১১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬
নিয়ন্ত্রণ নয়, রাজনৈতিক বাজি: ট্রাম্পের ইয়েন নীতির আসল হিসাব হাসিনার নির্দেশেই সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম, টিএফআই সেলে নির্যাতনের তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য মোদি-যোগী বৈঠকে ২০২৭ উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন: অযোধ্যা, পরীক্ষার ফাঁস ও তরুণদের ক্ষোভে চাপে বিজেপি ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজছেন ট্রাম্পের শীর্ষ জেনারেল, বড় হামলা নিয়ে মার্কিন প্রশাসনে উদ্বেগ ইরানের হামলায় হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকারে আগুন, ওমানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্তের পথে ভারতে ইউপিআই লেনদেন থাকবে বিনা খরচে, সীমিত ব্যবসায়িক পেমেন্টে বসতে পারে নামমাত্র ফি ‘ডিগ্রির কোনো মূল্য নেই’ ভারতে, তরুণদের ‘দুঃখ-তথ্য-সম্পদ’ নিয়ে রাহুল গান্ধীর বিস্ফোরক বক্তব্য চীনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দাপট, মানুষের চাকরি কি রোবটের দখলে যাচ্ছে? হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে: ইসলামী আন্দোলন নেতা পাকিস্তানে জামায়াতের দেশব্যাপী বিক্ষোভ, মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানি দামের প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ

নর্থ সাগরের তেল-গ্যাস, রাজনৈতিক দ্বিধা এবং এসএনপির ক্রমবর্ধমান সংকট

স্কটল্যান্ডের ক্ষমতাসীন দল এসএনপি সাম্প্রতিক নির্বাচনে সরকার গঠন করতে সক্ষম হলেও সেই বিজয়ের ভেতরে আত্মবিশ্বাসের চেয়ে ক্লান্তি ও অনিশ্চয়তার ছাপই বেশি স্পষ্ট। জন সুইনির নেতৃত্বে দলটি এখন এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি, যেখানে একক কোনো সংকট নয়, বরং একাধিক রাজনৈতিক ও নীতিগত সমস্যার সম্মিলিত প্রভাব সরকারের গ্রহণযোগ্যতাকে ক্ষয় করছে।

নির্বাচনী ফলাফল কাগজে-কলমে এসএনপির পক্ষে গেলেও ভোটারদের উৎসাহ যে আগের মতো নেই, তা স্পষ্ট। স্কটল্যান্ডের মানুষ এখনো দলটিকে ক্ষমতায় রাখছে মূলত বিকল্প শক্তিগুলোর দুর্বলতার কারণে। কিন্তু এই অবস্থান দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। জনগণ কোনো সরকারকে অনন্তকাল কেবল অভ্যাসবশত মেনে নেয় না; শেষ পর্যন্ত তাদের প্রয়োজন আস্থা, স্পষ্টতা এবং নেতৃত্বের দৃঢ়তা।

বিশ্বাসের সংকট

এসএনপির জন্য সবচেয়ে অস্বস্তিকর বিষয়গুলোর একটি হলো সাবেক প্রধান নির্বাহী পিটার মুরেলের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা। এটি কেবল একজন ব্যক্তির অপরাধের প্রশ্ন নয়; বরং দলীয় কাঠামো, জবাবদিহি এবং নেতৃত্বের সংস্কৃতি নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

জন সুইনি ব্যক্তিগতভাবে এ ঘটনার জন্য দায়ী নন। কিন্তু দল কীভাবে বছরের পর বছর এমন পরিস্থিতি চলতে দিল, সেই প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে ব্যর্থ হওয়া তার রাজনৈতিক দায়কে বাড়িয়ে তুলেছে। জনগণ প্রায়ই ভুল ক্ষমা করে, কিন্তু গোপনীয়তা বা দায় এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা সহজে ক্ষমা করে না।

রাজনীতিতে আস্থা পুনর্গঠনের প্রথম শর্ত হলো স্বচ্ছতা। অথচ এসএনপি সেই পথেই সবচেয়ে বেশি অনাগ্রহী বলে মনে হচ্ছে।

