ঢাকায় রাশিয়ার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ‘রাশিয়ান হাউস’-এ আয়োজন করা হয়েছে রুশ ঐতিহ্যবাহী মাতরিয়োশকা পুতুল আঁকার বিশেষ কর্মশালা। রঙ, শিল্প আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনে আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই কর্মশালার আয়োজন করা হয় সেরভ চারুকলা একাডেমির সহযোগিতায়। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন। তাদের মধ্যে সেরভ চারুকলা একাডেমির শিক্ষার্থীরাও ছিলেন।
রুশ সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয়ের সুযোগ
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা ঐতিহ্যবাহী রুশ মাতরিয়োশকা পুতুলে নানা ধরনের রঙ ব্যবহার করে নকশা আঁকার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। প্যাস্টেল, জলরং ও পোস্টার কালারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের সৃজনশীলতা তুলে ধরেন।

আয়োজকরা জানান, এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল তরুণদের কাছে রুশ লোকশিল্প ও সংস্কৃতিকে পরিচিত করে তোলা। একই সঙ্গে শিল্পচর্চার মাধ্যমে দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করা।
শিল্প আর সংস্কৃতির মিলনমেলা
কর্মশালার পুরো পরিবেশ ছিল প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর। শিক্ষার্থীরা শুধু ছবি আঁকাতেই অংশ নেননি, বরং মাতরিয়োশকা পুতুলের ইতিহাস, প্রতীকী অর্থ এবং রুশ সংস্কৃতিতে এর গুরুত্ব সম্পর্কেও জানার সুযোগ পান।
অংশগ্রহণকারীদের অনেকেই জানান, এমন আয়োজন তাদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা। ভিন্ন দেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার পাশাপাশি নিজেদের শিল্পীসত্তা প্রকাশের সুযোগও তৈরি হয়েছে।

সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারের উদ্যোগ
এই আয়োজনকে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। হাতে-কলমে শিল্পচর্চার মাধ্যমে দুই দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















