০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন

  • Sarakhon Report
  • ০৪:৩৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪
  • 274

জাফর আলম

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ইউনিট। আজ বেলা ১১টার দিকে ১৩নং ক্যাম্পের কাঁঠাল গাছতলা বাজারে অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনা ঘটে।উখিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আগুন নিয়ন্ত্রণে: উখিয়ায় বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে (ক্যাম্প-১৩) লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আজ দুপুর ১২টা ১৭ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ করে। উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আগুনে পুড়ল শতাধিক ঘর: আগুনে বসতঘর ও দোকানপাটসহ অন্তত শতাধিক স্থাপনা পুড়েছে।অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দৌজা নয়ন বলেন, বেলা সাড়ে ১১টায় উখিয়ার ১৩ নম্বর তানজিমারখোলা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কাঁঠাল গাছতলাস্থ বাজারে হঠাৎ আগুনে লাগে। এরপর মুহুর্তেই তা বাজারের অন্য দোকানপাটসহ আশপাশে ক্যাম্পের বসত ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তাৎক্ষণিক উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে খবর দেওয়া হলে প্রথমে তাদের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

পরবর্তীতে স্টেশনটির আরও একটি আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয়।ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী কর্মিরাও আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেছে।অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার বলেন, আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে খবর দেওয়ায় কক্সবাজার ও টেকনাফ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকেও। পরে ফায়ার সার্ভিসের কক্সবাজার থেকে তিনটি এবং টেকনাফ থেকে দুইটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। কিন্তু তার আগেই আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আগুন লাগার ঘটনায় বসত ঘর ও দোকানপাটসহ শতাধিক স্থাপনা সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েছে। এছাড়া আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২০ থেকে ৩০টির বেশি বসত ঘর ও অন্যান্য স্থাপনা। তবে এখনও আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।সামছু-দৌজা নয়ন বলেন, এটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা তা খতিয়ে দেখতে ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা কাজ করছে। পাশাপাশি আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণেও সংশ্লিষ্টরা কাজ অব্যাহত রেখেছে।আগুন লাগার কেউ হতাহত হয়েছে কিনা এ ব্যাপারে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন

০৪:৩৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪

জাফর আলম

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ইউনিট। আজ বেলা ১১টার দিকে ১৩নং ক্যাম্পের কাঁঠাল গাছতলা বাজারে অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনা ঘটে।উখিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আগুন নিয়ন্ত্রণে: উখিয়ায় বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে (ক্যাম্প-১৩) লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আজ দুপুর ১২টা ১৭ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ করে। উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আগুনে পুড়ল শতাধিক ঘর: আগুনে বসতঘর ও দোকানপাটসহ অন্তত শতাধিক স্থাপনা পুড়েছে।অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দৌজা নয়ন বলেন, বেলা সাড়ে ১১টায় উখিয়ার ১৩ নম্বর তানজিমারখোলা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কাঁঠাল গাছতলাস্থ বাজারে হঠাৎ আগুনে লাগে। এরপর মুহুর্তেই তা বাজারের অন্য দোকানপাটসহ আশপাশে ক্যাম্পের বসত ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তাৎক্ষণিক উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে খবর দেওয়া হলে প্রথমে তাদের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

পরবর্তীতে স্টেশনটির আরও একটি আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয়।ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী কর্মিরাও আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেছে।অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার বলেন, আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে খবর দেওয়ায় কক্সবাজার ও টেকনাফ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকেও। পরে ফায়ার সার্ভিসের কক্সবাজার থেকে তিনটি এবং টেকনাফ থেকে দুইটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। কিন্তু তার আগেই আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আগুন লাগার ঘটনায় বসত ঘর ও দোকানপাটসহ শতাধিক স্থাপনা সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েছে। এছাড়া আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২০ থেকে ৩০টির বেশি বসত ঘর ও অন্যান্য স্থাপনা। তবে এখনও আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।সামছু-দৌজা নয়ন বলেন, এটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা তা খতিয়ে দেখতে ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা কাজ করছে। পাশাপাশি আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণেও সংশ্লিষ্টরা কাজ অব্যাহত রেখেছে।আগুন লাগার কেউ হতাহত হয়েছে কিনা এ ব্যাপারে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।