ফেনী সদর উপজেলায় নির্মাণাধীন একটি ভবনের কক্ষ থেকে বালুর নিচে চাপা দেওয়া অবস্থায় এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
নিহত গৃহবধূর নাম শিরিন আক্তার। তার বয়স ছিল ৩৮ বছর। তিনি শর্শদী ইউনিয়নের জের কাচার গ্রামের প্রবাসী মোহাম্মদ মানিকের স্ত্রী।
পরিবার ও স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, স্বামীর কেনা জমির পাশে ভাড়া বাসায় সন্তানদের নিয়ে থাকতেন শিরিন। ওই জমিতেই তাদের নতুন বাড়ির নির্মাণকাজ চলছিল।
নিখোঁজের পর শুরু হয় খোঁজাখুঁজি

মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকে শিরিনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজন ও আশপাশের লোকজনকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ শুরু করেন।
এক পর্যায়ে নির্মাণাধীন ভবনের একটি কক্ষ নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। পরে সেখানে থাকা বালু সরাতে গিয়ে নিচে চাপা দেওয়া অবস্থায় শিরিনের মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
শ্রমিকের রহস্যজনক গা ঢাকা
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ঘটনার পর নির্মাণকাজে থাকা এক শ্রমিক হঠাৎ গা ঢাকা দিয়েছেন। এ কারণে হত্যাকাণ্ড নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠেছে।
তদন্তে নেমেছে পুলিশ
ফেনী মডেল থানার পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















