০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
সুইডেনের স্কুলে তলোয়ার হামলা, নিহত ১৭ বছরের ছাত্রী; আহত ৩ সিঙ্গাপুরে মশা দিয়েই মশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ, ডেঙ্গু কমেছে ৮৭.৬ শতাংশ সরকার কেন এখন কলেরার টিকা দিচ্ছে? দিল্লিকে ঢাকার কঠিন শর্ত: নেপথ্যে ‘অবিশ্বাস’, নাকি সম্পর্কের ‘রিসেট’ চায় ঢাকা? মালয়েশিয়ার তালিকায় ২৫ এজেন্সি, শ্রমবাজার খোলা নিয়ে কী বলছে বাংলাদেশ সরকার ওয়াশিংটন পোস্ট: মার্কিন কংগ্রেসম্যানের ২ বছরের মেয়ের কলারবোন ভাঙার রহস্য অমীমাংসিত ভারত থেকে রপ্তানি বাড়াবে জাপানের কুবোটা, ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে দামে প্রতিযোগিতার লক্ষ্য কালিমান্তানে দাবানল ছড়িয়ে পড়ছে, বৃষ্টি না এলে বাড়তে পারে আগুন-ধোঁয়ার সংকট ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধের মধ্যে লেবাননের রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব ফেরানোর উদ্যোগে অচলাবস্থা আসাম–মেঘালয় উত্তেজনা: হামলায় জড়িত ৫ মুখোশধারী শনাক্ত, গঠিত বিশেষ তদন্ত দল

রাজধানীর পশুর হাটে মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি, দাম নিয়ে ক্রেতাদের অসন্তোষ

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাটে জমে উঠতে শুরু করেছে কেনাবেচা। হাটে গরুর সরবরাহ বাড়লেও দাম নিয়ে এখনও পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন অনেক ক্রেতা। বিশেষ করে মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি থাকায় এসব গরুর দাম তুলনামূলক বেশি রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতাদের অনেকে।

রাজধানীর দিয়াবাড়ী পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর বিক্রি সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। গরু কিনতে আসা অনেকেই এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নিয়ে বাজার যাচাই করছেন। ক্রেতা জহির জানান, হাটে গরু পাওয়া যাচ্ছে ঠিকই, তবে দাম কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে। তাই তিনি আরও কয়েকদিন পরিস্থিতি দেখে পরে কেনার পরিকল্পনা করছেন।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দিয়াবাড়ী হাটে মাঝারি আকারের বেশিরভাগ গরু এক লাখ ১০ হাজার টাকা থেকে এক লাখ ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, চাহিদা বেশি থাকায় এই দামে গরু বিক্রি হচ্ছে।

তবে একই হাটে গরু কিনে সন্তোষও প্রকাশ করেছেন কিছু ক্রেতা। মো. আব্দুল দিদার নামের এক ক্রেতা জানান, নিজের সাধ্যের মধ্যেই কোরবানির গরু কিনতে পেরে তিনি সন্তুষ্ট।

রহমতগঞ্জ হাটেও একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে। সেখানে মাঝারি গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি লক্ষ্য করা গেছে। তবে দিনের বৃষ্টিতে হাটে কাদা জমে যাওয়ায় ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। গরু কিনতে আসা শামীম জামান বলেন, মাঝারি গরুর দরদাম তুলনামূলক বেশি চলছে। তার মতে, আজকের বাজারে দাম কিছুটা বেশি মনে হয়েছে। যেহেতু এখনও নতুন গরু আসছে, তাই তিনি আরও একদিন পরিস্থিতি দেখে কেনার সিদ্ধান্ত নিতে চান।

বড় গরুর বাজারেও বাড়তি দাম লক্ষ্য করা গেছে। শাহজাহানপুর পশুর হাটে বড় আকারের গরুর দাম দুই লাখ টাকার ওপরে হাঁকা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। গরু দেখতে আসা জেসমিন আলম বলেন, মাঝারি ধরনের গরুর দাম এখন এক লাখ ৫০ হাজার থেকে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। অথচ গত বছর একই ধরনের গরু এক লাখ ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকার মধ্যেই পাওয়া গিয়েছিল।

