০২:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
ইউরোপের অর্থনীতিতে নতুন ধাক্কা, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বাড়াচ্ছে মূল্যস্ফীতি ও অনিশ্চয়তা চীনের দখলে মানবসদৃশ রোবটের ভবিষ্যৎ, পিছিয়ে পড়ছে জাপান যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞায় নতুন বিতর্ক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে উত্তেজনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্মাদনায় শেয়ারবাজারে নতুন বুদ্‌বুদের আশঙ্কা কঙ্গোতে নতুন ইবোলা আতঙ্ক, ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবের শঙ্কা তালপাতার পাণ্ডুলিপি: একটি জাতির বিস্মৃত জ্ঞানভাণ্ডারের পুনরাবিষ্কার নামের জন্য নয়, দিক পরিবর্তনের জন্য বাজেট দরকার  ইবোলা মোকাবিলায় সময়ের বিরুদ্ধে দৌড়, নতুন ওষুধে আশার আলো দেখছেন বিজ্ঞানীরা স্পেসএক্সের ১০ শতাংশ সম্ভাবনা থেকে ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বিস্ময়, ইতিহাস গড়লেন ইলন মাস্ক দুর্নীতির অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল নেতাদের ঘরে ঘরে তদন্ত, বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ

রাষ্ট্রপতির যুক্তরাজ্য সফর নিয়ে ‘ভিত্তিহীন’ প্রতিবেদন, ব্যয়ের বিষয়ে বঙ্গভবনের ব্যাখ্যা

চিকিৎসার জন্য রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের যুক্তরাজ্য সফর ঘিরে সম্প্রতি বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন ও বাস্তবতাবিবর্জিত বলে দাবি করেছে বঙ্গভবন। সফরসঙ্গীর সংখ্যা, হোটেলে অবস্থান, খাবার ও ব্যক্তিগত ব্যয় নিয়ে প্রকাশিত তথ্যের বিরুদ্ধে বিস্তারিত ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে।

বঙ্গভবনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকারের কৃচ্ছতা সাধনের নীতির অংশ হিসেবেই রাষ্ট্রপতির এবারের সফরে সর্বনিম্ন সংখ্যক নিরাপত্তা কর্মী ও কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কিছু প্রতিবেদনে সফরসঙ্গীর যে সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে মিল নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।

ব্যয়ের বিষয়ে ব্যাখ্যা

বিবৃতিতে জানানো হয়, যুক্তরাজ্য সফরকালে রাষ্ট্রপতি ও তার পরিবারের মোট পাঁচ সদস্যের মধ্যে দুই সদস্যের ব্যয় ব্যক্তিগতভাবে বহন করা হয়েছে। অর্থাৎ পুরো সফরের খরচ রাষ্ট্রের অর্থ থেকে বহন করা হয়নি।

এছাড়া সফরে বিলাসবহুল হোটেলে থাকার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেটিও প্রত্যাখ্যান করেছে বঙ্গভবন। তাদের দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার যুক্তরাজ্য সফরের সময় ব্যবহৃত হোটেলের তুলনায় রাষ্ট্রপতি ও তার সফরসঙ্গীরা কম খরচের হোটেলে অবস্থান করেছেন।

খাবার ও যাতায়াত নিয়েও ব্যাখ্যা

বঙ্গভবনের বক্তব্য অনুযায়ী, সফরকালে রাষ্ট্রপতি ও তার সফরসঙ্গীরা কৃচ্ছতা নীতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশি রেস্তোরাঁয় সাধারণ খাবার গ্রহণ করেছেন। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীরা পাঁচ তারকা হোটেলের খাবার খেলেও রাষ্ট্রপতির সফরে সে ধরনের কোনো আয়োজন ছিল না।

লন্ডনে শপিং বা অতিরিক্ত বিলাসিতার অভিযোগও অস্বীকার করা হয়েছে। বঙ্গভবনের ভাষ্য, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সীমিত দূরত্বে চলাচল করেছেন এবং যাতায়াতের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রচলিত নিয়মে সীমিত সংখ্যক সাধারণ গাড়ির ব্যবস্থা করেছিল। এতে কোনো বিলাসবহুল বা অতিরিক্ত ব্যয়ের সুযোগ ছিল না বলেও দাবি করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য

