০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬
মতভেদ থেকে তাকফির: ধর্মের ব্যাখ্যা যখন সহিংসতার অস্ত্রে পরিণত হয় সৌদি আরবের উন্নয়নের নতুন মানদণ্ড: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি শুধু প্রযুক্তি, নাকি রাষ্ট্রের সক্ষমতার পরীক্ষা? জীবাণু অস্ত্রের নিষেধাজ্ঞা যথেষ্ট নয়, নতুন হুমকি বায়োসন্ত্রাস কোরিয়ার ছোঁয়ায় নতুন স্বাদের ইনারি-সুশি: ভুট্টা, টোফু আর ঝাল মাখনের অনন্য মেলবন্ধন উত্তর কোরিয়া-রাশিয়ার সামরিক জোটে বদলে যাচ্ছে ইউরোপ ও ইন্দো-প্যাসিফিকের নিরাপত্তা সমীকরণ টানা পঞ্চম মাসে টয়োটার বৈশ্বিক বিক্রি কমল, চাপ বাড়ছে গাড়ি শিল্পে ইরানকে থামাতে পারবে কি চীন? উপসাগরীয় দেশগুলোর নতুন কূটনৈতিক পরীক্ষা বিমসটেককে অগ্রাধিকার দিচ্ছে নেপাল, আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে নতুন উদ্যোগ ভূমিকম্পের ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে কুমামোতো, ফিরছে পরিবহন ও শিল্প কার্যক্রম পরীক্ষায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিন প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে ঢুকে পড়ল অ্যানথ্রপিকের এআই মডেল

পাকিস্তানের আবাসন কেলেঙ্কারির মূল হোতা গ্রেপ্তার, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ধরা পড়লেন কাসিম খান

পাকিস্তানের বহুল আলোচিত পাম ভিস্তা হাউজিং কেলেঙ্কারির প্রধান অভিযুক্ত মুহাম্মদ কাসিম খানকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক অনুসন্ধান ও ইন্টারপোলের সহায়তায় আবুধাবিতে তাকে আটক করা হয় বলে জানা গেছে। এখন তাকে পাকিস্তানে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

পাকিস্তানের জাতীয় জবাবদিহি ব্যুরো বা ন্যাবের তদন্তে বলা হয়েছে, এই আবাসন প্রকল্পের নামে শত শত মানুষের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ভুয়া প্লট বিক্রি, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি এবং অবৈধ বিনিয়োগ পরিকল্পনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করা হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক অভিযানে গ্রেপ্তার

FIA gets access to Interpol database

পাকিস্তানের ইন্টারপোল শাখা জানিয়েছে, কাসিম খানের বিরুদ্ধে আগে থেকেই আন্তর্জাতিক রেড নোটিশ জারি ছিল। সেই সূত্র ধরেই তাকে আবুধাবিতে গ্রেপ্তার করা হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে পাকিস্তানের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত নথি চেয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বিদেশে পালিয়ে থাকা আর্থিক অপরাধীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় এখন দ্রুত সংকুচিত হয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কারণে এমন অভিযানে সাফল্য বাড়ছে।

শত শত মানুষের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, মাত্র ২০৫ কানাল জমির বিপরীতে অতিরিক্ত প্লট বিক্রি করা হয়েছিল। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের বেশি মুনাফার লোভ দেখিয়ে অর্থ নেওয়া হয়। এতে অন্তত ২৯৫ জন মানুষ তাদের জীবনের সঞ্চয় হারিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্তরা ন্যাব কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও বিচার দাবিতে অবস্থান করছিলেন। তারা দ্রুত অর্থ ফেরত ও জড়িতদের শাস্তি দাবি করেছেন।

Punjab Government's Crackdown on Illegal Housing Societies: What Property  Buyers Must Know - ArzaayPak.com - Your Real Estate Experts

এর আগে এই প্রকল্পের আরও দুই পরিচালক মাহমুদ তারিক ও আমের আজিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে কাসিম খান বিদেশে থেকেই পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

