০৬:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
স্বাধীনতার ঘোষণায় সুকর্ণ: ‘একবার মুক্ত, চিরকাল মুক্ত’ আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশ ছাড়তে পারবেন না সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক থানা পোড়ানোর বক্তব্য ভাইরাল: হবিগঞ্জে সমন্বয়ক মাহাদীসহ আটক ৩ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ফেসবুক পোস্ট, শোকজ ছাড়াই রাজশাহীতে কলেজশিক্ষক বরখাস্ত নিবন্ধনের আওতায় আসছে হকাররা, ডিএসসিসিকে দিতে হবে মাসে ৩ হাজার টাকা নিমরা খানের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিশ্চিত করলেন জেইন হামিদ, ফিজা আলীর ক্ষোভ ওড়িশার গ্রামীণ হাসপাতালে মার্কিন পর্যটকের বিনামূল্যে চিকিৎসা, বিস্মিত হয়ে প্রশংসা ভারতের স্বাস্থ্যসেবার ইমরান খানের দৃষ্টিশক্তি প্রায় স্বাভাবিক, চিকিৎসা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি কাল বিজেপিতে বড় রদবদল: স্মৃতি ইরানি সাধারণ সম্পাদক, রাম মাধব সহসভাপতি ফিলিপাইনের ঐতিহ্যের স্বাদ: মামন ও এনসাইমাদায় তিন বেকশপের গল্প

হাঁড়ির বাচ্চা (পর্ব-৬)

  • Sarakhon Report
  • ০৪:০০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪
  • 149

আফান্দীর গল্প

সেন্ট্রাল এশিয়ার দেশগুলোতে তাকে নাসিরুদ্দিন হোজ্জা নামে জানে। ভারত উপমহাদেশে তিনি মোল্লা নাসিরুদ্দিন নামে পরিচিত। পৃথিবীর অন্যান্য ভাষায়ও তার এই ধরনের গল্পগুলো নানা নামে পাওয়া যায়। চায়নাতে তাকে পাওয়া যায় আফান্দী নামে। এই হোজ্জা বা মোল্লা নাসিরুদ্দিনের গল্প চায়নায় আফান্দী নামে প্রচলিত থাকলেও গল্পগুলোর ভেতরে একই আমেজ পাওয়া যায়। সারাক্ষণে আফান্দীর গল্পগুলো ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে।

 

১১. আকান্দী শান্তভাবে বলল, “হুজুর, ভেবে দেখুন, যদি বড় হাঁড়ি একটি বাচ্চা দিতে পারে তাহলে সে মারাও যেতে পারে।” তখন জমিদার বুঝতে পারল আফান্দীর ছোটো হাঁড়ি দেবার আসল অর্থ।

১২. আফান্দীকে বড় হাঁড়িটি দেবার ইচ্ছা জমিদারের আদৌ ছিল না। তাই সে বলল, “ঠিক আছে, বড় হাঁড়ি যখন মারাই গেছে তখন তার দেহ আমাকে ফেরত দাও।”

 

১৩. আফান্দী বলল, “আফসোসের কথা, বড় হাঁড়ির দেহ আমি চুল্লীর মধ্যে দিয়ে এসেছি।”

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাধীনতার ঘোষণায় সুকর্ণ: ‘একবার মুক্ত, চিরকাল মুক্ত’

হাঁড়ির বাচ্চা (পর্ব-৬)

০৪:০০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪

আফান্দীর গল্প

সেন্ট্রাল এশিয়ার দেশগুলোতে তাকে নাসিরুদ্দিন হোজ্জা নামে জানে। ভারত উপমহাদেশে তিনি মোল্লা নাসিরুদ্দিন নামে পরিচিত। পৃথিবীর অন্যান্য ভাষায়ও তার এই ধরনের গল্পগুলো নানা নামে পাওয়া যায়। চায়নাতে তাকে পাওয়া যায় আফান্দী নামে। এই হোজ্জা বা মোল্লা নাসিরুদ্দিনের গল্প চায়নায় আফান্দী নামে প্রচলিত থাকলেও গল্পগুলোর ভেতরে একই আমেজ পাওয়া যায়। সারাক্ষণে আফান্দীর গল্পগুলো ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে।

 

১১. আকান্দী শান্তভাবে বলল, “হুজুর, ভেবে দেখুন, যদি বড় হাঁড়ি একটি বাচ্চা দিতে পারে তাহলে সে মারাও যেতে পারে।” তখন জমিদার বুঝতে পারল আফান্দীর ছোটো হাঁড়ি দেবার আসল অর্থ।

১২. আফান্দীকে বড় হাঁড়িটি দেবার ইচ্ছা জমিদারের আদৌ ছিল না। তাই সে বলল, “ঠিক আছে, বড় হাঁড়ি যখন মারাই গেছে তখন তার দেহ আমাকে ফেরত দাও।”

 

১৩. আফান্দী বলল, “আফসোসের কথা, বড় হাঁড়ির দেহ আমি চুল্লীর মধ্যে দিয়ে এসেছি।”