০১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
ট্রাম্প বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন, আজ থেকে শুরু মার্কিন-চীন শীর্ষ সম্মেলন ঘরের মাঠে প্রথমবার পাকিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ, ১০৪ রানের ঐতিহাসিক জয় মব সহিংসতায় ৩৩৭ জন নিহত, নতুন আইন কি থামাতে পারবে এই রক্তপাত হাম রোগে বাংলাদেশে ৩৫০ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ওয়ার্ড ভরে গেছে সিআইএর গোপন অভিযান নিয়ে তোলপাড় মেক্সিকো, ড্রাগ কার্টেলের বিরুদ্ধে বাড়ছে মার্কিন তৎপরতা পাকিস্তানের বিমান হামলায় কাবুলে মৃত্যু শতাধিক, স্বজনদের প্রশ্নের উত্তর নেই ওজন কমানোর ইনজেকশন বন্ধের পরও সুফল ধরে রাখছে নতুন ট্যাবলেট অস্ট্রেলিয়ায় বাতিল ট্রাম্প টাওয়ার প্রকল্প, ‘বিষাক্ত’ ব্র্যান্ড ইমেজ নিয়ে বিতর্ক এয়ার ইন্ডিয়ায় সংকট আরও গভীর, আহমেদাবাদ দুর্ঘটনার চূড়ান্ত রিপোর্টের আগে বাড়ছে চাপ বিদেশে সক্রিয় আরএসএস, সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ ঠেকাতে নতুন প্রচার অভিযান

পাঠ্যবইয়ে বদল: সরকার আসে, পড়া বদলায়

সমকালের একটি শিরোনাম “চাঁদা নয়, নির্দিষ্ট ফি দিয়ে ফুটপাতে বসবেন হকার”

দৈনিক একশ-দুইশ টাকা চাঁদা নয়, মাসে ১০০ বা বছরে এক হাজার টাকা ফি দিয়ে রাজধানীর ফুটপাতে ব্যবসা করতে পারবেন হকাররা। যারা সিটি করপোরেশনে নিবন্ধন করবেন, কেবল তারাই নির্দিষ্ট স্থানে বসতে পারবেন।

হকার ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে সম্প্রতি হকার নীতিমালা অনুমোদন করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। সেই নীতিমালার ভিত্তিতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন। নিবন্ধনের মাধ্যমে হকারদের মাঝে স্মার্টকার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে তিনশ হকারকে কার্ড দেওয়া হয়েছে। এই হকাররা সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত স্থানে নির্দিষ্ট সময় ব্যবসা করতে পারবেন। মাসিক বা বার্ষিক হিসাবে তাদের দেওয়া টাকা নির্ধারিত স্থানের উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যয় করবে কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে তালিকা প্রণয়ন ও হকারদের জন্য স্থান নির্ধারণের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে গুলিস্তান, নিউমার্কেট ও মিরপুর ১০ নম্বর এলাকার কোথায় কোথায় তারা বসবেন, সে কাজ শেষ হয়েছে।
সিটি করপোরেশন থেকে হকার নিবন্ধন ফরম বিতরণ করা হয়েছে। এতে স্থায়ী ঠিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ নানা তথ্য চাওয়া হয়। ফরমের তথ্য যাচাই করে হকারের তালিকা চূড়ান্ত করছে সিটি করপোরেশন ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। কোন কোন স্থানে হকারদের বসার সুযোগ দেওয়া যায়, তাও যৌথভাবে নির্ধারণ করা হচ্ছে। দুই সিটি করপোরেশন এলাকাতেই এ কাজ চলছে।

ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট-এর অনুসন্ধানে জানা যায়, রাজধানীর প্রায় পাঁচ লাখ হকারের কাছ থেকে বছরে ১ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা চাঁদা তোলা হয়। প্রতি হকারকে গড়ে ১৯২ টাকা দৈনিক চাঁদা দিতে হয়। পুলিশ, রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা এই চাঁদার ভাগ পান।

 

আজকের পত্রিকার একটি শিরোনাম”পাঠ্যবইয়ে বদল: সরকার আসে, পড়া বদলায়”

