০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
ঘূর্ণনশীল প্লেকিউব প্রজেক্টর: হাতে ধরা বড় পর্দা জাপানের বৃহৎ পারমাণবিক পুনরারম্ভ অর্থনৈতিক অনিবার্যতা নস্টালজিয়া ও উদ্ভাবনের মিশ্রণ: গিয়ার সংবাদে ইভি, ক্যামেরা ও ঘড়ি জাতিসংঘের উচ্চ সমুদ্র চুক্তি কার্যকর, লক্ষ্য ৩০% সাগর সুরক্ষা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভুয়া ঢলে বিপাকে বিশ্ব ক্রীড়া অঙ্গন ‘রক দ্য কান্ট্রি’ ট্যুরে লুডাক্রিস বাদ: রাজনীতির উত্তাপ ফাতিমা সানা শেখের নতুন ছবির শুট শেষ, সেট থেকেই ভাগ করে নিলেন আনন্দের মুহূর্ত আমেরিকায় নতুন সুর, নতুন আত্মবিশ্বাস: ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনের এক বছরে বদলে যাওয়া রাজনীতি ও সমাজ বয়স্কদের টিকা শুধু সংক্রমণ নয়, বাঁচাচ্ছে হৃদয় ও স্মৃতিশক্তি গো খেলায় ঐতিহ্য থাকলেও ঐক্য নেই, পূর্ব এশিয়ার তিন শক্তির দ্বন্দ্বে সংকটে প্রাচীন বোর্ড খেলা

উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন

  • Sarakhon Report
  • ০৪:৩৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪
  • 180

জাফর আলম

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ইউনিট। আজ বেলা ১১টার দিকে ১৩নং ক্যাম্পের কাঁঠাল গাছতলা বাজারে অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনা ঘটে।উখিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আগুন নিয়ন্ত্রণে: উখিয়ায় বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে (ক্যাম্প-১৩) লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আজ দুপুর ১২টা ১৭ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ করে। উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আগুনে পুড়ল শতাধিক ঘর: আগুনে বসতঘর ও দোকানপাটসহ অন্তত শতাধিক স্থাপনা পুড়েছে।অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দৌজা নয়ন বলেন, বেলা সাড়ে ১১টায় উখিয়ার ১৩ নম্বর তানজিমারখোলা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কাঁঠাল গাছতলাস্থ বাজারে হঠাৎ আগুনে লাগে। এরপর মুহুর্তেই তা বাজারের অন্য দোকানপাটসহ আশপাশে ক্যাম্পের বসত ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তাৎক্ষণিক উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে খবর দেওয়া হলে প্রথমে তাদের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

পরবর্তীতে স্টেশনটির আরও একটি আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয়।ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী কর্মিরাও আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেছে।অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার বলেন, আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে খবর দেওয়ায় কক্সবাজার ও টেকনাফ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকেও। পরে ফায়ার সার্ভিসের কক্সবাজার থেকে তিনটি এবং টেকনাফ থেকে দুইটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। কিন্তু তার আগেই আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আগুন লাগার ঘটনায় বসত ঘর ও দোকানপাটসহ শতাধিক স্থাপনা সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েছে। এছাড়া আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২০ থেকে ৩০টির বেশি বসত ঘর ও অন্যান্য স্থাপনা। তবে এখনও আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।সামছু-দৌজা নয়ন বলেন, এটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা তা খতিয়ে দেখতে ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা কাজ করছে। পাশাপাশি আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণেও সংশ্লিষ্টরা কাজ অব্যাহত রেখেছে।আগুন লাগার কেউ হতাহত হয়েছে কিনা এ ব্যাপারে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘূর্ণনশীল প্লেকিউব প্রজেক্টর: হাতে ধরা বড় পর্দা

উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন

০৪:৩৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪

জাফর আলম

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ইউনিট। আজ বেলা ১১টার দিকে ১৩নং ক্যাম্পের কাঁঠাল গাছতলা বাজারে অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনা ঘটে।উখিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আগুন নিয়ন্ত্রণে: উখিয়ায় বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে (ক্যাম্প-১৩) লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আজ দুপুর ১২টা ১৭ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ করে। উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আগুনে পুড়ল শতাধিক ঘর: আগুনে বসতঘর ও দোকানপাটসহ অন্তত শতাধিক স্থাপনা পুড়েছে।অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দৌজা নয়ন বলেন, বেলা সাড়ে ১১টায় উখিয়ার ১৩ নম্বর তানজিমারখোলা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কাঁঠাল গাছতলাস্থ বাজারে হঠাৎ আগুনে লাগে। এরপর মুহুর্তেই তা বাজারের অন্য দোকানপাটসহ আশপাশে ক্যাম্পের বসত ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তাৎক্ষণিক উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে খবর দেওয়া হলে প্রথমে তাদের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

পরবর্তীতে স্টেশনটির আরও একটি আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয়।ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী কর্মিরাও আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেছে।অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার বলেন, আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে খবর দেওয়ায় কক্সবাজার ও টেকনাফ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকেও। পরে ফায়ার সার্ভিসের কক্সবাজার থেকে তিনটি এবং টেকনাফ থেকে দুইটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। কিন্তু তার আগেই আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আগুন লাগার ঘটনায় বসত ঘর ও দোকানপাটসহ শতাধিক স্থাপনা সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েছে। এছাড়া আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২০ থেকে ৩০টির বেশি বসত ঘর ও অন্যান্য স্থাপনা। তবে এখনও আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।সামছু-দৌজা নয়ন বলেন, এটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা তা খতিয়ে দেখতে ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা কাজ করছে। পাশাপাশি আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণেও সংশ্লিষ্টরা কাজ অব্যাহত রেখেছে।আগুন লাগার কেউ হতাহত হয়েছে কিনা এ ব্যাপারে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।