০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
জেসন আরডের বেদনাময় পরিণতি: মেধা, বর্ণ ও অভিজাত একাডেমিয়ার অদৃশ্য দেয়াল এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলে পাকিস্তানের বড় জয়, ভারতকে হারিয়ে তিন পদই দখলে সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে ভারত-চীন বৈঠক, বেইজিং যাচ্ছেন অজিত ডোভাল বিজেপির ‘জেন জি’ প্রচারে কটাক্ষ, ‘ভাইরাস-ককরোচ’ মন্তব্য টেনে নিশানা সৌরভ দাসের ঝিনাইদহে ২০০ শিশুর চিকিৎসায় হিমশিম হাসপাতাল, লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ চরম ঢাকার কূটনৈতিক জোনে নিরাপত্তা জোরদার, দূতাবাসে অর্থ দাবির ই-মেইল ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি বেড়ে ৮২ চুয়াডাঙ্গায় প্রণোদনার ৫৪ বস্তা সার গায়েব, স্বাক্ষর নিয়েও সার পেলেন না কৃষকরা গ্যাস সংকটে ছয় মাসের জন্য কারখানা বন্ধ করল ফু-ওয়াং ফুডস গ্যাসের তীব্র সংকটে রাজধানীতে গাড়ির দীর্ঘ সারি, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় চালকেরা

সৌদি ফেরত প্রবাসীকে হত্যা করে দেহ টুকরো: মূল অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

ঢাকায় সৌদি প্রবাসী মোকররম মিয়া হত্যাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত হিসেবে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রাজধানীর মুগদা ও মান্ডা এলাকায় দেহ টুকরো করে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় এই হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া নারী তাসলিমা আক্তারের বয়স ৩১ বছর। বুধবার সকালে নরসিংদীতে তার বোনের বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। অভিযানে মুগদা থানা পুলিশ ও ঢাকা মহানগর পুলিশের সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট একসঙ্গে কাজ করে।

মৃত মোকররম মিয়া সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন। গত ১৩ মে তিনি কাউকে কিছু না জানিয়ে দেশে ফেরেন। এরপর ১৪ মে তাকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সম্পর্কের জের ধরে বিরোধ

প্রেমঘটিত বিরোধে সৌদি প্রবাসীকে হত্যা', মা-মেয়ে গ্রেপ্তার | The Daily Star

তদন্তকারীরা বলছেন, তাসলিমার সঙ্গে মোকররমের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাসলিমাকে টাকা পাঠাতেন। দেশে ফিরে সেই টাকা ফেরত অথবা বিয়ের দাবি করেন তিনি।

পুলিশের দাবি, তাসলিমা বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। একপর্যায়ে মোকররম ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এরপরই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা

ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এর আগে আরও দুজনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে একজন নারী এবং তার কিশোরী মেয়ে রয়েছে।

তদন্তে জানা গেছে, ১৪ মে সকালে মোকররমের পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মেশানো হয়। তিনি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

পরে মরদেহ বাথরুমে নিয়ে পরিষ্কার করা হয়। এরপর দেহ আট টুকরো করে বিভিন্ন প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।

বিভিন্ন স্থানে মিলেছে দেহের অংশ

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, দেহের বিভিন্ন অংশ ভবনের আশপাশ ও রাজধানীর একাধিক জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রায় এক কিলোমিটার দূর থেকে মাথাও উদ্ধার করা হয়।

এই ঘটনায় রাজধানীতে আতঙ্ক ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। হত্যার পেছনে আর কেউ জড়িত আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জেসন আরডের বেদনাময় পরিণতি: মেধা, বর্ণ ও অভিজাত একাডেমিয়ার অদৃশ্য দেয়াল

সৌদি ফেরত প্রবাসীকে হত্যা করে দেহ টুকরো: মূল অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

০১:১৯:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

ঢাকায় সৌদি প্রবাসী মোকররম মিয়া হত্যাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত হিসেবে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রাজধানীর মুগদা ও মান্ডা এলাকায় দেহ টুকরো করে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় এই হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া নারী তাসলিমা আক্তারের বয়স ৩১ বছর। বুধবার সকালে নরসিংদীতে তার বোনের বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। অভিযানে মুগদা থানা পুলিশ ও ঢাকা মহানগর পুলিশের সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট একসঙ্গে কাজ করে।

মৃত মোকররম মিয়া সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন। গত ১৩ মে তিনি কাউকে কিছু না জানিয়ে দেশে ফেরেন। এরপর ১৪ মে তাকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সম্পর্কের জের ধরে বিরোধ

প্রেমঘটিত বিরোধে সৌদি প্রবাসীকে হত্যা', মা-মেয়ে গ্রেপ্তার | The Daily Star

তদন্তকারীরা বলছেন, তাসলিমার সঙ্গে মোকররমের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাসলিমাকে টাকা পাঠাতেন। দেশে ফিরে সেই টাকা ফেরত অথবা বিয়ের দাবি করেন তিনি।

পুলিশের দাবি, তাসলিমা বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। একপর্যায়ে মোকররম ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এরপরই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা

ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এর আগে আরও দুজনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে একজন নারী এবং তার কিশোরী মেয়ে রয়েছে।

তদন্তে জানা গেছে, ১৪ মে সকালে মোকররমের পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মেশানো হয়। তিনি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

পরে মরদেহ বাথরুমে নিয়ে পরিষ্কার করা হয়। এরপর দেহ আট টুকরো করে বিভিন্ন প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।

বিভিন্ন স্থানে মিলেছে দেহের অংশ

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, দেহের বিভিন্ন অংশ ভবনের আশপাশ ও রাজধানীর একাধিক জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রায় এক কিলোমিটার দূর থেকে মাথাও উদ্ধার করা হয়।

এই ঘটনায় রাজধানীতে আতঙ্ক ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। হত্যার পেছনে আর কেউ জড়িত আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।