০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কারাগার যখন রাজনৈতিক অস্ত্র: রাশিয়ায় ভয় ও নীরবতার রাজনীতি জাতিসংঘ অধিবেশনে গাজা শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আহ্বান পাকিস্তানের থার্ড পার্টি অ্যাপ হ্যাক করে বিগকমার্সের ক্রেতাদের তথ্য ফাঁস ইসলামাবাদে পিটিআই নেতাদের বাড়িতে অভিযানের অভিযোগ, এসএসপিকে তলব হাইকোর্টের পোলিও টিকাদান দলের নিরাপত্তায় হামলা, বেলুচিস্তানে ২ পুলিশ সদস্য নিহত ইরান-যুক্তরাষ্ট্রে আবারও আলোচনার ইঙ্গিত, জাতিসংঘ অধিবেশনকে ‘সোনালি সুযোগ’ বলছে তেহরান সিঁড়ি ভাঙার এই সহজ অভ্যাসই বাড়াতে পারে আয়ু, বলছেন চিকিৎসকেরা বিগ ফার্মার প্রবৃদ্ধির সংকট, সমাধান হতে পারে ঝুঁকিপূর্ণ অধিগ্রহণ ইয়েমেনের হুথিদের চাপে সৌদি আরব: তেলের পথ থেকে বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন ঝুঁকি শরীর নিয়ে অসন্তুষ্টি নয়, নিজেকে ভালোবাসার ১০ উপায়

শাহ মাহমুদ কোরেশি খালাস, ৯ মে মামলায় ইয়াসমিন রশিদসহ চার পিটিআই নেতা ১০ বছরের কারাদণ্ড

পাকিস্তানের ৯ মে ২০২৩ সালের সহিংসতা-সংক্রান্ত একটি মামলায় দেশটির সন্ত্রাসবিরোধী আদালত (এটিসি) পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চার জ্যেষ্ঠ নেতাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশিকে সব অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

শনিবার লাহোরের কোট লাখপত কারাগারে স্থাপিত আদালতে এটিসির বিচারক মানজার আলী গুল সংরক্ষিত রায় ঘোষণা করেন। মামলাটি ২০২৩ সালের ৯ মে বিক্ষোভের সময় পুলিশি যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা হয়েছিল।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চার নেতা হলেন ডা. ইয়াসমিন রশিদ, ওমর সরফরাজ চিমা, মাহমুদ উর রশিদ এবং এজাজ চৌধুরী। তারা সবাই পিটিআইয়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে পরিচিত।

মামলার পটভূমি

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় মোট ২২ জনকে আসামি করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে শাহ মাহমুদ কোরেশি, ডা. ইয়াসমিন রশিদ ও এজাজ চৌধুরীসহ পিটিআইয়ের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা ছিলেন।

চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রায় সংরক্ষণ করেন। মামলার বিচারকাজ চলাকালে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ৩৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। পরে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হলে আদালত রায় ঘোষণার জন্য দিন নির্ধারণ করেন।

পিটিআইয়ের জন্য নতুন ধাক্কা

সাম্প্রতিক এই রায় ইমরান খান প্রতিষ্ঠিত পিটিআইয়ের জন্য নতুন আইনি চাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ৯ মে-সংক্রান্ত বিভিন্ন মামলায় ইতোমধ্যে দলটির বহু নেতা ও কর্মী সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানসহ আরও অনেক নেতা বিভিন্ন মামলায় এখনো কারাগারে রয়েছেন।

ডা. ইয়াসমিন রশিদ, ওমর সরফরাজ চিমা এবং এজাজ চৌধুরী এর আগেও ৯ মে-সংক্রান্ত অন্য কয়েকটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

কেন শুরু হয়েছিল ৯ মে’র সহিংসতা

২০২৩ সালের ৯ মে দুর্নীতির একটি মামলায় ইসলামাবাদ হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করা হলে দেশজুড়ে তার সমর্থকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে হাজার হাজার সমর্থক রাস্তায় নেমে আসেন এবং বিভিন্ন সরকারি ও সামরিক স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটে।

লাহোরে কর্পস কমান্ডারের বাসভবনসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়। এছাড়া রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জেনারেল হেডকোয়ার্টার্স (জিএইচকিউ) এলাকাও বিক্ষোভকারীদের আক্রমণের মুখে পড়ে।

