০১:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ডোপামিন নিয়ে বড় ভুল বোঝাবুঝি: সুখ নয়, অস্থিরতার ভেতরেই লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার শক্তি শরীরচর্চার সেরা সময় কোনটি? সকাল নাকি সন্ধ্যা—বিজ্ঞান যা বলছে উচ্চশিক্ষিতদের ৪০% জামায়াত, ৩০% বিএনপিমুখী: সোচ্চারের জরিপে ভোটার প্রবণতার নতুন চিত্র ঐতিহাসিক দেহ বিদ্যার শিল্পের অন্ধকার সত্য উন্মোচন স্বপ্নের মঞ্চে অন্ধকার অভিযোগ: কে-পপ তারকা হওয়ার আশায় প্রতারণা ও হয়রানির গল্প দুই মিলিয়ন বইয়ের স্বপ্নগাথা,কর্ণাটকের অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকের গড়া আলোর গ্রন্থ ভুবন অস্ট্রেলিয়ায় কিশোরদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিষিদ্ধের লড়াইয়ে মুখ্য নারী জুলি ইনম্যান গ্রান্ট ইংল্যান্ডে লুকানো ‘আমেরিকা’—স্বাধীনতার স্বপ্নে গড়া এক বিস্ময়কর পাড়া জুনের আগেই যুদ্ধ শেষ চায় যুক্তরাষ্ট্র, শান্তি আলোচনার নতুন ইঙ্গিত দিলেন জেলেনস্কি বিটকয়েনের দামে ধস, ট্রাম্প–পরবর্তী উত্থান মুছে অনিশ্চয়তার ছায়া ক্রিপ্টো বাজারে

হাঁড়ির বাচ্চা (পর্ব-৬)

  • Sarakhon Report
  • ০৪:০০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪
  • 98

আফান্দীর গল্প

সেন্ট্রাল এশিয়ার দেশগুলোতে তাকে নাসিরুদ্দিন হোজ্জা নামে জানে। ভারত উপমহাদেশে তিনি মোল্লা নাসিরুদ্দিন নামে পরিচিত। পৃথিবীর অন্যান্য ভাষায়ও তার এই ধরনের গল্পগুলো নানা নামে পাওয়া যায়। চায়নাতে তাকে পাওয়া যায় আফান্দী নামে। এই হোজ্জা বা মোল্লা নাসিরুদ্দিনের গল্প চায়নায় আফান্দী নামে প্রচলিত থাকলেও গল্পগুলোর ভেতরে একই আমেজ পাওয়া যায়। সারাক্ষণে আফান্দীর গল্পগুলো ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে।

 

১১. আকান্দী শান্তভাবে বলল, “হুজুর, ভেবে দেখুন, যদি বড় হাঁড়ি একটি বাচ্চা দিতে পারে তাহলে সে মারাও যেতে পারে।” তখন জমিদার বুঝতে পারল আফান্দীর ছোটো হাঁড়ি দেবার আসল অর্থ।

১২. আফান্দীকে বড় হাঁড়িটি দেবার ইচ্ছা জমিদারের আদৌ ছিল না। তাই সে বলল, “ঠিক আছে, বড় হাঁড়ি যখন মারাই গেছে তখন তার দেহ আমাকে ফেরত দাও।”

 

১৩. আফান্দী বলল, “আফসোসের কথা, বড় হাঁড়ির দেহ আমি চুল্লীর মধ্যে দিয়ে এসেছি।”

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ডোপামিন নিয়ে বড় ভুল বোঝাবুঝি: সুখ নয়, অস্থিরতার ভেতরেই লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার শক্তি

হাঁড়ির বাচ্চা (পর্ব-৬)

০৪:০০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪

আফান্দীর গল্প

সেন্ট্রাল এশিয়ার দেশগুলোতে তাকে নাসিরুদ্দিন হোজ্জা নামে জানে। ভারত উপমহাদেশে তিনি মোল্লা নাসিরুদ্দিন নামে পরিচিত। পৃথিবীর অন্যান্য ভাষায়ও তার এই ধরনের গল্পগুলো নানা নামে পাওয়া যায়। চায়নাতে তাকে পাওয়া যায় আফান্দী নামে। এই হোজ্জা বা মোল্লা নাসিরুদ্দিনের গল্প চায়নায় আফান্দী নামে প্রচলিত থাকলেও গল্পগুলোর ভেতরে একই আমেজ পাওয়া যায়। সারাক্ষণে আফান্দীর গল্পগুলো ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে।

 

১১. আকান্দী শান্তভাবে বলল, “হুজুর, ভেবে দেখুন, যদি বড় হাঁড়ি একটি বাচ্চা দিতে পারে তাহলে সে মারাও যেতে পারে।” তখন জমিদার বুঝতে পারল আফান্দীর ছোটো হাঁড়ি দেবার আসল অর্থ।

১২. আফান্দীকে বড় হাঁড়িটি দেবার ইচ্ছা জমিদারের আদৌ ছিল না। তাই সে বলল, “ঠিক আছে, বড় হাঁড়ি যখন মারাই গেছে তখন তার দেহ আমাকে ফেরত দাও।”

 

১৩. আফান্দী বলল, “আফসোসের কথা, বড় হাঁড়ির দেহ আমি চুল্লীর মধ্যে দিয়ে এসেছি।”