১২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
ভারতের ডিপটেক স্টার্টআপের যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি, ঝুঁকিপূর্ণ উদ্ভাবনে পিছিয়ে থাকার অভিযোগ স্বল্প বাজেটের সিনেমাতেই মন, বড় ছবিকে ‘৪০-৫০ দিনের পিকনিক’ বললেন মনোজ বাজপেয়ী মুম্বাইয়ে পানির সংকট: জলকষ্টের মাঝেও থামছে না আবাসন নির্মাণ, সামনে বড় চ্যালেঞ্জ শশী থারুরের কাশ্মীর সফর ঘিরে কংগ্রেসে নতুন বিতর্ক, দলীয় নেতাদের ক্ষোভ প্রকাশ ইসলামাবাদের ‘চিতাবাঘ রাজকন্যা’: শহরের পাশের পাহাড়ে বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের এক বিস্ময়কর গল্প সৌদি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ৪ লাখ দক্ষ কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য পাকিস্তানের করাচিতে ইমামবাড়ার বাইরে শোকের তাঁবুতে গাড়ির ধাক্কা, আহত ১৪ পাকিস্তানের ফুটবলের ভবিষ্যৎ: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও নতুন পথের সন্ধান পাকিস্তানে জ্বালানির দাম কমানো নিয়ে তেল খাতের ক্ষোভ, ১০৫ বিলিয়ন রুপি ক্ষতির আশঙ্কা জ্বালানি তেলের দাম কমলেও করের বোঝা কমেনি, পেট্রোল-ডিজেলে এখনও ২৯ শতাংশ কর

শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ কি শুধু নীতির বিরুদ্ধে, নাকি রাষ্ট্রের গতিপথ নিয়ে?

ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন শহরে সাম্প্রতিক ছাত্র বিক্ষোভকে কেবল কয়েকটি সরকারি কর্মসূচির বিরুদ্ধে অসন্তোষ হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এই আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছে আরও বড় একটি প্রশ্ন—রাষ্ট্র পরিচালনার ভারসাম্য কোথায় যাচ্ছে, নাগরিক কর্তৃত্ব কতটা অক্ষুণ্ণ আছে, এবং জনসম্পদের ব্যবহার কতটা জনগণের প্রকৃত প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

রাজধানী জাকার্তার বাইরে মেদান, বান্দুং, যোগ্যাকার্তা ও মাকাসারের মতো শহরগুলোতে শিক্ষার্থীরা যে দাবিগুলো তুলেছে, সেগুলোর মধ্যে বৈচিত্র্য থাকলেও একটি সাধারণ সূত্র স্পষ্ট। তারা মনে করছে, সরকারের সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপ রাষ্ট্রের বেসামরিক চরিত্রকে দুর্বল করছে এবং একই সঙ্গে অর্থনৈতিক অগ্রাধিকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

বিশেষত সামরিক বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, জাতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনী ধীরে ধীরে এমন সব ক্ষেত্রে জড়িয়ে পড়ছে, যেগুলো মূলত বেসামরিক প্রশাসনের আওতাভুক্ত। পুষ্টিকর খাবার কর্মসূচি, কমিউনিটি স্কুল কিংবা গ্রামীণ সমবায় প্রকল্পে সামরিক সম্পৃক্ততাকে তারা শুধু প্রশাসনিক সহযোগিতা হিসেবে দেখছে না; বরং এটিকে রাষ্ট্রের ক্ষমতার কাঠামোতে এক ধরনের পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করছে।

Student protests and the quiet militarization of the civilian sphere -  Academia - The Jakarta Post

এই উদ্বেগের পেছনে ইতিহাসও কাজ করছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বহু দেশের মতো ইন্দোনেশিয়াও দীর্ঘ সময় সামরিক প্রভাবের রাজনৈতিক বাস্তবতা দেখেছে। ফলে সামরিক প্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক সীমারেখা নিয়ে সমাজে সংবেদনশীলতা স্বাভাবিকভাবেই বেশি। যখন সরকারি কর্মসূচির নেতৃত্বে বা ব্যবস্থাপনায় সামরিক প্রশিক্ষণকে বাধ্যতামূলক করা হয়, তখন অনেকের কাছে তা কেবল দক্ষতা উন্নয়নের বিষয় থাকে না; বরং রাষ্ট্র ও নাগরিক সমাজের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে।

তবে এই বিক্ষোভকে শুধুমাত্র সামরিক-বেসামরিক বিতর্কে সীমাবদ্ধ রাখলে পূর্ণ চিত্র পাওয়া যাবে না। অর্থনৈতিক অসন্তোষও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীরা জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, রুপিয়াহর বিনিময় হার নিয়ে অস্থিরতা এবং ব্যয়বহুল সরকারি প্রকল্পের সমালোচনা করছে। তাদের বক্তব্য, যখন সাধারণ মানুষ জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে, তখন রাষ্ট্রের প্রতিটি ব্যয়কে কঠোরভাবে জনস্বার্থের মানদণ্ডে বিচার করা উচিত।