পরবর্তীতে সহিংসতার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পিটিআইয়ের বহু নেতা ও কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে কেউ কেউ জামিনে মুক্তি পেলেও অনেকে এখনো কারাগারে রয়েছেন।

পাকিস্তানে ৯ মে মামলার রায়: চার পিটিআই নেতার ১০ বছরের কারাদণ্ড, কোরেশি খালাস

পাকিস্তানের ৯ মে সহিংসতা-সংক্রান্ত মামলায় চার পিটিআই নেতাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং শাহ মাহমুদ কোরেশির খালাসের রায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

কারাগার যখন রাজনৈতিক অস্ত্র: রাশিয়ায় ভয় ও নীরবতার রাজনীতি

শাহ মাহমুদ কোরেশি খালাস, ৯ মে মামলায় ইয়াসমিন রশিদসহ চার পিটিআই নেতা ১০ বছরের কারাদণ্ড

০৭:৫৪:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

পাকিস্তানের ৯ মে ২০২৩ সালের সহিংসতা-সংক্রান্ত একটি মামলায় দেশটির সন্ত্রাসবিরোধী আদালত (এটিসি) পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চার জ্যেষ্ঠ নেতাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশিকে সব অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

শনিবার লাহোরের কোট লাখপত কারাগারে স্থাপিত আদালতে এটিসির বিচারক মানজার আলী গুল সংরক্ষিত রায় ঘোষণা করেন। মামলাটি ২০২৩ সালের ৯ মে বিক্ষোভের সময় পুলিশি যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা হয়েছিল।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চার নেতা হলেন ডা. ইয়াসমিন রশিদ, ওমর সরফরাজ চিমা, মাহমুদ উর রশিদ এবং এজাজ চৌধুরী। তারা সবাই পিটিআইয়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে পরিচিত।

মামলার পটভূমি

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় মোট ২২ জনকে আসামি করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে শাহ মাহমুদ কোরেশি, ডা. ইয়াসমিন রশিদ ও এজাজ চৌধুরীসহ পিটিআইয়ের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা ছিলেন।

চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রায় সংরক্ষণ করেন। মামলার বিচারকাজ চলাকালে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ৩৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। পরে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হলে আদালত রায় ঘোষণার জন্য দিন নির্ধারণ করেন।

পিটিআইয়ের জন্য নতুন ধাক্কা

সাম্প্রতিক এই রায় ইমরান খান প্রতিষ্ঠিত পিটিআইয়ের জন্য নতুন আইনি চাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ৯ মে-সংক্রান্ত বিভিন্ন মামলায় ইতোমধ্যে দলটির বহু নেতা ও কর্মী সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানসহ আরও অনেক নেতা বিভিন্ন মামলায় এখনো কারাগারে রয়েছেন।

ডা. ইয়াসমিন রশিদ, ওমর সরফরাজ চিমা এবং এজাজ চৌধুরী এর আগেও ৯ মে-সংক্রান্ত অন্য কয়েকটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

কেন শুরু হয়েছিল ৯ মে’র সহিংসতা

২০২৩ সালের ৯ মে দুর্নীতির একটি মামলায় ইসলামাবাদ হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করা হলে দেশজুড়ে তার সমর্থকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে হাজার হাজার সমর্থক রাস্তায় নেমে আসেন এবং বিভিন্ন সরকারি ও সামরিক স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটে।

লাহোরে কর্পস কমান্ডারের বাসভবনসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়। এছাড়া রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জেনারেল হেডকোয়ার্টার্স (জিএইচকিউ) এলাকাও বিক্ষোভকারীদের আক্রমণের মুখে পড়ে।

পরবর্তীতে সহিংসতার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পিটিআইয়ের বহু নেতা ও কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে কেউ কেউ জামিনে মুক্তি পেলেও অনেকে এখনো কারাগারে রয়েছেন।

পাকিস্তানে ৯ মে মামলার রায়: চার পিটিআই নেতার ১০ বছরের কারাদণ্ড, কোরেশি খালাস

পাকিস্তানের ৯ মে সহিংসতা-সংক্রান্ত মামলায় চার পিটিআই নেতাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং শাহ মাহমুদ কোরেশির খালাসের রায়।