০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
কক্সবাজারের পাঁচতারা হোটেল থেকে সুপ্রা, সিভিক ও মিয়াটা জব্দ, আমদানির পথ খতিয়ে দেখছে শুল্ক গোয়েন্দা কারাগারে ইমরান খানকে হত্যা করা হচ্ছে—বাবার জীবন নিয়ে চরম শঙ্কায় দুই ছেলে ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় যুক্তরাষ্ট্র দুর্বল, ইউক্রেনে বড় পদক্ষেপের সুযোগ দেখছে পুতিন: গোয়েন্দা রিপোর্ট বেসরকারি শিক্ষকদের অধিকার ও সুশাসনে নতুন উদ্যোগ, গঠিত হলো শিক্ষক অ্যালায়েন্স ভারতে প্যাকেটজাত খাবারে লাল সতর্কতা লেবেল, জনরোষের পর অবস্থান বদল সরকারের জলাশয়ের নাম বদলে ট্রাম্পের উদ্যোগে ধাক্কা, মার্কিনদের আগ্রহ নেই: সিএনএনের তথ্য বিশ্লেষক পেনসিলভানিয়ায় ভয়াবহ হাম ছড়িয়ে পড়ছে, ঝুঁকিতে টিকাদান-অযোগ্য শিশুরা নেপালে বন্যার দ্বিতীয় ঢেউয়ের শঙ্কা:আগাম সতর্কতার সীমাবদ্ধতা ইরান ছয় মাস পরও অটুট, যুদ্ধের লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ যুক্তরাষ্ট্র জিন কেটে চিরতরে উচ্চ কোলেস্টেরল দূর করার আশায় বিজ্ঞানীরা

গাজীপুরে একই পরিবারের পাঁচজন হত্যাকাণ্ড

গাজীপুরে একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী পলাতক

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একটি ভাড়া বাসা থেকে একই পরিবারের পাঁচজনের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও শোক নেমে এসেছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন এক নারী, তার তিন সন্তান এবং ছোট ভাই। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। ঘটনার পর থেকে নিহত নারীর স্বামী পলাতক থাকায় সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকালে কাপাসিয়া উপজেলার রাওতকোনা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন শারমিন, তার দুই মেয়ে মীম ও মারিয়া, ছেলে ফরিদ এবং শারমিনের ছোট ভাই রাসেল মিয়া। শিশুদের মরদেহ ঘরের ভেতরে পাশাপাশি পড়ে ছিল বলে জানা গেছে। শারমিনের মরদেহ পাওয়া যায় জানালার পাশে, আর তার হাত ও মুখ বাঁধা ছিল বলে স্থানীয় ও পুলিশি সূত্রের দাবি।

পারিবারিক বিরোধ নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড

পুলিশ প্রাথমিকভাবে নিহত শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়াকে সন্দেহ করছে। তিনি পেশায় গাড়িচালক এবং পরিবার নিয়ে প্রায় এক বছর ধরে ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। ঘটনার পর থেকে তিনি নিখোঁজ। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে গ্রেপ্তারের জন্য একাধিক দল কাজ করছে।

এ ধরনের হত্যাকাণ্ড সাধারণত শুধু অপরাধ হিসেবে নয়, সমাজের ভেতরে পারিবারিক সংকট, মানসিক অস্থিরতা এবং নিরাপত্তাহীনতার প্রশ্নও সামনে আনে। বিশেষ করে যখন একই পরিবারের শিশুদেরও নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, তখন ঘটনা দ্রুত মানুষের আবেগ, ক্ষোভ ও আতঙ্ককে ছুঁয়ে যায়।

এলাকায় আতঙ্ক, তদন্তে পুলিশ

মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হত্যার পেছনে প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত করছে। স্থানীয়রা বলছেন, এমন ঘটনা তারা আগে কখনো দেখেননি। একটি সাধারণ ভাড়া বাসার ভেতরে এত বড় হত্যাকাণ্ড পুরো এলাকাকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।

এই ঘটনায় এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, ফোরকান মিয়া কোথায়? তিনি কি সত্যিই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, নাকি ঘটনার পেছনে অন্য কোনো পক্ষ আছে? তদন্তেই সেই উত্তর মিলবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারের পাঁচতারা হোটেল থেকে সুপ্রা, সিভিক ও মিয়াটা জব্দ, আমদানির পথ খতিয়ে দেখছে শুল্ক গোয়েন্দা

গাজীপুরে একই পরিবারের পাঁচজন হত্যাকাণ্ড

০৭:৩১:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

গাজীপুরে একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী পলাতক

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একটি ভাড়া বাসা থেকে একই পরিবারের পাঁচজনের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও শোক নেমে এসেছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন এক নারী, তার তিন সন্তান এবং ছোট ভাই। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। ঘটনার পর থেকে নিহত নারীর স্বামী পলাতক থাকায় সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকালে কাপাসিয়া উপজেলার রাওতকোনা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন শারমিন, তার দুই মেয়ে মীম ও মারিয়া, ছেলে ফরিদ এবং শারমিনের ছোট ভাই রাসেল মিয়া। শিশুদের মরদেহ ঘরের ভেতরে পাশাপাশি পড়ে ছিল বলে জানা গেছে। শারমিনের মরদেহ পাওয়া যায় জানালার পাশে, আর তার হাত ও মুখ বাঁধা ছিল বলে স্থানীয় ও পুলিশি সূত্রের দাবি।

পারিবারিক বিরোধ নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড

পুলিশ প্রাথমিকভাবে নিহত শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়াকে সন্দেহ করছে। তিনি পেশায় গাড়িচালক এবং পরিবার নিয়ে প্রায় এক বছর ধরে ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। ঘটনার পর থেকে তিনি নিখোঁজ। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে গ্রেপ্তারের জন্য একাধিক দল কাজ করছে।

এ ধরনের হত্যাকাণ্ড সাধারণত শুধু অপরাধ হিসেবে নয়, সমাজের ভেতরে পারিবারিক সংকট, মানসিক অস্থিরতা এবং নিরাপত্তাহীনতার প্রশ্নও সামনে আনে। বিশেষ করে যখন একই পরিবারের শিশুদেরও নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, তখন ঘটনা দ্রুত মানুষের আবেগ, ক্ষোভ ও আতঙ্ককে ছুঁয়ে যায়।

এলাকায় আতঙ্ক, তদন্তে পুলিশ

মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হত্যার পেছনে প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত করছে। স্থানীয়রা বলছেন, এমন ঘটনা তারা আগে কখনো দেখেননি। একটি সাধারণ ভাড়া বাসার ভেতরে এত বড় হত্যাকাণ্ড পুরো এলাকাকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।

এই ঘটনায় এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, ফোরকান মিয়া কোথায়? তিনি কি সত্যিই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, নাকি ঘটনার পেছনে অন্য কোনো পক্ষ আছে? তদন্তেই সেই উত্তর মিলবে।