মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পেটেন্টকৃত ওষুধ আমদানিতে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। জাতীয় নিরাপত্তা ও সাপ্লাই চেইন ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূল লক্ষ্য হলো ওষুধ কোম্পানিগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন স্থানান্তরে বাধ্য করা। তবে এই মুহূর্তে জেনেরিক ওষুধকে শুল্কের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে — যদিও কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, জেনেরিক শিল্প উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্রে না সরালে পরবর্তীতে সেটিও শুল্কের আওতায় আসতে পারে।
ভারত ও বাংলাদেশের জন্য কী অর্থ
ভারতের ওষুধ শিল্প বিশ্বের জেনেরিক বাজারের অন্যতম বড় সরবরাহকারী এবং যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় ফার্মা রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই জেনেরিক। জেনেরিক বাদ থাকায় ভারত এখনই সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি আছে। বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পও জেনেরিক উৎপাদনে বিশ্বে সুনাম অর্জন করেছে এবং রপ্তানি বাড়ছে। এই নীতি পরিবর্তন ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানিকেও প্রভাবিত করতে পারে।
দেশভেদে শুল্কের তারতম্য
যে দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সাথে “রিশোরিং চুক্তি” বা স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে “মোস্ট ফেভার্ড নেশন” মূল্য চুক্তি করেছে তারা কম শুল্ক দেবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সুইজারল্যান্ডকে ১৫ শতাংশ এবং যুক্তরাজ্যকে ১০ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। বড় কোম্পানিগুলো ১২০ দিন এবং ছোট কোম্পানিগুলো ১৮০ দিনের মধ্যে রিশোরিং পরিকল্পনা জমা দিতে পারবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















