নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লিক বিস্ফোরণে দগ্ধ একটি পরিবারের শেষ সদস্যটিও ১৫ মে মারা গেছেন। স্ত্রী সালমা আক্তার (৩০) ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এর আগে স্বামী আবুল কালাম (৩৫) এবং তিন সন্তান — মুন্না (১২), মুন্নি (৭) ও কোথা (৪) — একে একে মারা গেছেন। পাঁচজনের সবাই বিস্ফোরণে ৩০ থেকে ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত দগ্ধ হয়েছিলেন।
চুলা জ্বালাতে গিয়ে বিস্ফোরণ, তিতাস লাইনে লিক

ঘটনাটি ঘটে ১০ মে সকাল সাতটায়। ফতুল্লার ভূঁইগড় গিরিধারা এলাকার একটি আট তলা ভবনের নিচতলায় পরিবারটি ভাড়া থাকত। ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তিতাস গ্যাস লাইন থেকে লিক হওয়া গ্যাস বদ্ধ ঘরে জমে ছিল। সকালে কালাম চুলা জ্বালাতে গেলে বিস্ফোরণটি ঘটে। বিস্ফোরণের শব্দে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে পরিবারটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
পাঁচ দিনে পাঁচটি মৃত্যু
স্বামী কালাম প্রথমে মারা যান ১১ মে। তারপর একে একে মারা যান ছোট মেয়ে কোথা (১৩ মে), মুন্না ও মুন্নি (১৪ মে), এবং সবশেষে মা সালমা আজ ১৫ মে। পাঁচ দিনের ব্যবধানে পুরো পরিবারটি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। আবুল কালাম পেশায় ছিলেন সবজি বিক্রেতা — বরিশাল ও পটুয়াখালী থেকে আসা একটি সাধারণ পরিবার।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