লিঙ্গনীতি ও আদালতের ধাক্কা

সরকারের আরেকটি বড় দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে আদালতে ধারাবাহিক পরাজয়ের মাধ্যমে। নারী অধিকারকেন্দ্রিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে সংঘাতে স্কটিশ সরকার এমন কিছু অবস্থান নিয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত আদালতের কাছে টেকেনি।

এখানে মূল প্রশ্ন শুধু আইনগত নয়; রাজনৈতিকও বটে। একটি সরকার যদি বারবার আদালতে পরাজিত হয় এবং তবু নিজের অবস্থানের যৌক্তিকতা স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করতে না পারে, তাহলে সাধারণ মানুষের কাছে তার বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নীতিগত বিতর্ক গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ। কিন্তু যখন সরকার সমালোচকদের সঙ্গে খোলামেলা সংলাপের পরিবর্তে দূরত্ব বজায় রাখে, তখন বিরোধিতা আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

আবারও তেল-গ্যাসের রাজনীতি

তবে এসএনপির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সমস্যাটি সম্ভবত নর্থ সাগরের তেল ও গ্যাস ঘিরে।

আবারডিন অঞ্চলের সাম্প্রতিক উপনির্বাচন দেখিয়েছে, এই প্রশ্নে ভোটারদের উদ্বেগকে অবহেলা করা সম্ভব নয়। তেল-গ্যাস শিল্প বহু দশক ধরে ওই অঞ্চলের অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু। অথচ এসএনপি এবং লেবার—উভয় দলই এমন অবস্থান নিয়েছে, যা স্থানীয় অনেক ভোটারের কাছে অস্পষ্ট, দ্বিধাগ্রস্ত এবং বাস্তবতা-বিচ্ছিন্ন বলে মনে হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু একই সঙ্গে এটাও সত্য যে ব্রিটেন এখনো জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল। দেশীয় উৎপাদন কমিয়ে বিদেশ থেকে একই ধরনের জ্বালানি আমদানি করা পরিবেশগত বা অর্থনৈতিক—কোনো দৃষ্টিকোণ থেকেই খুব শক্তিশালী যুক্তি তৈরি করে না।

এখানেই এসএনপির সংকট সবচেয়ে প্রকট। দলটি একদিকে উত্তর-পূর্ব স্কটল্যান্ডের তেল-গ্যাস নির্ভর অর্থনীতির প্রতি সহানুভূতিশীল বার্তা দিতে চায়, অন্যদিকে পরিবেশবাদী ভোটারদেরও সন্তুষ্ট রাখতে চায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে দুই বিপরীত অবস্থান একসঙ্গে ধরে রাখা সম্ভব নয়।

নেতৃত্বের আসল পরীক্ষা

রাজনীতিতে সব প্রশ্নের জনপ্রিয় উত্তর থাকে না। কখনো কখনো নেতৃত্বের অর্থই হলো কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং সেই সিদ্ধান্তের পক্ষে দাঁড়ানো। ভোটাররা এমন নেতাকেও সম্মান করতে পারে যার সঙ্গে তারা একমত নয়। কিন্তু তারা সাধারণত এমন নেতৃত্বকে পছন্দ করে না, যে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে স্পষ্ট অবস্থান নিতে এড়িয়ে যায়।

জন সুইনি এমন এক সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছেন, যার সামনে অর্থনৈতিক চাপ, ব্যয়ের সংকট এবং রাজনৈতিক বিভাজন—সবই রয়েছে। কিন্তু সেই বাস্তবতা তার দায়িত্বকে কমায় না। বরং নতুন নেতৃত্বের প্রধান কাজ হওয়া উচিত ছিল একটি পরিষ্কার দিকনির্দেশনা দেওয়া।

এখন পর্যন্ত সেই দিকনির্দেশনা দৃশ্যমান নয়। ফলে সরকারের ভেতরে এক ধরনের ভাসমানতা তৈরি হয়েছে, যা নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরই ক্লান্তি ও অবক্ষয়ের অনুভূতি সৃষ্টি করছে।

আগামী মাসগুলোতে স্কটল্যান্ডের আর্থিক বাস্তবতা আরও কঠিন হয়ে উঠবে। ব্যয় ও আয়ের ব্যবধান কমাতে হলে অপ্রীতিকর সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সেই পরিস্থিতিতে একটি সরকার যদি আগে থেকেই বিশ্বাসযোগ্যতার সংকটে ভোগে, তাহলে সামনে পথ আরও কঠিন হয়ে যায়।

