সাংহাইয়ের একটি অফিসে বসে কফি অর্ডার করতে এখন আর নিজেকে টাইপ করতে হয় না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত সুপার-অ্যাপকে বললেই হয়। অ্যাপটি পছন্দমতো কফি বেছে নিয়ে “কনফার্ম” বোতামে চাপ দিলেই পানীয় পৌঁছে যায়। চীনের ইন্টারনেট এখন এই তৃতীয় যুগে প্রবেশ করছে। প্রথম যুগ ছিল ওয়েব পোর্টালের, দ্বিতীয় যুগ মোবাইল সুপার-অ্যাপের এবং তৃতীয় যুগ হলো এআই এজেন্টের।

আলিবাবা, বাইটড্যান্স, টেনসেন্ট: তিনমুখী প্রতিযোগিতা
আলিবাবা ১১ মে তার চ্যাটবট “কুয়েন”-কে পুরোপুরি “তাওবাও” শপিং অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সরাসরি পণ্য ও সেবা কিনে দিতে পারে। বাইটড্যান্সও “ডউবাও” চ্যাটবটকে “ডউয়িন” ভিডিও অ্যাপের সঙ্গে একীভূত করতে যাচ্ছে। টেনসেন্টের প্রতিষ্ঠাতা পনি মা ১৩ মে সতর্ক করেছেন যে এআই সেবা নিয়ে একটি “এলোমেলো ভূমি দখলের” যুদ্ধ শুরু হতে চলেছে। টেনসেন্টের নতুন মডেল “হাই৩” পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে এবং শিগগিরই উইচ্যাটের সঙ্গে সংযুক্ত হবে।
ভোক্তা ব্যয় মন্থর বাজারে নতুন প্রবৃদ্ধির সন্ধান
চীনে ভোক্তাদের ব্যয় কমছে এবং বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো নতুন আয়ের উৎস খুঁজছে। এআই সুপার-অ্যাপ হতে পারে সেই উত্তর। যে কোম্পানি প্রথমে লজিস্টিক্স, পেমেন্ট, বিনোদন ও যোগাযোগকে একক এআই ইন্টারফেসে এনে ফেলবে, সে বিশাল সুবিধা পাবে। এই প্রতিযোগিতায় চীনের বাইরের প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর জন্যও বড় শিক্ষার সুযোগ রয়েছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