এখানেই বিনামূল্যের পুষ্টিকর খাবার কর্মসূচি কিংবা অন্যান্য উচ্চাভিলাষী প্রকল্পকে ঘিরে বিতর্কের জন্ম। সরকার এগুলোকে সামাজিক বিনিয়োগ হিসেবে তুলে ধরছে, কিন্তু সমালোচকেরা জানতে চাইছেন—এসব প্রকল্পের ব্যয়, কার্যকারিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল কি যথেষ্টভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে? উন্নয়নের নামে বড় কর্মসূচি গ্রহণ করা সহজ, কিন্তু সীমিত সম্পদের দেশে প্রতিটি সিদ্ধান্তের একটি সুযোগব্যয় থাকে। সেই অর্থ স্বাস্থ্য, শিক্ষা বা অন্য কোনো জরুরি খাতে ব্যয় করা যেত কি না, সেই প্রশ্নও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

Growing discontent with policymaking keeps Indonesian students on streets –  Asia News Network

শিক্ষার্থীদের দাবির আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো গণতান্ত্রিক জবাবদিহি। তারা শুধু নির্দিষ্ট আইন বা নীতির সমালোচনা করছে না; বরং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। নতুন আইন প্রণয়ন, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বেসামরিক পদে নিয়োগ কিংবা বড় অর্থনৈতিক কর্মসূচি—এসব বিষয়ে জনপরামর্শ ও জনআলোচনার ঘাটতি রয়েছে বলে তাদের অভিযোগ।

এই অবস্থায় সরকার যদি বিক্ষোভকে কেবল রাজনৈতিক বিরোধিতা হিসেবে দেখার চেষ্টা করে, তাহলে তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে। কারণ আন্দোলনের ভাষায় আদর্শিক বৈচিত্র্য থাকলেও এর কেন্দ্রে রয়েছে রাষ্ট্রের চরিত্র, অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার এবং গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ নিয়ে মৌলিক উদ্বেগ। এসব প্রশ্নকে উপেক্ষা করা সম্ভব হলেও সেগুলোকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের শক্তি শুধু নির্বাচনে নয়; বরং ভিন্নমতকে গ্রহণ করার সক্ষমতায়ও নিহিত। শিক্ষার্থীদের সব দাবি বাস্তবসম্মত নাও হতে পারে, কিছু প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক থাকতেই পারে। কিন্তু তারা যে প্রশ্নগুলো তুলছে, সেগুলো রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সুযোগ তৈরি করছে।

ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি তাই কেবল ছাত্র আন্দোলনের গল্প নয়। এটি এমন এক মুহূর্ত, যখন দেশের তরুণ প্রজন্ম জানতে চাইছে—রাষ্ট্র কি আরও বেশি বেসামরিক, আরও বেশি জবাবদিহিমূলক এবং আরও বেশি জনমুখী হবে, নাকি ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন ও ব্যয়বহুল রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগই ভবিষ্যতের পথ নির্ধারণ করবে? সেই প্রশ্নের উত্তরই শেষ পর্যন্ত এই বিক্ষোভগুলোর প্রকৃত তাৎপর্য নির্ধারণ করবে।

Indonesian students protest economic strain | Arab News

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের ডিপটেক স্টার্টআপের যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি, ঝুঁকিপূর্ণ উদ্ভাবনে পিছিয়ে থাকার অভিযোগ

শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ কি শুধু নীতির বিরুদ্ধে, নাকি রাষ্ট্রের গতিপথ নিয়ে?

১০:৪৮:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন শহরে সাম্প্রতিক ছাত্র বিক্ষোভকে কেবল কয়েকটি সরকারি কর্মসূচির বিরুদ্ধে অসন্তোষ হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এই আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছে আরও বড় একটি প্রশ্ন—রাষ্ট্র পরিচালনার ভারসাম্য কোথায় যাচ্ছে, নাগরিক কর্তৃত্ব কতটা অক্ষুণ্ণ আছে, এবং জনসম্পদের ব্যবহার কতটা জনগণের প্রকৃত প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

রাজধানী জাকার্তার বাইরে মেদান, বান্দুং, যোগ্যাকার্তা ও মাকাসারের মতো শহরগুলোতে শিক্ষার্থীরা যে দাবিগুলো তুলেছে, সেগুলোর মধ্যে বৈচিত্র্য থাকলেও একটি সাধারণ সূত্র স্পষ্ট। তারা মনে করছে, সরকারের সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপ রাষ্ট্রের বেসামরিক চরিত্রকে দুর্বল করছে এবং একই সঙ্গে অর্থনৈতিক অগ্রাধিকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

বিশেষত সামরিক বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, জাতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনী ধীরে ধীরে এমন সব ক্ষেত্রে জড়িয়ে পড়ছে, যেগুলো মূলত বেসামরিক প্রশাসনের আওতাভুক্ত। পুষ্টিকর খাবার কর্মসূচি, কমিউনিটি স্কুল কিংবা গ্রামীণ সমবায় প্রকল্পে সামরিক সম্পৃক্ততাকে তারা শুধু প্রশাসনিক সহযোগিতা হিসেবে দেখছে না; বরং এটিকে রাষ্ট্রের ক্ষমতার কাঠামোতে এক ধরনের পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করছে।

