থামল আল নাসরের জয়ের ধারা, শিরোপা দৌড়ে অনিশ্চয়তা রোনালদোর দুঃসাহসিক অভিযাত্রীদের জন্য এক দ্বীপ: সেন্ট হেলেনা আবিষ্কার পাঁচ রাজ্যের ভোটে নাটকীয় পালাবদল: বাংলায় বিজেপির ঝড়, তামিলনাড়ুতে বিজয়ের চমক, কেরালায় কংগ্রেসের প্রত্যাবর্তন টোকিওর লক্ষ্য: এআইকে কাজে লাগিয়ে স্টার্টআপ শক্তিতে বিশ্বনেতা হওয়ার দৌড় ১০০ কেন্দ্রে ভোট গণনা বন্ধের অভিযোগ, কর্মীদের কেন্দ্রে থাকার আহ্বান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসছে মূল্যস্ফীতির নতুন ঢেউ গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদের অবস্থান কর্মসূচী: পেনশন পুনঃস্থাপনসহ ভাতার দাবিতে ঢাকায় সমাবেশ

ইউনূস সরকারের কর্মকাণ্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জে নতুন রিট, তদন্ত দাবিও উঠল

সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার সার্বিক কর্মকাণ্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে নতুন একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। এতে ওই সময় গৃহীত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত—আইন প্রণয়ন, সংস্কার কমিশন গঠন এবং দেশি-বিদেশি চুক্তির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

রবিবার (৩ মে) জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মুহাম্মদ মুহসিন রশিদ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন। রিটে কেবিনেট সচিব এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে। সোমবার (৪ মে) আইনজীবী নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কোন কোন বিষয়ে প্রশ্ন

রিটে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের বৈধতা খতিয়ে দেখার আবেদন জানানো হয়েছে। বিশেষ করে আইন প্রণয়ন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তগুলো বৈধ ছিল কিনা, তা নিয়ে অনুসন্ধান চাওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে, এসব বিষয়ে একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করে তদন্ত চালানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে আদালতের কাছে। রিটে আরও বলা হয়েছে, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা প্রয়োজন।

চালু হলো 'আমার আদালত'

আইনি প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা

এই আইনজীবী এর আগেও একই সরকারের শপথ গ্রহণ ও গঠন প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেছিলেন। তবে হাইকোর্ট সেই আবেদন খারিজ করে দেন। পরে ওই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হলে সর্বোচ্চ আদালত বিষয়টি নিষ্পত্তি করে।

২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ ও গঠন প্রক্রিয়াকে বৈধ ঘোষণা করে। ফলে সেই সময়ের সরকার গঠনের প্রশ্নে আইনি বিতর্কের অবসান ঘটে।

তবে নতুন এই রিটের মাধ্যমে আবারও সেই সরকারের কর্মকাণ্ডের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আবেদন আদালতের বিবেচনায় গেলে সংশ্লিষ্ট সময়ের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে নতুন করে আইনি পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

পরবর্তী পদক্ষেপ

রিট সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে সোমবার দুপুর একটায় ব্রিফিং করবেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবী মুহাম্মদ মুহসিন রশিদ। আদালত এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেন, তা এখন দেখার বিষয়।

আদালত কেন বিব্রতবোধ করেন, এ বিষয়ে আইন কি বলে? | বিবিধ নিউজ

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কলকাতাজুড়ে মিশ্র জনমত, গণনার দিনে এগিয়ে বিজেপি—তবু এলাকায় এলাকায় ভিন্ন চিত্র

ইউনূস সরকারের কর্মকাণ্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জে নতুন রিট, তদন্ত দাবিও উঠল

০২:৫৩:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার সার্বিক কর্মকাণ্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে নতুন একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। এতে ওই সময় গৃহীত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত—আইন প্রণয়ন, সংস্কার কমিশন গঠন এবং দেশি-বিদেশি চুক্তির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

রবিবার (৩ মে) জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মুহাম্মদ মুহসিন রশিদ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন। রিটে কেবিনেট সচিব এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে। সোমবার (৪ মে) আইনজীবী নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কোন কোন বিষয়ে প্রশ্ন

রিটে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের বৈধতা খতিয়ে দেখার আবেদন জানানো হয়েছে। বিশেষ করে আইন প্রণয়ন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তগুলো বৈধ ছিল কিনা, তা নিয়ে অনুসন্ধান চাওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে, এসব বিষয়ে একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করে তদন্ত চালানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে আদালতের কাছে। রিটে আরও বলা হয়েছে, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা প্রয়োজন।

চালু হলো 'আমার আদালত'

আইনি প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা

এই আইনজীবী এর আগেও একই সরকারের শপথ গ্রহণ ও গঠন প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেছিলেন। তবে হাইকোর্ট সেই আবেদন খারিজ করে দেন। পরে ওই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হলে সর্বোচ্চ আদালত বিষয়টি নিষ্পত্তি করে।

২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ ও গঠন প্রক্রিয়াকে বৈধ ঘোষণা করে। ফলে সেই সময়ের সরকার গঠনের প্রশ্নে আইনি বিতর্কের অবসান ঘটে।

তবে নতুন এই রিটের মাধ্যমে আবারও সেই সরকারের কর্মকাণ্ডের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আবেদন আদালতের বিবেচনায় গেলে সংশ্লিষ্ট সময়ের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে নতুন করে আইনি পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

পরবর্তী পদক্ষেপ

রিট সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে সোমবার দুপুর একটায় ব্রিফিং করবেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবী মুহাম্মদ মুহসিন রশিদ। আদালত এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেন, তা এখন দেখার বিষয়।

আদালত কেন বিব্রতবোধ করেন, এ বিষয়ে আইন কি বলে? | বিবিধ নিউজ