বিবৃতির শেষাংশে দেশের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় পরিস্থিতির প্রসঙ্গও তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, দেশের গভীর সংকট মোকাবিলা ও গণতান্ত্রিক উত্তরণে রাষ্ট্রপতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, যা সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।

একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতিকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের সমালোচনা করে বলা হয়, এ ধরনের বক্তব্য রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানকে অবজ্ঞা করার শামিল।

রাষ্ট্রপতির যুক্তরাজ্য সফর নিয়ে বঙ্গভবনের ব্যাখ্যা, সফর ব্যয় ও কৃচ্ছতা নীতি নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন দাবি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউরোপের অর্থনীতিতে নতুন ধাক্কা, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বাড়াচ্ছে মূল্যস্ফীতি ও অনিশ্চয়তা

রাষ্ট্রপতির যুক্তরাজ্য সফর নিয়ে ‘ভিত্তিহীন’ প্রতিবেদন, ব্যয়ের বিষয়ে বঙ্গভবনের ব্যাখ্যা

০৮:২১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

চিকিৎসার জন্য রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের যুক্তরাজ্য সফর ঘিরে সম্প্রতি বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন ও বাস্তবতাবিবর্জিত বলে দাবি করেছে বঙ্গভবন। সফরসঙ্গীর সংখ্যা, হোটেলে অবস্থান, খাবার ও ব্যক্তিগত ব্যয় নিয়ে প্রকাশিত তথ্যের বিরুদ্ধে বিস্তারিত ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে।

বঙ্গভবনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকারের কৃচ্ছতা সাধনের নীতির অংশ হিসেবেই রাষ্ট্রপতির এবারের সফরে সর্বনিম্ন সংখ্যক নিরাপত্তা কর্মী ও কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কিছু প্রতিবেদনে সফরসঙ্গীর যে সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে মিল নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।

ব্যয়ের বিষয়ে ব্যাখ্যা

বিবৃতিতে জানানো হয়, যুক্তরাজ্য সফরকালে রাষ্ট্রপতি ও তার পরিবারের মোট পাঁচ সদস্যের মধ্যে দুই সদস্যের ব্যয় ব্যক্তিগতভাবে বহন করা হয়েছে। অর্থাৎ পুরো সফরের খরচ রাষ্ট্রের অর্থ থেকে বহন করা হয়নি।

এছাড়া সফরে বিলাসবহুল হোটেলে থাকার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেটিও প্রত্যাখ্যান করেছে বঙ্গভবন। তাদের দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার যুক্তরাজ্য সফরের সময় ব্যবহৃত হোটেলের তুলনায় রাষ্ট্রপতি ও তার সফরসঙ্গীরা কম খরচের হোটেলে অবস্থান করেছেন।

খাবার ও যাতায়াত নিয়েও ব্যাখ্যা

বঙ্গভবনের বক্তব্য অনুযায়ী, সফরকালে রাষ্ট্রপতি ও তার সফরসঙ্গীরা কৃচ্ছতা নীতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশি রেস্তোরাঁয় সাধারণ খাবার গ্রহণ করেছেন। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীরা পাঁচ তারকা হোটেলের খাবার খেলেও রাষ্ট্রপতির সফরে সে ধরনের কোনো আয়োজন ছিল না।

লন্ডনে শপিং বা অতিরিক্ত বিলাসিতার অভিযোগও অস্বীকার করা হয়েছে। বঙ্গভবনের ভাষ্য, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সীমিত দূরত্বে চলাচল করেছেন এবং যাতায়াতের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রচলিত নিয়মে সীমিত সংখ্যক সাধারণ গাড়ির ব্যবস্থা করেছিল। এতে কোনো বিলাসবহুল বা অতিরিক্ত ব্যয়ের সুযোগ ছিল না বলেও দাবি করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য

বিবৃতির শেষাংশে দেশের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় পরিস্থিতির প্রসঙ্গও তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, দেশের গভীর সংকট মোকাবিলা ও গণতান্ত্রিক উত্তরণে রাষ্ট্রপতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, যা সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।

একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতিকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের সমালোচনা করে বলা হয়, এ ধরনের বক্তব্য রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানকে অবজ্ঞা করার শামিল।

রাষ্ট্রপতির যুক্তরাজ্য সফর নিয়ে বঙ্গভবনের ব্যাখ্যা, সফর ব্যয় ও কৃচ্ছতা নীতি নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন দাবি।