০৫:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশে ডিজেল সংকট, তাপপ্রবল তাপপ্রবাহ ও বোরো ধানের ভবিষ্যৎ চাঁদের চারপাশে মানুষের প্রথম যাত্রা: আর্টেমিস- ২এর নিরাপত্তার বহুস্তরীয় ব্যবস্থা ক্রেমলিনের নিয়ন্ত্রণে রাশিয়ার ইন্টারনেট: টেলিগ্রাম বন্ধের চেষ্টা জ্বালিয়ে দিলো জনরোষ ইরান–আমেরিকা যুদ্ধবিরতি আলোচনায় কঠোর অবস্থান, কূটনীতি প্রশ্নবিদ্ধ থাইল্যান্ডে ৩০০ সচিব পাঠানোর খবর মিথ্যা — সরকার বলছে প্রতিবেদন বিভ্রান্তিকর BCS স্বাস্থ্য ক্যাডারের ১ হাজার ৮২১ কর্মকর্তা পদোন্নতিবঞ্চিত, সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন হাম রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় সমন্বিত পদক্ষেপের আহ্বান, শিশুরা সবচেয়ে ঝুঁকিতে ফ্রান্সে মুসলিমদের সমাবেশ নিষিদ্ধ, নিরাপত্তা ঝুঁকি দেখিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত আইপিওতে নতুন খেলা: সূচক নীতিমালা বদলে ঝুঁকির মুখে বিনিয়োগকারীরা ইরান যুদ্ধে কুয়েতে আটকা বাংলাদেশিদের পাশে দাঁড়াল ঢাকা, মানবিক সহায়তার প্রস্তাব

উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন

  • Sarakhon Report
  • ০৪:৩৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪
  • 223

জাফর আলম

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ইউনিট। আজ বেলা ১১টার দিকে ১৩নং ক্যাম্পের কাঁঠাল গাছতলা বাজারে অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনা ঘটে।উখিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আগুন নিয়ন্ত্রণে: উখিয়ায় বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে (ক্যাম্প-১৩) লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আজ দুপুর ১২টা ১৭ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ করে। উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আগুনে পুড়ল শতাধিক ঘর: আগুনে বসতঘর ও দোকানপাটসহ অন্তত শতাধিক স্থাপনা পুড়েছে।অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দৌজা নয়ন বলেন, বেলা সাড়ে ১১টায় উখিয়ার ১৩ নম্বর তানজিমারখোলা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কাঁঠাল গাছতলাস্থ বাজারে হঠাৎ আগুনে লাগে। এরপর মুহুর্তেই তা বাজারের অন্য দোকানপাটসহ আশপাশে ক্যাম্পের বসত ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তাৎক্ষণিক উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে খবর দেওয়া হলে প্রথমে তাদের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

পরবর্তীতে স্টেশনটির আরও একটি আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয়।ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী কর্মিরাও আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেছে।অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার বলেন, আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে খবর দেওয়ায় কক্সবাজার ও টেকনাফ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকেও। পরে ফায়ার সার্ভিসের কক্সবাজার থেকে তিনটি এবং টেকনাফ থেকে দুইটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। কিন্তু তার আগেই আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আগুন লাগার ঘটনায় বসত ঘর ও দোকানপাটসহ শতাধিক স্থাপনা সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েছে। এছাড়া আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২০ থেকে ৩০টির বেশি বসত ঘর ও অন্যান্য স্থাপনা। তবে এখনও আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।সামছু-দৌজা নয়ন বলেন, এটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা তা খতিয়ে দেখতে ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা কাজ করছে। পাশাপাশি আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণেও সংশ্লিষ্টরা কাজ অব্যাহত রেখেছে।আগুন লাগার কেউ হতাহত হয়েছে কিনা এ ব্যাপারে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে ডিজেল সংকট, তাপপ্রবল তাপপ্রবাহ ও বোরো ধানের ভবিষ্যৎ

উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন

০৪:৩৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪

জাফর আলম

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ইউনিট। আজ বেলা ১১টার দিকে ১৩নং ক্যাম্পের কাঁঠাল গাছতলা বাজারে অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনা ঘটে।উখিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আগুন নিয়ন্ত্রণে: উখিয়ায় বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে (ক্যাম্প-১৩) লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আজ দুপুর ১২টা ১৭ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ করে। উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আগুনে পুড়ল শতাধিক ঘর: আগুনে বসতঘর ও দোকানপাটসহ অন্তত শতাধিক স্থাপনা পুড়েছে।অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দৌজা নয়ন বলেন, বেলা সাড়ে ১১টায় উখিয়ার ১৩ নম্বর তানজিমারখোলা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কাঁঠাল গাছতলাস্থ বাজারে হঠাৎ আগুনে লাগে। এরপর মুহুর্তেই তা বাজারের অন্য দোকানপাটসহ আশপাশে ক্যাম্পের বসত ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তাৎক্ষণিক উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে খবর দেওয়া হলে প্রথমে তাদের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

পরবর্তীতে স্টেশনটির আরও একটি আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয়।ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী কর্মিরাও আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেছে।অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার বলেন, আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে খবর দেওয়ায় কক্সবাজার ও টেকনাফ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকেও। পরে ফায়ার সার্ভিসের কক্সবাজার থেকে তিনটি এবং টেকনাফ থেকে দুইটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। কিন্তু তার আগেই আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আগুন লাগার ঘটনায় বসত ঘর ও দোকানপাটসহ শতাধিক স্থাপনা সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েছে। এছাড়া আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২০ থেকে ৩০টির বেশি বসত ঘর ও অন্যান্য স্থাপনা। তবে এখনও আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।সামছু-দৌজা নয়ন বলেন, এটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা তা খতিয়ে দেখতে ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা কাজ করছে। পাশাপাশি আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণেও সংশ্লিষ্টরা কাজ অব্যাহত রেখেছে।আগুন লাগার কেউ হতাহত হয়েছে কিনা এ ব্যাপারে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।