০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
একাকীত্বের সব উত্তর থেরাপি নয়, সম্পর্কই হতে পারে সবচেয়ে বড় ওষুধ ভাইরাল খাবারের নেশা: এক বাটি হিমায়িত দইয়ের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা কেন? মাইকেল জ্যাকসনের জীবনীচিত্র ঘিরে বিশ্বজুড়ে আবেগের ঢেউ, ভক্তদের মধ্যে ফিরেছে পুরোনো শোক অভিশপ্ত সাপ ঢাকার নির্দিষ্ট সড়কে আসছে ‘যানজট শুল্ক’, কিলোমিটারপ্রতি প্রস্তাব ৬.২৭ টাকা চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে গুলি: পাঁচলাইশে যুবক নিহত, তদন্তে নেমেছে পুলিশ আপনার অতীতই কি বার্ধক্যে চোখ ভিজিয়ে দেয়? স্মৃতি, আবেগ আর জীবনের শেষ অধ্যায়ের নীরব ভাষা ১৭ দিন পর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উধাও ৩ যুবক, তাদের অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা রেমিট্যান্সে ছন্দপতন, জুনে আট মাসের সর্বনিম্ন প্রবাসী আয় বিজয়ের ভক্তের হাতে ‘অপহরণের’ অভিজ্ঞতা জানালেন ছেলে জেসন সঞ্জয়

কান উৎসবে বাংলাদেশের চার নির্মাতা, আন্তর্জাতিক ডকুমেন্টারি প্ল্যাটফর্মে নতুন সম্ভাবনা

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টারি প্ল্যাটফর্ম কান ডকস ২০২৬-এ অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের চার নির্মাতা। ফরাসি সহায়তায় পরিচালিত একটি বিশেষ উদ্যোগের আওতায় তাঁরা নিজেদের ডকুমেন্টারি প্রকল্প নিয়ে অংশগ্রহণ করছেন এই আয়োজনে। মঙ্গলবার শুরু হওয়া কান চলচ্চিত্র উৎসবের সমান্তরালে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই মর্যাদাপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।

বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত চার নির্মাতা হলেন কাজী আরেফিন আহমেদ, সুমাইয়া বিনতে সেলিম (চিত্ত আনন্দী), এস এম কামরুল আহসান এবং সুমন দেলোয়ার। তাঁদের নির্বাচিত প্রকল্পগুলো হলো ‘অপেক্ষা’, ‘ব্লু-কলারস ফ্রম দ্য ফ্রন্টলাইন’, ‘ইন সার্চ অব হার’ এবং ‘মাই কাজিন’।

ফরাসি সহায়তায় যৌথ উদ্যোগ

এই উদ্যোগের আয়োজন করেছে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য চিটাগং, সহযোগিতায় ছিল বিসুবো আর্ট অর্গানাইজেশন। পুরো কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে ফরাসি পিআইসিসি অনুদানের সহায়তায় বলে জানিয়েছে ঢাকায় ফরাসি দূতাবাস।

পিআইসিসি বা কালচারাল অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রিজ প্রোগ্রামের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের চলচ্চিত্র শিল্পের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং পেশাগত সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করা। এই কর্মসূচির মাধ্যমে দুই দেশের চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলারও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

4 Bangladeshi filmmakers participating in Cannes Docs 2026 | The Business Standard

খোলা আহ্বান থেকে চূড়ান্ত নির্বাচন

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে দেশজুড়ে একটি উন্মুক্ত আহ্বানের মাধ্যমে প্রকল্প জমা নেওয়া হয়। পরে স্বচ্ছ ও বিস্তৃত জুরি মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে চারটি প্রকল্প চূড়ান্ত করা হয়।

আয়োজকদের মতে, নির্বাচিত প্রকল্পগুলোকে বেছে নেওয়া হয়েছে তাদের শিল্পমান, নির্মাতাদের স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সম্ভাবনার ভিত্তিতে। সমসাময়িক বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতাকে ধারণ করেও এসব গল্প বৈশ্বিক দর্শকের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে সক্ষম বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশি ডকুমেন্টারির জন্য আন্তর্জাতিক সুযোগ