আবারও বদল হচ্ছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই। ক্ষমতার পালাবদলের পর পাঠ্যবইয়ের এই বদল চলছে গত শতকের নব্বইয়ের দশক থেকে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ব্যাপক পরিবর্তনের পর বিএনপির সরকার ক্ষমতার আসার পর আবারও বড় ধরনের বদল হচ্ছে পাঠ্যবইয়ে। এনসিটিবি সূত্র বলেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের মাধ্যমিক স্তরের বিভিন্ন শ্রেণির ৯৯টি এবং প্রাথমিক স্তরের ৩৬টি বই পরিমার্জন হচ্ছে। যুক্ত হচ্ছে নতুন তিনটি বিষয়ের বইও।

শিক্ষাবিদেরা বলছেন, পাঠ্যপুস্তক গবেষণাভিত্তিক, যুগোপযোগী এবং জ্ঞাননির্ভর হওয়া বাঞ্ছনীয়। কিন্তু দেশে বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতাসীন সরকার নিজেদের আদর্শ ও অবস্থান অনুযায়ী পাঠ্যবই পুনর্বিন্যাস করেছে। সরকার বদলের পর পাঠ্যবইয়ে পরিবর্তন তারই ধারাবাহিকতা। এতে দীর্ঘ মেয়াদে শিক্ষায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষাক্রম প্রণয়ন, মুদ্রণ, প্রকাশনা, বিতরণ ও বিপণন করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন এই দপ্তরের সূত্র জানায়, আগামী বছরের জানুয়ারিতে শুরু হতে যাওয়া নতুন শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের কয়েকটি পাঠ্যবইয়ে নতুন বিষয় সংযোজনের পাশাপাশি একাধিক বইয়ে বড় ধরনের পরিমার্জন করা হচ্ছে। নতুন তিনটি বিষয় যুক্ত হচ্ছে।

দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক অধ্যাপক তাহমিনা আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, সরকার সময়ে সময়ে পাঠ্যবই পরিমার্জন বা শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করতেই পারে। তবে তা হতে হবে যুগের চাহিদা ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে। তিনি বলেন, পাঠ্যবই প্রণয়নে একটি স্বাধীন ও স্থায়ী বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা প্রয়োজন, যা রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে গিয়ে কাজ করবে। একই সঙ্গে পাঠ্যবই সংশোধনের ক্ষেত্রে শিক্ষক, গবেষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মতামত নিশ্চিত করতে হবে।

 

বণিকবার্তার একটি শিরোনাম “রেলে ইঞ্জিন-কোচ সংকট ও বেহাল সড়ক, দুর্ভোগের শঙ্কা ঈদযাত্রায়”

এসব ট্রেনের বিপরীতে রেলের বহরে ইঞ্জিন (লোকোমোটিভ) আছে ২৯৭টি। অর্ধেকের বেশি (প্রায় ৫১ শতাংশ) ইঞ্জিন আবার অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল অতিক্রম করেছে। ট্রেন পরিচালনার সময় তাই প্রায়ই বিকল বা দুর্ঘটনায় পড়ছে পুরনো সব ইঞ্জিন। আছে কোচের সংকটও। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ইঞ্জিন ও কোচ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এ সংকট আরো প্রকট হয়েছে। এ কারণে আসন্ন ঈদযাত্রায় ট্রেন পরিচালনা বিঘ্নিত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, আসন্ন ঈদযাত্রায় ঢাকা থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করবেন প্রায় দেড় কোটি মানুষ। সিংহভাগই আবার যাতায়াত করেন সড়কপথে। এর সঙ্গে প্রায় এক কোটি কোরবানির পশু পরিবহন করা হবে। যদিও ঘরমুখী মানুষ ও কোরবানির পশু পরিবহনের চাপ সামাল দেয়ার অবস্থায় নেই দেশের সড়ক-মহাসড়কগুলো। বৃষ্টিতে এরই মধ্যে বিভিন্ন সড়কে খানাখন্দ দেখা দিয়েছে, যেগুলোর কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে যান চলাচল।

