০৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
কারাচিতে ২৪ দিনেই বছরের সমান কার্গো, ইরান উত্তেজনায় বদলে গেল সমুদ্র বাণিজ্যের চিত্র চীনা প্রযুক্তি জায়ান্টের টানে জার্মান বিজ্ঞানী, নিরাপত্তা ও মেধাপাচার নিয়ে নতুন উদ্বেগ মালদ্বীপে ঋণঝড়: ৫০০ মিলিয়ন ডলারের সুকুক পরিশোধে চাপে অর্থনীতি ফিনল্যান্ডে ইউক্রেনীয় ড্রোন বিধ্বস্ত, সীমান্ত উত্তেজনায় নতুন শঙ্কা প্রতিদিন কফি পানেই মিলতে পারে উপকার, ১৪ দিনেই শরীরে ইতিবাচক পরিবর্তন সিলেটে হোটেল কক্ষে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার ল্যাবের গ্লাভসেই বাড়ছে মাইক্রোপ্লাস্টিক হিসাব? নতুন গবেষণায় চমকপ্রদ তথ্য সারাদেশে বৃষ্টি-বজ্রঝড়ের আভাস, কোথাও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের ভয়াল ভাঙন: গৃহহীন ৫০ পরিবার, ঝুঁকিতে আরও শতাধিক কুষ্টিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা গুলিবিদ্ধ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ

হাঁড়ির বাচ্চা (পর্ব-৬)

  • Sarakhon Report
  • ০৪:০০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪
  • 118

আফান্দীর গল্প

সেন্ট্রাল এশিয়ার দেশগুলোতে তাকে নাসিরুদ্দিন হোজ্জা নামে জানে। ভারত উপমহাদেশে তিনি মোল্লা নাসিরুদ্দিন নামে পরিচিত। পৃথিবীর অন্যান্য ভাষায়ও তার এই ধরনের গল্পগুলো নানা নামে পাওয়া যায়। চায়নাতে তাকে পাওয়া যায় আফান্দী নামে। এই হোজ্জা বা মোল্লা নাসিরুদ্দিনের গল্প চায়নায় আফান্দী নামে প্রচলিত থাকলেও গল্পগুলোর ভেতরে একই আমেজ পাওয়া যায়। সারাক্ষণে আফান্দীর গল্পগুলো ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে।

 

১১. আকান্দী শান্তভাবে বলল, “হুজুর, ভেবে দেখুন, যদি বড় হাঁড়ি একটি বাচ্চা দিতে পারে তাহলে সে মারাও যেতে পারে।” তখন জমিদার বুঝতে পারল আফান্দীর ছোটো হাঁড়ি দেবার আসল অর্থ।

১২. আফান্দীকে বড় হাঁড়িটি দেবার ইচ্ছা জমিদারের আদৌ ছিল না। তাই সে বলল, “ঠিক আছে, বড় হাঁড়ি যখন মারাই গেছে তখন তার দেহ আমাকে ফেরত দাও।”

 

১৩. আফান্দী বলল, “আফসোসের কথা, বড় হাঁড়ির দেহ আমি চুল্লীর মধ্যে দিয়ে এসেছি।”

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কারাচিতে ২৪ দিনেই বছরের সমান কার্গো, ইরান উত্তেজনায় বদলে গেল সমুদ্র বাণিজ্যের চিত্র

হাঁড়ির বাচ্চা (পর্ব-৬)

০৪:০০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪

আফান্দীর গল্প

সেন্ট্রাল এশিয়ার দেশগুলোতে তাকে নাসিরুদ্দিন হোজ্জা নামে জানে। ভারত উপমহাদেশে তিনি মোল্লা নাসিরুদ্দিন নামে পরিচিত। পৃথিবীর অন্যান্য ভাষায়ও তার এই ধরনের গল্পগুলো নানা নামে পাওয়া যায়। চায়নাতে তাকে পাওয়া যায় আফান্দী নামে। এই হোজ্জা বা মোল্লা নাসিরুদ্দিনের গল্প চায়নায় আফান্দী নামে প্রচলিত থাকলেও গল্পগুলোর ভেতরে একই আমেজ পাওয়া যায়। সারাক্ষণে আফান্দীর গল্পগুলো ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে।

 

১১. আকান্দী শান্তভাবে বলল, “হুজুর, ভেবে দেখুন, যদি বড় হাঁড়ি একটি বাচ্চা দিতে পারে তাহলে সে মারাও যেতে পারে।” তখন জমিদার বুঝতে পারল আফান্দীর ছোটো হাঁড়ি দেবার আসল অর্থ।

১২. আফান্দীকে বড় হাঁড়িটি দেবার ইচ্ছা জমিদারের আদৌ ছিল না। তাই সে বলল, “ঠিক আছে, বড় হাঁড়ি যখন মারাই গেছে তখন তার দেহ আমাকে ফেরত দাও।”

 

১৩. আফান্দী বলল, “আফসোসের কথা, বড় হাঁড়ির দেহ আমি চুল্লীর মধ্যে দিয়ে এসেছি।”