তুরাগ নদীতে ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীর লাশ ভাসছে— সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন দাবি ছড়িয়ে পড়লেও সেটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব বলে জানিয়েছে পুলিশ সদরদপ্তর।
শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘তুরাগ নদীতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীর লাশ ভাসছে’— এমন শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তার কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
গুজব ছড়িয়ে বিভ্রান্তির অপচেষ্টা
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ ধরনের তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো যাচাই করে এমন কোনো ঘটনার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
পুলিশ সদরদপ্তর বলেছে, একটি মহল ইচ্ছাকৃতভাবে এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তি ও মনোবল ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। এ কারণে জনগণকে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য বিশ্বাস বা প্রচার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আইনগত ব্যবস্থার সতর্কতা
পুলিশ জানিয়েছে, বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে তারা তৎপর রয়েছে। কেউ অপপ্রচার বা গুজব ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানিয়ে পুলিশ বলেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত যেকোনো সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তা যাচাই করা উচিত।
ভুয়া তথ্য থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান
পুলিশ সদরদপ্তর আরও জানিয়েছে, বর্তমানে তুরাগ নদীতে আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীর লাশ ভেসে থাকার কোনো ঘটনার তথ্য তাদের কাছে নেই। ফলে এ ধরনের দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জনগণকে গুজব ও অপপ্রচার থেকে সতর্ক থাকার এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুরাগ নদীতে ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীর লাশ ভাসার দাবিকে সম্পূর্ণ গুজব ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে পুলিশ। অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সতর্কতা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