এমন প্রেক্ষাপটে ঈদযাত্রার সময়ও যদি বৃষ্টি থাকে, তাহলে পরিস্থিতি সামাল দেয়া আরো কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন স্বয়ং সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সচিবালয়ে গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘‌গতবার (ঈদুল ফিতর) একদিনের ঝড়-বৃষ্টি আমাদের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছিল। এবার তো পুরোদমে বর্ষাকাল চলছে। প্রতিকূল আবহাওয়ায় রাস্তায় পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন রাখা এবং জলজট ও যানজট নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। এ বিষয়গুলো মাথায় রেখে এবার আমরা বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নিয়েছি।

আসন্ন ঈদযাত্রায় সড়কপথে ঘরমুখী মানুষের দুর্ভোগের কারণ হতে পারে ৯৪টি যানজটপ্রবণ স্পট। হাইওয়ে পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সাতটি, ঢাকা-টাঙ্গাইল-রংপুর মহাসড়কে ২৫, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সাত, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ২১, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২৫, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে আট এবং ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর অংশে একটি যানজটপ্রবণ স্পট রয়েছে। এসব স্পট ছাড়াও শ্রমিক অধ্যুষিত গাজীপুর, আব্দুল্লাহপুর, বাইপাইল এলাকার সড়কে যানজটের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

মানবজমিনের একটি শিরোন “সিলেটে মাজারে আসা নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ”

সিলেটে মাজার জিয়ারতে আসা এক নারীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে। ওই নারী প্রতিবন্ধী ছিল। ধর্ষণের অভিযোগে মঙ্গলবার দুইজনকে আটক করেছে র‌্যাব। র‌্যাব-৯ জানায়, অভিযোগকারী সাতক্ষীরা জেলার বাসিন্দা। তিনি পেশাগতভাবে ভিক্ষাবৃত্তির সঙ্গে যুক্ত। তিনি হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারতের জন্য সিলেটে আসেন। সোমবার রাতের দিকে সিলেটের শাহপরান এলাকায় এক ব্যক্তি প্রথমে ভুক্তভোগীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কথা বলেন। পরে তাকে লোহারপাড়া এলাকার একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে আগে থেকেই থাকা কয়েকজন ব্যক্তি এবং কিছু সিএনজি চালক মিলে ওই নারীকে আটক করে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পর সকালে ওই নারী পাশের ভাড়াটিয়াদের কাছে বিষয়টি জানালে স্থানীয়রা র‌্যাবকে খবর দেন। পরে র‌্যাব-৯ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুইজনকে আটক করে।

অভিযানে একটি সিএনজি ও একটি ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয় বলে জানায় র‌্যাব-৯। র‌্যাব-৯ এর সিপিএস কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুইজন ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। ভুক্তভোগীর বক্তব্যের সঙ্গে তাদের দেয়া তথ্যও মিলেছে। ভুক্তভোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে ওই নারী ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্প বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন, আজ থেকে শুরু মার্কিন-চীন শীর্ষ সম্মেলন

পাঠ্যবইয়ে বদল: সরকার আসে, পড়া বদলায়

১১:৫৮:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

সমকালের একটি শিরোনাম “চাঁদা নয়, নির্দিষ্ট ফি দিয়ে ফুটপাতে বসবেন হকার”

দৈনিক একশ-দুইশ টাকা চাঁদা নয়, মাসে ১০০ বা বছরে এক হাজার টাকা ফি দিয়ে রাজধানীর ফুটপাতে ব্যবসা করতে পারবেন হকাররা। যারা সিটি করপোরেশনে নিবন্ধন করবেন, কেবল তারাই নির্দিষ্ট স্থানে বসতে পারবেন।

