সমকালের একটি শিরোনাম “ঢাকায় নতুন আরও চার থানা চালুর পরিকল্পনা: ডিএমপি কমিশনার”
রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ঢাকায় আরও চারটি নতুন থানা এবং কয়েকটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর খিলক্ষেতে তিনশ’ ফুট এলাকায় ‘পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি–১’-এ নতুন খিলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার এই পরিকল্পনার কথা জানান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নতুন এই পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধন করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির।
অনুষ্ঠানে ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার বলেন, রাজধানীতে আরও কয়েকটি পুলিশ ফাঁড়ি ও চারটি নতুন থানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। গত সপ্তাহে কারওয়ান বাজারে একটি পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধন করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য বিভিন্ন সমস্যা ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধ করা। এখন খিলক্ষেতে নতুন ফাঁড়ি চালু হলো। আরও কয়েকটি এলাকায় ফাঁড়ি স্থাপনের কাজ চলছে।
তিনি বলেন, রায়েরবাজারে নতুন থানার প্রস্তাব বর্তমানে মন্ত্রণালয় পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া মোহাম্মদপুর, আদাবর ও হাজারীবাগের কিছু অংশ নিয়ে আরেকটি নতুন থানা করার চেষ্টা চলছে। ভাটারা, বাড্ডা ও খিলক্ষেত এলাকার অংশ নিয়ে ‘বসুন্ধরা’ নামে আরও একটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। খিলগাঁও এলাকায় নতুন থানার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পূর্বাচল এলাকায় পুলিশিং শুরু হলে সেখানে চারটি থানা ও ছয়টি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
আজকের পত্রিকার একটি শিরোনাম”বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যে মাদক পাচার রোধে সমঝোতা স্মারক সই”
মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার এবং অপব্যবহার রোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। আজ শুক্রবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি নিজ নিজ দেশের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় মাদক পাচার, মাদকসংশ্লিষ্ট অর্থ পাচার ও আন্তদেশীয় অপরাধ দমনে দুই দেশ তথ্যবিনিময় এবং কারিগরি সহযোগিতা জোরদার করবে। একই সঙ্গে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তি, সংঘবদ্ধ চক্র, পাচারের নতুন কৌশল ও রুট সম্পর্কেও নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান করা হবে।
চুক্তি অনুযায়ী, মাদক পাচারকারী ব্যক্তি ও অপরাধী সংগঠন (ডিটিওস) সম্পর্কে তথ্য বিনিময়ের পাশাপাশি পাচারে ব্যবহৃত নতুন পদ্ধতি শনাক্তে যৌথভাবে কাজ করবে দুই দেশ। প্রয়োজনে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পারস্পরিক অনুরোধের ভিত্তিতে সমন্বিত অভিযান ও ‘কন্ট্রোলড ডেলিভারি অপারেশন’ পরিচালনা করতে পারবে।
এ ছাড়া মাদক নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, পুনঃপ্রশিক্ষণ ও বৈজ্ঞানিক গবেষণালব্ধ তথ্য বিনিময়ের বিষয়েও সম্মত হয়েছে উভয় দেশ। লুকানো মাদক শনাক্তে প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ও স্নিফার ডগ ব্যবহারের অভিজ্ঞতাও ভাগাভাগি করা হবে।
চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পাকিস্তানের পক্ষে অ্যান্টি নারকোটিকস ফোর্স (এএনএফ) ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। আদান-প্রদান হওয়া সব তথ্য ও নথিপত্রের গোপনীয়তা রক্ষা করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
চুক্তিটি স্বাক্ষরের দিন থেকে আগামী ১০ বছর কার্যকর থাকবে। পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে পরে এর মেয়াদ বাড়ানো যাবে। এই সহযোগিতা দুই দেশের জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণবিষয়ক মন্ত্রী মহসিন নাকভি দুই দিনের সফরে আজ ঢাকায় এসেছেন। নির্বাচনের পর দেশটির কোনো মন্ত্রীর এটিই প্রথম ঢাকা সফর।
বণিকবার্তার একটি শিরোনাম “দেশের স্বার্থ রক্ষা না হলে মার্কিন চুক্তির ধারা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী”
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি বাস্তবায়নের সময় দেশের স্বার্থের অনুকূল নয় এমন ধারা পাওয়া গেলে তা পরিবর্তনের সুযোগ চুক্তির মধ্যে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি বলেছেন, দুজন ব্যক্তির চুক্তি চট করে রদবদল করা যায়। কিন্তু দুটি রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে তা সম্ভব নয়। চুক্তির মধ্যে বিভিন্ন ধারা থাকে। কিছু ধারা একটি পক্ষের অনুকূলে যায়। কিছু অন্যপক্ষের। দুই পক্ষের একটা উইন-উইন সিচ্যুয়েশন থাকে। এটি মিলিয়েই তো চুক্তি। তবে চুক্তি বাস্তবায়নের সময় এমন কিছু যদি আমাদের সামনে আসে, যা দেশের স্বার্থের অনুকূল নয় এমন ধারা যদি পরিলক্ষিত হয়, তা পরিবর্তনের সুযোগ চুক্তির মধ্যে আছে।
শুক্রবার সকালে সিলেটের বাইশটিলা এলাকায় জেলা পরিষদ ন্যাচারাল পার্ক পরিদর্শন শেষে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মূল্যস্ফীতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্য অন্য দেশের তুলনায় খুবই সামান্য বেড়েছে। এর ফলে পণ্য মূল্যের ওপরে যে অভিঘাত তা ওয়ানটাইম স্পাইক, ওয়ানটাইম ইনক্রিজ। এ কারণে মূল্যস্ফীতি স্পাইরাল হবে না এবং স্টিকিও হবে না।
তিনি বলেন, যে পরিমাণ ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে তাতে পণ্য মূল্য খুব বেশি বাড়ার কথা না। কেউ যদি বাড়তি মূল্য রাখে- তার বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে। তবে দাম বাড়বে বলে অনুমান করেও দাম বাড়িয়ে দেয়া ঠিক না।
মন্ত্রী আরো বলেন, দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার ঘাটতির কারণে পণ্য পরিবহন ব্যয় বাড়ছে, সেটি কমাতে বন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এজন্য একটি ডেনিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। বন্দরের কাজ যাতে দ্রুত হলে ইউনিট প্রতি খরচ কমে আসবে।
মানবজমিনের একটি শিরোন “তরুণদের সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চা বাড়ানো জরুরি”
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন-প্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে তরুণদের মাঝে সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। নতুন প্রজন্মকে রবীন্দ্রচর্চার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে হবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