কান ডকসে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নির্বাচিত নির্মাতারা আন্তর্জাতিক সহ-প্রযোজনা, পরিবেশনা এবং দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার সুযোগ পাবেন। এটি বাংলাদেশের স্বাধীন ডকুমেন্টারি নির্মাতাদের জন্য বড় ধরনের আন্তর্জাতিক সংযোগ তৈরির ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য চিটাগংয়ের পরিচালক ব্রুনো লাক্রাম্পের নেতৃত্বে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল এই আয়োজনে অংশ নিচ্ছে। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে বাংলাদেশের ডকুমেন্টারি নির্মাতাদের উপস্থিতি আরও জোরালো করতেই এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কান ডকস ২০২৬

বাংলাদেশের চার নির্মাতা কান ডকস ২০২৬-এ অংশ নিচ্ছেন। আন্তর্জাতিক সহ-প্রযোজনা ও পরিবেশনার নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

একাকীত্বের সব উত্তর থেরাপি নয়, সম্পর্কই হতে পারে সবচেয়ে বড় ওষুধ

কান উৎসবে বাংলাদেশের চার নির্মাতা, আন্তর্জাতিক ডকুমেন্টারি প্ল্যাটফর্মে নতুন সম্ভাবনা

০৭:০৯:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টারি প্ল্যাটফর্ম কান ডকস ২০২৬-এ অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের চার নির্মাতা। ফরাসি সহায়তায় পরিচালিত একটি বিশেষ উদ্যোগের আওতায় তাঁরা নিজেদের ডকুমেন্টারি প্রকল্প নিয়ে অংশগ্রহণ করছেন এই আয়োজনে। মঙ্গলবার শুরু হওয়া কান চলচ্চিত্র উৎসবের সমান্তরালে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই মর্যাদাপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।

বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত চার নির্মাতা হলেন কাজী আরেফিন আহমেদ, সুমাইয়া বিনতে সেলিম (চিত্ত আনন্দী), এস এম কামরুল আহসান এবং সুমন দেলোয়ার। তাঁদের নির্বাচিত প্রকল্পগুলো হলো ‘অপেক্ষা’, ‘ব্লু-কলারস ফ্রম দ্য ফ্রন্টলাইন’, ‘ইন সার্চ অব হার’ এবং ‘মাই কাজিন’।

ফরাসি সহায়তায় যৌথ উদ্যোগ

এই উদ্যোগের আয়োজন করেছে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য চিটাগং, সহযোগিতায় ছিল বিসুবো আর্ট অর্গানাইজেশন। পুরো কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে ফরাসি পিআইসিসি অনুদানের সহায়তায় বলে জানিয়েছে ঢাকায় ফরাসি দূতাবাস।

পিআইসিসি বা কালচারাল অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রিজ প্রোগ্রামের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের চলচ্চিত্র শিল্পের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং পেশাগত সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করা। এই কর্মসূচির মাধ্যমে দুই দেশের চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলারও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

4 Bangladeshi filmmakers participating in Cannes Docs 2026 | The Business Standard

খোলা আহ্বান থেকে চূড়ান্ত নির্বাচন

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে দেশজুড়ে একটি উন্মুক্ত আহ্বানের মাধ্যমে প্রকল্প জমা নেওয়া হয়। পরে স্বচ্ছ ও বিস্তৃত জুরি মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে চারটি প্রকল্প চূড়ান্ত করা হয়।

আয়োজকদের মতে, নির্বাচিত প্রকল্পগুলোকে বেছে নেওয়া হয়েছে তাদের শিল্পমান, নির্মাতাদের স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সম্ভাবনার ভিত্তিতে। সমসাময়িক বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতাকে ধারণ করেও এসব গল্প বৈশ্বিক দর্শকের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে সক্ষম বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশি ডকুমেন্টারির জন্য আন্তর্জাতিক সুযোগ

কান ডকসে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নির্বাচিত নির্মাতারা আন্তর্জাতিক সহ-প্রযোজনা, পরিবেশনা এবং দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার সুযোগ পাবেন। এটি বাংলাদেশের স্বাধীন ডকুমেন্টারি নির্মাতাদের জন্য বড় ধরনের আন্তর্জাতিক সংযোগ তৈরির ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য চিটাগংয়ের পরিচালক ব্রুনো লাক্রাম্পের নেতৃত্বে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল এই আয়োজনে অংশ নিচ্ছে। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে বাংলাদেশের ডকুমেন্টারি নির্মাতাদের উপস্থিতি আরও জোরালো করতেই এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কান ডকস ২০২৬

বাংলাদেশের চার নির্মাতা কান ডকস ২০২৬-এ অংশ নিচ্ছেন। আন্তর্জাতিক সহ-প্রযোজনা ও পরিবেশনার নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে।