১১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
ড্রাগন নয়, এবার তাক সাজানোর খেলায় মজেছে গেমাররা: কেন জনপ্রিয় হচ্ছে চাকরি-ভিত্তিক ভিডিও গেম ফিলিপাইনের স্কুলে বন্দুক হামলা: নিহত ৩ শিক্ষার্থী, বুলিংয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত দুই কিশোর ভারতের মূল শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধি ২১ মাসের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন, মে মাসে নেমে এলো ০.৫ শতাংশে দূরবর্তী কাজের সুযোগে বদলাচ্ছে পরিবার-জীবনের সমীকরণ, স্বস্তিতে কর্মজীবী বাবা-মায়েরা সাভারে হত্যা মামলার আসামি পালানোয় তিন পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার আইএমএফের নতুন ঋণ প্যাকেজে শর্ত: ব্যাংক কোম্পানি আইন থেকে ১৮(এ) ধারা বাদ দিতে নীতিগত সিদ্ধান্ত জামায়াত আমিরের ‘নতুন বিপ্লব’ হুঁশিয়ারি, সংসদে কথা বলার সুযোগ না পেলে থাকার প্রশ্ন নেই ডগলাস লিমের নতুন মাইলফলক, উৎসব যাত্রা শুরু ‘হার সেকেন্ড অ্যাক্ট’-এর ‘আইটেম গান’ নয়, নারীশরীরের দৃষ্টি: তামান্নার মন্তব্যে নতুন বিতর্ক স্টার সিনেপ্লেক্সে সপ্তাহজুড়ে বাংলা ছবির গ্রীষ্ম উৎসব

কুমিল্লায় ওষুধ কারখানায় অভিযান: ৫টির অনুমোদনে ২২ ধরনের ওষুধ উৎপাদনের অভিযোগ

কুমিল্লার বিসিক শিল্পনগরীতে ‘মডার্ন ড্রাগ’ নামের একটি ওষুধ কারখানায় অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটির মাত্র পাঁচটি ওষুধ উৎপাদনের অনুমোদন থাকলেও বাজারে ২২ ধরনের ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছিল। অভিযানে অননুমোদিত ওষুধ, কাঁচামাল ও উৎপাদন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

শিশুদের ওষুধে স্বাস্থ্যঝুঁকি

ওষুধ প্রশাসন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, কারখানাটিতে উৎপাদিত কিছু ওষুধ শিশুদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। শিশুদের ওষুধে মান নিয়ন্ত্রণের ব্যত্যয় হলে তা সরাসরি জনস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে ডোজ, উপাদান, সংরক্ষণ পদ্ধতি বা উৎপাদন মানে ত্রুটি থাকলে শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি হয়।

অনুমোদন ছাড়িয়ে উৎপাদন

অভিযানসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত ওষুধের সংখ্যা ছিল মাত্র পাঁচটি। কিন্তু বাজারে ২২ ধরনের ওষুধ সরবরাহের অভিযোগ ওঠে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু আইন লঙ্ঘন নয়, ভোক্তাদের সঙ্গে বড় ধরনের প্রতারণাও। কারণ সাধারণ মানুষ ওষুধ কেনার সময় উৎপাদন অনুমোদন, মান পরীক্ষা বা প্রশাসনিক ছাড়পত্র যাচাই করতে পারে না।

মালিকের আংশিক স্বীকারোক্তি

কারখানার মালিক জুবায়ের ইসলাম অভিযোগের কিছু অংশ স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। তবে প্রশাসন জানিয়েছে, জব্দ করা ওষুধ ও কাঁচামাল পরীক্ষা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, ওষুধের মতো সংবেদনশীল পণ্যে অনুমোদনের বাইরে উৎপাদন জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি।

কঠোর নজরদারির দাবি

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এমন অভিযান শুধু একবারের জন্য নয়, নিয়মিতভাবে চালানো প্রয়োজন। কারণ ভেজাল, অননুমোদিত বা নিম্নমানের ওষুধ বাজারে ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ রোগী, বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ড্রাগন নয়, এবার তাক সাজানোর খেলায় মজেছে গেমাররা: কেন জনপ্রিয় হচ্ছে চাকরি-ভিত্তিক ভিডিও গেম

কুমিল্লায় ওষুধ কারখানায় অভিযান: ৫টির অনুমোদনে ২২ ধরনের ওষুধ উৎপাদনের অভিযোগ

০৬:১৬:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

কুমিল্লার বিসিক শিল্পনগরীতে ‘মডার্ন ড্রাগ’ নামের একটি ওষুধ কারখানায় অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটির মাত্র পাঁচটি ওষুধ উৎপাদনের অনুমোদন থাকলেও বাজারে ২২ ধরনের ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছিল। অভিযানে অননুমোদিত ওষুধ, কাঁচামাল ও উৎপাদন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

শিশুদের ওষুধে স্বাস্থ্যঝুঁকি

ওষুধ প্রশাসন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, কারখানাটিতে উৎপাদিত কিছু ওষুধ শিশুদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। শিশুদের ওষুধে মান নিয়ন্ত্রণের ব্যত্যয় হলে তা সরাসরি জনস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে ডোজ, উপাদান, সংরক্ষণ পদ্ধতি বা উৎপাদন মানে ত্রুটি থাকলে শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি হয়।

অনুমোদন ছাড়িয়ে উৎপাদন

অভিযানসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত ওষুধের সংখ্যা ছিল মাত্র পাঁচটি। কিন্তু বাজারে ২২ ধরনের ওষুধ সরবরাহের অভিযোগ ওঠে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু আইন লঙ্ঘন নয়, ভোক্তাদের সঙ্গে বড় ধরনের প্রতারণাও। কারণ সাধারণ মানুষ ওষুধ কেনার সময় উৎপাদন অনুমোদন, মান পরীক্ষা বা প্রশাসনিক ছাড়পত্র যাচাই করতে পারে না।

মালিকের আংশিক স্বীকারোক্তি

কারখানার মালিক জুবায়ের ইসলাম অভিযোগের কিছু অংশ স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। তবে প্রশাসন জানিয়েছে, জব্দ করা ওষুধ ও কাঁচামাল পরীক্ষা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, ওষুধের মতো সংবেদনশীল পণ্যে অনুমোদনের বাইরে উৎপাদন জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি।

কঠোর নজরদারির দাবি

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এমন অভিযান শুধু একবারের জন্য নয়, নিয়মিতভাবে চালানো প্রয়োজন। কারণ ভেজাল, অননুমোদিত বা নিম্নমানের ওষুধ বাজারে ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ রোগী, বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন।