০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
সুইডেনের স্কুলে তলোয়ার হামলা, নিহত ১৭ বছরের ছাত্রী; আহত ৩ সিঙ্গাপুরে মশা দিয়েই মশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ, ডেঙ্গু কমেছে ৮৭.৬ শতাংশ সরকার কেন এখন কলেরার টিকা দিচ্ছে? দিল্লিকে ঢাকার কঠিন শর্ত: নেপথ্যে ‘অবিশ্বাস’, নাকি সম্পর্কের ‘রিসেট’ চায় ঢাকা? মালয়েশিয়ার তালিকায় ২৫ এজেন্সি, শ্রমবাজার খোলা নিয়ে কী বলছে বাংলাদেশ সরকার ওয়াশিংটন পোস্ট: মার্কিন কংগ্রেসম্যানের ২ বছরের মেয়ের কলারবোন ভাঙার রহস্য অমীমাংসিত ভারত থেকে রপ্তানি বাড়াবে জাপানের কুবোটা, ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে দামে প্রতিযোগিতার লক্ষ্য কালিমান্তানে দাবানল ছড়িয়ে পড়ছে, বৃষ্টি না এলে বাড়তে পারে আগুন-ধোঁয়ার সংকট ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধের মধ্যে লেবাননের রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব ফেরানোর উদ্যোগে অচলাবস্থা আসাম–মেঘালয় উত্তেজনা: হামলায় জড়িত ৫ মুখোশধারী শনাক্ত, গঠিত বিশেষ তদন্ত দল

জোরপূর্বক শ্রম ইস্যুতে পদক্ষেপ না নেওয়ায় পাকিস্তানসহ ৬০ অর্থনীতির ওপর নতুন শুল্ক প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

জোরপূর্বক শ্রম প্রতিরোধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে পাকিস্তানসহ বিশ্বের প্রায় ৬০টি অর্থনীতির ওপর নতুন আমদানি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রস্তাব অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসানো হতে পারে।

মার্কিন সরকারের সাম্প্রতিক এক নথিতে এ প্রস্তাবের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এখন এটি জনমত গ্রহণের একটি পর্যায় অতিক্রম করবে। এরপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কেন এই শুল্ক প্রস্তাব

যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় জোরপূর্বক শ্রমের ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। ওয়াশিংটনের দাবি, যেসব দেশ বা অর্থনীতি শ্রম অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

US proposes new tariffs over failure to act on forced labor | Business |  Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS)

নতুন প্রস্তাব সেই নীতিরই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক বাজারে শ্রমমান উন্নত করা এবং জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের প্রবেশ নিরুৎসাহিত করা।

পাকিস্তানের জন্য সম্ভাব্য প্রভাব

পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি বাজারে প্রবেশাধিকার ধরে রাখতে চায়। নতুন শুল্ক কার্যকর হলে দেশটির বিভিন্ন রপ্তানি খাত বাড়তি চাপের মুখে পড়তে পারে।

বিশেষ করে তৈরি পোশাক, বস্ত্র এবং অন্যান্য শ্রমনির্ভর শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে রপ্তানি আয় এবং কর্মসংস্থানের ওপরও প্রভাব পড়তে পারে বলে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

Pakistan among 60 countries facing US forced labour investigations - World  - DAWN.COM

এখন কী হবে

শুল্ক প্রস্তাবটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। জনমত গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামত পর্যালোচনার পর যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবে।

এই সময়ের মধ্যে প্রভাবিত দেশগুলো নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ পাবে। পাশাপাশি শ্রম অধিকার সংক্রান্ত নীতি ও বাস্তবায়ন ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা জোরদার হতে পারে।

বিশ্ব বাণিজ্যের বর্তমান অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্পর্ক এবং রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতিগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে শ্রমমান ও সরবরাহ শৃঙ্খলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আরও বেশি চাপের মুখে পড়তে হতে পারে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

সুইডেনের স্কুলে তলোয়ার হামলা, নিহত ১৭ বছরের ছাত্রী; আহত ৩

জোরপূর্বক শ্রম ইস্যুতে পদক্ষেপ না নেওয়ায় পাকিস্তানসহ ৬০ অর্থনীতির ওপর নতুন শুল্ক প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

০১:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

জোরপূর্বক শ্রম প্রতিরোধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে পাকিস্তানসহ বিশ্বের প্রায় ৬০টি অর্থনীতির ওপর নতুন আমদানি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রস্তাব অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসানো হতে পারে।

মার্কিন সরকারের সাম্প্রতিক এক নথিতে এ প্রস্তাবের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এখন এটি জনমত গ্রহণের একটি পর্যায় অতিক্রম করবে। এরপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কেন এই শুল্ক প্রস্তাব

যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় জোরপূর্বক শ্রমের ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। ওয়াশিংটনের দাবি, যেসব দেশ বা অর্থনীতি শ্রম অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

US proposes new tariffs over failure to act on forced labor | Business |  Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS)

নতুন প্রস্তাব সেই নীতিরই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক বাজারে শ্রমমান উন্নত করা এবং জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের প্রবেশ নিরুৎসাহিত করা।

পাকিস্তানের জন্য সম্ভাব্য প্রভাব

পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি বাজারে প্রবেশাধিকার ধরে রাখতে চায়। নতুন শুল্ক কার্যকর হলে দেশটির বিভিন্ন রপ্তানি খাত বাড়তি চাপের মুখে পড়তে পারে।

বিশেষ করে তৈরি পোশাক, বস্ত্র এবং অন্যান্য শ্রমনির্ভর শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে রপ্তানি আয় এবং কর্মসংস্থানের ওপরও প্রভাব পড়তে পারে বলে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

Pakistan among 60 countries facing US forced labour investigations - World  - DAWN.COM

এখন কী হবে

শুল্ক প্রস্তাবটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। জনমত গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামত পর্যালোচনার পর যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবে।

এই সময়ের মধ্যে প্রভাবিত দেশগুলো নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ পাবে। পাশাপাশি শ্রম অধিকার সংক্রান্ত নীতি ও বাস্তবায়ন ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা জোরদার হতে পারে।

বিশ্ব বাণিজ্যের বর্তমান অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্পর্ক এবং রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতিগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে শ্রমমান ও সরবরাহ শৃঙ্খলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আরও বেশি চাপের মুখে পড়তে হতে পারে।