সাতক্ষীরা শহরের কুখরালী এলাকায় সোহানা পারভীন নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে কুখরালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন স্বামীর বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত সোহানা পারভীন (১৯) সদর উপজেলার দহাকুলা গ্রামের মো. আব্দুল খলিলের মেয়ে। তিনি সাতক্ষীরা শহরের কুখরালী গ্রামের শেখ সাকিব হোসেনের স্ত্রী। তাদের দাম্পত্য জীবনে ফাইয়াজ হোসেন নামে তিন বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সোহানার স্বামী শেখ সাকিব হোসেনের সঙ্গে প্রতিবেশী এক তরুণীর সম্পর্ক ছিল বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই কলহ ও পারিবারিক অশান্তি চলত। স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, এসব পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে অভিমান করে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন সোহানা।

তবে নিহতের পরিবারের অভিযোগ ভিন্ন। স্বজনদের দাবি, সোহানাকে হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের অভিযোগ, হত্যার পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
ঘটনার পর খবর পেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশের বক্তব্য
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এখন পর্যন্ত থানায় এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি।
তবে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী শেখ সাকিব হোসেনকে থানায় নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