এসএনপির সমস্যা কোনো একক কেলেঙ্কারি, আদালতের রায় বা উপনির্বাচনের পরাজয়ে সীমাবদ্ধ নয়। আসল সমস্যা হলো—দলটি এখনো নির্ধারণ করতে পারেনি, ভবিষ্যতের স্কটল্যান্ড সম্পর্কে তার স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান কী। আর সেই অনিশ্চয়তাই আজ তাদের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিয়ন্ত্রণ নয়, রাজনৈতিক বাজি: ট্রাম্পের ইয়েন নীতির আসল হিসাব

নর্থ সাগরের তেল-গ্যাস, রাজনৈতিক দ্বিধা এবং এসএনপির ক্রমবর্ধমান সংকট

০৩:২৪:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

স্কটল্যান্ডের ক্ষমতাসীন দল এসএনপি সাম্প্রতিক নির্বাচনে সরকার গঠন করতে সক্ষম হলেও সেই বিজয়ের ভেতরে আত্মবিশ্বাসের চেয়ে ক্লান্তি ও অনিশ্চয়তার ছাপই বেশি স্পষ্ট। জন সুইনির নেতৃত্বে দলটি এখন এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি, যেখানে একক কোনো সংকট নয়, বরং একাধিক রাজনৈতিক ও নীতিগত সমস্যার সম্মিলিত প্রভাব সরকারের গ্রহণযোগ্যতাকে ক্ষয় করছে।

নির্বাচনী ফলাফল কাগজে-কলমে এসএনপির পক্ষে গেলেও ভোটারদের উৎসাহ যে আগের মতো নেই, তা স্পষ্ট। স্কটল্যান্ডের মানুষ এখনো দলটিকে ক্ষমতায় রাখছে মূলত বিকল্প শক্তিগুলোর দুর্বলতার কারণে। কিন্তু এই অবস্থান দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। জনগণ কোনো সরকারকে অনন্তকাল কেবল অভ্যাসবশত মেনে নেয় না; শেষ পর্যন্ত তাদের প্রয়োজন আস্থা, স্পষ্টতা এবং নেতৃত্বের দৃঢ়তা।

বিশ্বাসের সংকট

এসএনপির জন্য সবচেয়ে অস্বস্তিকর বিষয়গুলোর একটি হলো সাবেক প্রধান নির্বাহী পিটার মুরেলের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা। এটি কেবল একজন ব্যক্তির অপরাধের প্রশ্ন নয়; বরং দলীয় কাঠামো, জবাবদিহি এবং নেতৃত্বের সংস্কৃতি নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

জন সুইনি ব্যক্তিগতভাবে এ ঘটনার জন্য দায়ী নন। কিন্তু দল কীভাবে বছরের পর বছর এমন পরিস্থিতি চলতে দিল, সেই প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে ব্যর্থ হওয়া তার রাজনৈতিক দায়কে বাড়িয়ে তুলেছে। জনগণ প্রায়ই ভুল ক্ষমা করে, কিন্তু গোপনীয়তা বা দায় এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা সহজে ক্ষমা করে না।

রাজনীতিতে আস্থা পুনর্গঠনের প্রথম শর্ত হলো স্বচ্ছতা। অথচ এসএনপি সেই পথেই সবচেয়ে বেশি অনাগ্রহী বলে মনে হচ্ছে।

লিঙ্গনীতি ও আদালতের ধাক্কা

সরকারের আরেকটি বড় দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে আদালতে ধারাবাহিক পরাজয়ের মাধ্যমে। নারী অধিকারকেন্দ্রিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে সংঘাতে স্কটিশ সরকার এমন কিছু অবস্থান নিয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত আদালতের কাছে টেকেনি।

এখানে মূল প্রশ্ন শুধু আইনগত নয়; রাজনৈতিকও বটে। একটি সরকার যদি বারবার আদালতে পরাজিত হয় এবং তবু নিজের অবস্থানের যৌক্তিকতা স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করতে না পারে, তাহলে সাধারণ মানুষের কাছে তার বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নীতিগত বিতর্ক গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ। কিন্তু যখন সরকার সমালোচকদের সঙ্গে খোলামেলা সংলাপের পরিবর্তে দূরত্ব বজায় রাখে, তখন বিরোধিতা আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