তিনি আরও জানান, তুলনামূলক ছোট আকারের গরুর দামও এখন এক লাখ ৪১ থেকে ৪৫ হাজার টাকায় উঠেছে। ফলে অনেক মধ্যবিত্ত ক্রেতাকে বাড়তি চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে।

হাট ঘুরে দেখা গেছে, এখনও অনেক ক্রেতাই চূড়ান্তভাবে গরু কিনছেন না। বেশিরভাগ মানুষ একাধিক হাট ঘুরে দাম যাচাই করছেন। ব্যবসায়ীদের ধারণা, ঈদের আগের দুই থেকে তিন দিনে বেচাকেনা আরও বাড়বে এবং তখন বাজারে ভিড়ও বাড়তে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সুইডেনের স্কুলে তলোয়ার হামলা, নিহত ১৭ বছরের ছাত্রী; আহত ৩

রাজধানীর পশুর হাটে মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি, দাম নিয়ে ক্রেতাদের অসন্তোষ

০৭:১৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাটে জমে উঠতে শুরু করেছে কেনাবেচা। হাটে গরুর সরবরাহ বাড়লেও দাম নিয়ে এখনও পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন অনেক ক্রেতা। বিশেষ করে মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি থাকায় এসব গরুর দাম তুলনামূলক বেশি রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতাদের অনেকে।

রাজধানীর দিয়াবাড়ী পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর বিক্রি সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। গরু কিনতে আসা অনেকেই এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নিয়ে বাজার যাচাই করছেন। ক্রেতা জহির জানান, হাটে গরু পাওয়া যাচ্ছে ঠিকই, তবে দাম কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে। তাই তিনি আরও কয়েকদিন পরিস্থিতি দেখে পরে কেনার পরিকল্পনা করছেন।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দিয়াবাড়ী হাটে মাঝারি আকারের বেশিরভাগ গরু এক লাখ ১০ হাজার টাকা থেকে এক লাখ ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, চাহিদা বেশি থাকায় এই দামে গরু বিক্রি হচ্ছে।

তবে একই হাটে গরু কিনে সন্তোষও প্রকাশ করেছেন কিছু ক্রেতা। মো. আব্দুল দিদার নামের এক ক্রেতা জানান, নিজের সাধ্যের মধ্যেই কোরবানির গরু কিনতে পেরে তিনি সন্তুষ্ট।

রহমতগঞ্জ হাটেও একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে। সেখানে মাঝারি গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি লক্ষ্য করা গেছে। তবে দিনের বৃষ্টিতে হাটে কাদা জমে যাওয়ায় ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। গরু কিনতে আসা শামীম জামান বলেন, মাঝারি গরুর দরদাম তুলনামূলক বেশি চলছে। তার মতে, আজকের বাজারে দাম কিছুটা বেশি মনে হয়েছে। যেহেতু এখনও নতুন গরু আসছে, তাই তিনি আরও একদিন পরিস্থিতি দেখে কেনার সিদ্ধান্ত নিতে চান।

বড় গরুর বাজারেও বাড়তি দাম লক্ষ্য করা গেছে। শাহজাহানপুর পশুর হাটে বড় আকারের গরুর দাম দুই লাখ টাকার ওপরে হাঁকা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। গরু দেখতে আসা জেসমিন আলম বলেন, মাঝারি ধরনের গরুর দাম এখন এক লাখ ৫০ হাজার থেকে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। অথচ গত বছর একই ধরনের গরু এক লাখ ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকার মধ্যেই পাওয়া গিয়েছিল।

তিনি আরও জানান, তুলনামূলক ছোট আকারের গরুর দামও এখন এক লাখ ৪১ থেকে ৪৫ হাজার টাকায় উঠেছে। ফলে অনেক মধ্যবিত্ত ক্রেতাকে বাড়তি চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে।

হাট ঘুরে দেখা গেছে, এখনও অনেক ক্রেতাই চূড়ান্তভাবে গরু কিনছেন না। বেশিরভাগ মানুষ একাধিক হাট ঘুরে দাম যাচাই করছেন। ব্যবসায়ীদের ধারণা, ঈদের আগের দুই থেকে তিন দিনে বেচাকেনা আরও বাড়বে এবং তখন বাজারে ভিড়ও বাড়তে পারে।