Student protests and the quiet militarization of the civilian sphere -  Academia - The Jakarta Post

এই উদ্বেগের পেছনে ইতিহাসও কাজ করছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বহু দেশের মতো ইন্দোনেশিয়াও দীর্ঘ সময় সামরিক প্রভাবের রাজনৈতিক বাস্তবতা দেখেছে। ফলে সামরিক প্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক সীমারেখা নিয়ে সমাজে সংবেদনশীলতা স্বাভাবিকভাবেই বেশি। যখন সরকারি কর্মসূচির নেতৃত্বে বা ব্যবস্থাপনায় সামরিক প্রশিক্ষণকে বাধ্যতামূলক করা হয়, তখন অনেকের কাছে তা কেবল দক্ষতা উন্নয়নের বিষয় থাকে না; বরং রাষ্ট্র ও নাগরিক সমাজের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে।

তবে এই বিক্ষোভকে শুধুমাত্র সামরিক-বেসামরিক বিতর্কে সীমাবদ্ধ রাখলে পূর্ণ চিত্র পাওয়া যাবে না। অর্থনৈতিক অসন্তোষও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীরা জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, রুপিয়াহর বিনিময় হার নিয়ে অস্থিরতা এবং ব্যয়বহুল সরকারি প্রকল্পের সমালোচনা করছে। তাদের বক্তব্য, যখন সাধারণ মানুষ জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে, তখন রাষ্ট্রের প্রতিটি ব্যয়কে কঠোরভাবে জনস্বার্থের মানদণ্ডে বিচার করা উচিত।

এখানেই বিনামূল্যের পুষ্টিকর খাবার কর্মসূচি কিংবা অন্যান্য উচ্চাভিলাষী প্রকল্পকে ঘিরে বিতর্কের জন্ম। সরকার এগুলোকে সামাজিক বিনিয়োগ হিসেবে তুলে ধরছে, কিন্তু সমালোচকেরা জানতে চাইছেন—এসব প্রকল্পের ব্যয়, কার্যকারিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল কি যথেষ্টভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে? উন্নয়নের নামে বড় কর্মসূচি গ্রহণ করা সহজ, কিন্তু সীমিত সম্পদের দেশে প্রতিটি সিদ্ধান্তের একটি সুযোগব্যয় থাকে। সেই অর্থ স্বাস্থ্য, শিক্ষা বা অন্য কোনো জরুরি খাতে ব্যয় করা যেত কি না, সেই প্রশ্নও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

Growing discontent with policymaking keeps Indonesian students on streets –  Asia News Network

শিক্ষার্থীদের দাবির আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো গণতান্ত্রিক জবাবদিহি। তারা শুধু নির্দিষ্ট আইন বা নীতির সমালোচনা করছে না; বরং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। নতুন আইন প্রণয়ন, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বেসামরিক পদে নিয়োগ কিংবা বড় অর্থনৈতিক কর্মসূচি—এসব বিষয়ে জনপরামর্শ ও জনআলোচনার ঘাটতি রয়েছে বলে তাদের অভিযোগ।

এই অবস্থায় সরকার যদি বিক্ষোভকে কেবল রাজনৈতিক বিরোধিতা হিসেবে দেখার চেষ্টা করে, তাহলে তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে। কারণ আন্দোলনের ভাষায় আদর্শিক বৈচিত্র্য থাকলেও এর কেন্দ্রে রয়েছে রাষ্ট্রের চরিত্র, অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার এবং গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ নিয়ে মৌলিক উদ্বেগ। এসব প্রশ্নকে উপেক্ষা করা সম্ভব হলেও সেগুলোকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের শক্তি শুধু নির্বাচনে নয়; বরং ভিন্নমতকে গ্রহণ করার সক্ষমতায়ও নিহিত। শিক্ষার্থীদের সব দাবি বাস্তবসম্মত নাও হতে পারে, কিছু প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক থাকতেই পারে। কিন্তু তারা যে প্রশ্নগুলো তুলছে, সেগুলো রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সুযোগ তৈরি করছে।

ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি তাই কেবল ছাত্র আন্দোলনের গল্প নয়। এটি এমন এক মুহূর্ত, যখন দেশের তরুণ প্রজন্ম জানতে চাইছে—রাষ্ট্র কি আরও বেশি বেসামরিক, আরও বেশি জবাবদিহিমূলক এবং আরও বেশি জনমুখী হবে, নাকি ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন ও ব্যয়বহুল রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগই ভবিষ্যতের পথ নির্ধারণ করবে? সেই প্রশ্নের উত্তরই শেষ পর্যন্ত এই বিক্ষোভগুলোর প্রকৃত তাৎপর্য নির্ধারণ করবে।

Indonesian students protest economic strain | Arab News