আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চাঁদপুরের খামারি ও উদ্যোক্তারা ৬৬ হাজারেরও বেশি কোরবানির পশু বিক্রির জন্য প্রস্তুত রেখেছেন। তবে জেলার মোট চাহিদা প্রায় ৭৫ হাজার হওয়ায় প্রায় ৯ হাজার পশুর ঘাটতি থাকার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, বাইরের জেলা থেকে পশু এনে এই ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হবে।
স্থানীয় খামারিদের প্রত্যাশা

স্থানীয় খামারি তানভির আহমেদ জানান, ভোক্তাদের মধ্যে দেশীয় পশুর প্রতি আস্থা বাড়ায় এবার ন্যায্য দাম পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। ফরিদগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণপুর থেকে আসা মৌসুমি ব্যবসায়ীরা ফরিদপুর ও রাজবাড়ী থেকে ৫০টিরও বেশি গরু নিয়ে এসেছেন চাহিদা মেটাতে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, অনেকেই এখন ব্যবসায়ীর বদলে সরাসরি খামার থেকে পশু কিনতে পছন্দ করছেন। কিছু ব্যবসায়ী দ্রুত মোটাতাজা করতে ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার করেন, এই অভিযোগ থেকেই স্থানীয় পশুর প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে।
সারা দেশে পশু সংকটের শঙ্কা নেই
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সারা দেশে কোরবানির পশুর চাহিদা প্রায় ১ কোটি ১ লাখ, আর সরবরাহ রয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ। ফলে সামগ্রিকভাবে প্রায় ২২ লাখ পশুর উদ্বৃত্ত থাকবে। চাঁদপুরসহ কিছু জেলায় স্থানীয় সরবরাহে ঘাটতি থাকলেও দেশজুড়ে কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