হকার ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে সম্প্রতি হকার নীতিমালা অনুমোদন করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। সেই নীতিমালার ভিত্তিতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন। নিবন্ধনের মাধ্যমে হকারদের মাঝে স্মার্টকার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে তিনশ হকারকে কার্ড দেওয়া হয়েছে। এই হকাররা সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত স্থানে নির্দিষ্ট সময় ব্যবসা করতে পারবেন। মাসিক বা বার্ষিক হিসাবে তাদের দেওয়া টাকা নির্ধারিত স্থানের উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যয় করবে কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে তালিকা প্রণয়ন ও হকারদের জন্য স্থান নির্ধারণের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে গুলিস্তান, নিউমার্কেট ও মিরপুর ১০ নম্বর এলাকার কোথায় কোথায় তারা বসবেন, সে কাজ শেষ হয়েছে।
সিটি করপোরেশন থেকে হকার নিবন্ধন ফরম বিতরণ করা হয়েছে। এতে স্থায়ী ঠিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ নানা তথ্য চাওয়া হয়। ফরমের তথ্য যাচাই করে হকারের তালিকা চূড়ান্ত করছে সিটি করপোরেশন ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। কোন কোন স্থানে হকারদের বসার সুযোগ দেওয়া যায়, তাও যৌথভাবে নির্ধারণ করা হচ্ছে। দুই সিটি করপোরেশন এলাকাতেই এ কাজ চলছে।

ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট-এর অনুসন্ধানে জানা যায়, রাজধানীর প্রায় পাঁচ লাখ হকারের কাছ থেকে বছরে ১ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা চাঁদা তোলা হয়। প্রতি হকারকে গড়ে ১৯২ টাকা দৈনিক চাঁদা দিতে হয়। পুলিশ, রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা এই চাঁদার ভাগ পান।

 

আজকের পত্রিকার একটি শিরোনাম”পাঠ্যবইয়ে বদল: সরকার আসে, পড়া বদলায়”

আবারও বদল হচ্ছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই। ক্ষমতার পালাবদলের পর পাঠ্যবইয়ের এই বদল চলছে গত শতকের নব্বইয়ের দশক থেকে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ব্যাপক পরিবর্তনের পর বিএনপির সরকার ক্ষমতার আসার পর আবারও বড় ধরনের বদল হচ্ছে পাঠ্যবইয়ে। এনসিটিবি সূত্র বলেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের মাধ্যমিক স্তরের বিভিন্ন শ্রেণির ৯৯টি এবং প্রাথমিক স্তরের ৩৬টি বই পরিমার্জন হচ্ছে। যুক্ত হচ্ছে নতুন তিনটি বিষয়ের বইও।

শিক্ষাবিদেরা বলছেন, পাঠ্যপুস্তক গবেষণাভিত্তিক, যুগোপযোগী এবং জ্ঞাননির্ভর হওয়া বাঞ্ছনীয়। কিন্তু দেশে বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতাসীন সরকার নিজেদের আদর্শ ও অবস্থান অনুযায়ী পাঠ্যবই পুনর্বিন্যাস করেছে। সরকার বদলের পর পাঠ্যবইয়ে পরিবর্তন তারই ধারাবাহিকতা। এতে দীর্ঘ মেয়াদে শিক্ষায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষাক্রম প্রণয়ন, মুদ্রণ, প্রকাশনা, বিতরণ ও বিপণন করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন এই দপ্তরের সূত্র জানায়, আগামী বছরের জানুয়ারিতে শুরু হতে যাওয়া নতুন শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের কয়েকটি পাঠ্যবইয়ে নতুন বিষয় সংযোজনের পাশাপাশি একাধিক বইয়ে বড় ধরনের পরিমার্জন করা হচ্ছে। নতুন তিনটি বিষয় যুক্ত হচ্ছে।

দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক অধ্যাপক তাহমিনা আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, সরকার সময়ে সময়ে পাঠ্যবই পরিমার্জন বা শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করতেই পারে। তবে তা হতে হবে যুগের চাহিদা ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে। তিনি বলেন, পাঠ্যবই প্রণয়নে একটি স্বাধীন ও স্থায়ী বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা প্রয়োজন, যা রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে গিয়ে কাজ করবে। একই সঙ্গে পাঠ্যবই সংশোধনের ক্ষেত্রে শিক্ষক, গবেষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মতামত নিশ্চিত করতে হবে।

 

বণিকবার্তার একটি শিরোনাম “রেলে ইঞ্জিন-কোচ সংকট ও বেহাল সড়ক, দুর্ভোগের শঙ্কা ঈদযাত্রায়”

