বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে পাঠানো হয়েছে মোট ৫০০ কেজি আম। বেনাপোল স্থলবন্দর হয়ে পাঠানো এই আম মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে ভারতের বাংলাদেশ মিশনের প্রতিনিধিদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।
বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে পাঠানো আমগুলো কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশন ও বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনের প্রতিনিধিদের কাছে তুলে দেওয়া হয়। শুভেচ্ছা উপহারের এই চালানে ছিল বাংলাদেশের জনপ্রিয় দুই জাতের আম—আম্রপালি ও হাঁড়িভাঙ্গা।
শুভেচ্ছা উপহারের আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর
সরকারি উদ্যোগে পাঠানো এই উপহার বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে পৌঁছায়। পরে সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশ মিশনের প্রতিনিধিদের কাছে আমগুলো হস্তান্তর করা হয়, যাতে সেগুলো নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া যায়।
এই চালানে মোট ১০০টি কার্টনে আম পাঠানো হয়েছে। প্রতিটি কার্টনে ছিল ৫ কেজি করে আম। সব মিলিয়ে মোট ৫০০ কেজি আম কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের জন্য পাঠানো হয়েছে।
শুভেন্দু অধিকারীর জন্য ১০০ কেজি
পাঠানো আমের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীর জন্য ১০০ কেজি আম বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই আম শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে তার কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
অন্যদিকে, অবশিষ্ট ৪০০ কেজি আম পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে বিতরণ করা হবে।
আম্রপালি ও হাঁড়িভাঙ্গার সমাহার
উপহারের চালানে রাখা হয়েছে বাংলাদেশের বহুল জনপ্রিয় আম্রপালি ও হাঁড়িভাঙ্গা জাতের আম। প্রতিবছরের মতো এবারও মৌসুমি ফলের মাধ্যমে সৌহার্দ্য ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের উৎপাদিত মৌসুমি ফলের পরিচিতি তুলে ধরার পাশাপাশি পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের ধারাবাহিকতায় এই উপহার পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বাংলাদেশ সরকারের এই শুভেচ্ছা উপহার সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছানোর মাধ্যমে দুই পক্ষের সৌজন্য বিনিময়ের আরেকটি দৃষ্টান্ত তৈরি হলো।
বাংলাদেশ সরকারের শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে ৫০০ কেজি আম বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ১০০ কেজি বরাদ্দ রাখা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর জন্য।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















