আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্বাহী বোর্ড শুক্রবার পাকিস্তানের ঋণ কার্যক্রমের পর্যালোচনা অনুমোদন করেছে, যার ফলে দেশটি ১৩২ কোটি মার্কিন ডলারের নতুন অর্থায়ন পাবে। এর মধ্যে এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি (ইএফএফ) থেকে তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যাবে প্রায় ১১০ কোটি ডলার এবং রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটি (আরএসএফ) থেকে আরও ২২ কোটি ডলার। এ নিয়ে দুই কার্যক্রমে পাকিস্তানের মোট প্রাপ্তি দাঁড়াল প্রায় ৪৮০ কোটি ডলার। অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আউরঙ্গজেব এই সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছেন।
উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বলেন, এই অনুমোদন সরকারের সংস্কার কার্যক্রমে আইএমএফের আস্থার প্রতিফলন। তিনি আরও জানান, পাকিস্তানের সফল কূটনীতি ভারতের বিরোধিতার প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে। আইএমএফের বিবৃতি অনুযায়ী, পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০২৫ সালের জুন মাসের ১৪৫ কোটি ডলার থেকে বেড়ে ডিসেম্বরে ১ হাজার ৬০০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক পণ্যমূল্য বাড়ায় মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে।
সংস্কার চালিয়ে যাওয়ার শর্ত, বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা
আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাইজেল ক্লার্ক বলেন, পাকিস্তানের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়েছে এবং চলতি হিসাবের ভারসাম্য বজায় রয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে বাহ্যিক পরিবেশ আরও জটিল হওয়ায় কঠোর সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি ও সংস্কার অব্যাহত রাখার তাগিদ দেন তিনি। রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বেসরকারিকরণ, জ্বালানি খাতের সংস্কার এবং দুর্নীতিবিরোধী প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার শর্তও রয়েছে এই কার্যক্রমে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