পাঞ্জাবে আবাসন প্রতারণার বিরুদ্ধে অভিযান

পাকিস্তানের পাঞ্জাবজুড়ে ভুয়া আবাসন প্রকল্প ও বিনিয়োগ প্রতারণার বিরুদ্ধে বর্তমানে বড় ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে। কর্মকর্তারা বলছেন, পাম ভিস্তা কেলেঙ্কারি সেই বৃহত্তর অভিযানেরই একটি অংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত নগরায়ণ ও আবাসন ব্যবসায় নজরদারির ঘাটতির সুযোগ নিয়ে এমন প্রতারণা বাড়ছে। ফলে সাধারণ মানুষের বিনিয়োগ নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

PAF, NAB negotiating to repay investors hit by housing scam - Pakistan -  DAWN.COM

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মতভেদ থেকে তাকফির: ধর্মের ব্যাখ্যা যখন সহিংসতার অস্ত্রে পরিণত হয়

পাকিস্তানের আবাসন কেলেঙ্কারির মূল হোতা গ্রেপ্তার, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ধরা পড়লেন কাসিম খান

০১:১১:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

পাকিস্তানের বহুল আলোচিত পাম ভিস্তা হাউজিং কেলেঙ্কারির প্রধান অভিযুক্ত মুহাম্মদ কাসিম খানকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক অনুসন্ধান ও ইন্টারপোলের সহায়তায় আবুধাবিতে তাকে আটক করা হয় বলে জানা গেছে। এখন তাকে পাকিস্তানে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

পাকিস্তানের জাতীয় জবাবদিহি ব্যুরো বা ন্যাবের তদন্তে বলা হয়েছে, এই আবাসন প্রকল্পের নামে শত শত মানুষের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ভুয়া প্লট বিক্রি, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি এবং অবৈধ বিনিয়োগ পরিকল্পনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করা হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক অভিযানে গ্রেপ্তার

FIA gets access to Interpol database

পাকিস্তানের ইন্টারপোল শাখা জানিয়েছে, কাসিম খানের বিরুদ্ধে আগে থেকেই আন্তর্জাতিক রেড নোটিশ জারি ছিল। সেই সূত্র ধরেই তাকে আবুধাবিতে গ্রেপ্তার করা হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে পাকিস্তানের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত নথি চেয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বিদেশে পালিয়ে থাকা আর্থিক অপরাধীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় এখন দ্রুত সংকুচিত হয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কারণে এমন অভিযানে সাফল্য বাড়ছে।

শত শত মানুষের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, মাত্র ২০৫ কানাল জমির বিপরীতে অতিরিক্ত প্লট বিক্রি করা হয়েছিল। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের বেশি মুনাফার লোভ দেখিয়ে অর্থ নেওয়া হয়। এতে অন্তত ২৯৫ জন মানুষ তাদের জীবনের সঞ্চয় হারিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্তরা ন্যাব কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও বিচার দাবিতে অবস্থান করছিলেন। তারা দ্রুত অর্থ ফেরত ও জড়িতদের শাস্তি দাবি করেছেন।

Punjab Government's Crackdown on Illegal Housing Societies: What Property  Buyers Must Know - ArzaayPak.com - Your Real Estate Experts

এর আগে এই প্রকল্পের আরও দুই পরিচালক মাহমুদ তারিক ও আমের আজিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে কাসিম খান বিদেশে থেকেই পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

পাঞ্জাবে আবাসন প্রতারণার বিরুদ্ধে অভিযান

পাকিস্তানের পাঞ্জাবজুড়ে ভুয়া আবাসন প্রকল্প ও বিনিয়োগ প্রতারণার বিরুদ্ধে বর্তমানে বড় ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে। কর্মকর্তারা বলছেন, পাম ভিস্তা কেলেঙ্কারি সেই বৃহত্তর অভিযানেরই একটি অংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত নগরায়ণ ও আবাসন ব্যবসায় নজরদারির ঘাটতির সুযোগ নিয়ে এমন প্রতারণা বাড়ছে। ফলে সাধারণ মানুষের বিনিয়োগ নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

PAF, NAB negotiating to repay investors hit by housing scam - Pakistan -  DAWN.COM