এসব ট্রেনের বিপরীতে রেলের বহরে ইঞ্জিন (লোকোমোটিভ) আছে ২৯৭টি। অর্ধেকের বেশি (প্রায় ৫১ শতাংশ) ইঞ্জিন আবার অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল অতিক্রম করেছে। ট্রেন পরিচালনার সময় তাই প্রায়ই বিকল বা দুর্ঘটনায় পড়ছে পুরনো সব ইঞ্জিন। আছে কোচের সংকটও। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ইঞ্জিন ও কোচ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এ সংকট আরো প্রকট হয়েছে। এ কারণে আসন্ন ঈদযাত্রায় ট্রেন পরিচালনা বিঘ্নিত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, আসন্ন ঈদযাত্রায় ঢাকা থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করবেন প্রায় দেড় কোটি মানুষ। সিংহভাগই আবার যাতায়াত করেন সড়কপথে। এর সঙ্গে প্রায় এক কোটি কোরবানির পশু পরিবহন করা হবে। যদিও ঘরমুখী মানুষ ও কোরবানির পশু পরিবহনের চাপ সামাল দেয়ার অবস্থায় নেই দেশের সড়ক-মহাসড়কগুলো। বৃষ্টিতে এরই মধ্যে বিভিন্ন সড়কে খানাখন্দ দেখা দিয়েছে, যেগুলোর কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে যান চলাচল।

এমন প্রেক্ষাপটে ঈদযাত্রার সময়ও যদি বৃষ্টি থাকে, তাহলে পরিস্থিতি সামাল দেয়া আরো কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন স্বয়ং সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সচিবালয়ে গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘‌গতবার (ঈদুল ফিতর) একদিনের ঝড়-বৃষ্টি আমাদের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছিল। এবার তো পুরোদমে বর্ষাকাল চলছে। প্রতিকূল আবহাওয়ায় রাস্তায় পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন রাখা এবং জলজট ও যানজট নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। এ বিষয়গুলো মাথায় রেখে এবার আমরা বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নিয়েছি।

আসন্ন ঈদযাত্রায় সড়কপথে ঘরমুখী মানুষের দুর্ভোগের কারণ হতে পারে ৯৪টি যানজটপ্রবণ স্পট। হাইওয়ে পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সাতটি, ঢাকা-টাঙ্গাইল-রংপুর মহাসড়কে ২৫, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সাত, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ২১, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২৫, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে আট এবং ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর অংশে একটি যানজটপ্রবণ স্পট রয়েছে। এসব স্পট ছাড়াও শ্রমিক অধ্যুষিত গাজীপুর, আব্দুল্লাহপুর, বাইপাইল এলাকার সড়কে যানজটের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

মানবজমিনের একটি শিরোন “সিলেটে মাজারে আসা নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ”

সিলেটে মাজার জিয়ারতে আসা এক নারীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে। ওই নারী প্রতিবন্ধী ছিল। ধর্ষণের অভিযোগে মঙ্গলবার দুইজনকে আটক করেছে র‌্যাব। র‌্যাব-৯ জানায়, অভিযোগকারী সাতক্ষীরা জেলার বাসিন্দা। তিনি পেশাগতভাবে ভিক্ষাবৃত্তির সঙ্গে যুক্ত। তিনি হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারতের জন্য সিলেটে আসেন। সোমবার রাতের দিকে সিলেটের শাহপরান এলাকায় এক ব্যক্তি প্রথমে ভুক্তভোগীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কথা বলেন। পরে তাকে লোহারপাড়া এলাকার একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে আগে থেকেই থাকা কয়েকজন ব্যক্তি এবং কিছু সিএনজি চালক মিলে ওই নারীকে আটক করে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পর সকালে ওই নারী পাশের ভাড়াটিয়াদের কাছে বিষয়টি জানালে স্থানীয়রা র‌্যাবকে খবর দেন। পরে র‌্যাব-৯ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুইজনকে আটক করে।

অভিযানে একটি সিএনজি ও একটি ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয় বলে জানায় র‌্যাব-৯। র‌্যাব-৯ এর সিপিএস কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুইজন ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। ভুক্তভোগীর বক্তব্যের সঙ্গে তাদের দেয়া তথ্যও মিলেছে। ভুক্তভোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে ওই নারী ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।