আবারও তেল-গ্যাসের রাজনীতি

তবে এসএনপির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সমস্যাটি সম্ভবত নর্থ সাগরের তেল ও গ্যাস ঘিরে।

আবারডিন অঞ্চলের সাম্প্রতিক উপনির্বাচন দেখিয়েছে, এই প্রশ্নে ভোটারদের উদ্বেগকে অবহেলা করা সম্ভব নয়। তেল-গ্যাস শিল্প বহু দশক ধরে ওই অঞ্চলের অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু। অথচ এসএনপি এবং লেবার—উভয় দলই এমন অবস্থান নিয়েছে, যা স্থানীয় অনেক ভোটারের কাছে অস্পষ্ট, দ্বিধাগ্রস্ত এবং বাস্তবতা-বিচ্ছিন্ন বলে মনে হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু একই সঙ্গে এটাও সত্য যে ব্রিটেন এখনো জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল। দেশীয় উৎপাদন কমিয়ে বিদেশ থেকে একই ধরনের জ্বালানি আমদানি করা পরিবেশগত বা অর্থনৈতিক—কোনো দৃষ্টিকোণ থেকেই খুব শক্তিশালী যুক্তি তৈরি করে না।

এখানেই এসএনপির সংকট সবচেয়ে প্রকট। দলটি একদিকে উত্তর-পূর্ব স্কটল্যান্ডের তেল-গ্যাস নির্ভর অর্থনীতির প্রতি সহানুভূতিশীল বার্তা দিতে চায়, অন্যদিকে পরিবেশবাদী ভোটারদেরও সন্তুষ্ট রাখতে চায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে দুই বিপরীত অবস্থান একসঙ্গে ধরে রাখা সম্ভব নয়।

নেতৃত্বের আসল পরীক্ষা

রাজনীতিতে সব প্রশ্নের জনপ্রিয় উত্তর থাকে না। কখনো কখনো নেতৃত্বের অর্থই হলো কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং সেই সিদ্ধান্তের পক্ষে দাঁড়ানো। ভোটাররা এমন নেতাকেও সম্মান করতে পারে যার সঙ্গে তারা একমত নয়। কিন্তু তারা সাধারণত এমন নেতৃত্বকে পছন্দ করে না, যে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে স্পষ্ট অবস্থান নিতে এড়িয়ে যায়।

জন সুইনি এমন এক সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছেন, যার সামনে অর্থনৈতিক চাপ, ব্যয়ের সংকট এবং রাজনৈতিক বিভাজন—সবই রয়েছে। কিন্তু সেই বাস্তবতা তার দায়িত্বকে কমায় না। বরং নতুন নেতৃত্বের প্রধান কাজ হওয়া উচিত ছিল একটি পরিষ্কার দিকনির্দেশনা দেওয়া।

এখন পর্যন্ত সেই দিকনির্দেশনা দৃশ্যমান নয়। ফলে সরকারের ভেতরে এক ধরনের ভাসমানতা তৈরি হয়েছে, যা নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরই ক্লান্তি ও অবক্ষয়ের অনুভূতি সৃষ্টি করছে।

আগামী মাসগুলোতে স্কটল্যান্ডের আর্থিক বাস্তবতা আরও কঠিন হয়ে উঠবে। ব্যয় ও আয়ের ব্যবধান কমাতে হলে অপ্রীতিকর সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সেই পরিস্থিতিতে একটি সরকার যদি আগে থেকেই বিশ্বাসযোগ্যতার সংকটে ভোগে, তাহলে সামনে পথ আরও কঠিন হয়ে যায়।

এসএনপির সমস্যা কোনো একক কেলেঙ্কারি, আদালতের রায় বা উপনির্বাচনের পরাজয়ে সীমাবদ্ধ নয়। আসল সমস্যা হলো—দলটি এখনো নির্ধারণ করতে পারেনি, ভবিষ্যতের স্কটল্যান্ড সম্পর্কে তার স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান কী। আর সেই অনিশ্চয়তাই আজ তাদের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ।