বাংলাদেশে অবস্থিত চীনা দূতাবাস ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এ এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী এবং ঐতিহাসিক লং মার্চের বিজয়ের ৯০তম বার্ষিকী উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে চীনা দূতাবাসের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তি, ইউল্যাবের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ ও চীনের বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিসহ ৫০০ জনেরও বেশি অতিথি অংশ নেন।
যৌথ ভবিষ্যতের বার্তা
“গ্রেট জার্নি, শেয়ার্ড ফিউচার” প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, আলোকচিত্র ও ভিডিও প্রদর্শনী, বইমেলা এবং ইতিহাসভিত্তিক বক্তৃতার আয়োজন করা হয়।
সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় ‘সেন্ডিং অফ দ্য রেড আর্মি’ এবং ‘ভাস্ট টেরিটরি’সহ বিভিন্ন পরিবেশনা তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাস এবং চীনের আধুনিকায়ন নিয়ে প্রকাশিত বই নিয়ে একটি বইমেলারও আয়োজন করা হয়। এছাড়া পার্টির ইতিহাসভিত্তিক একটি বিশেষ বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়।
লং মার্চের চেতনা তুলে ধরা
আয়োজকদের মতে, এসব আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের দর্শকদের সামনে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ১০৫ বছরের সংগ্রামের ইতিহাস এবং লং মার্চের চেতনার তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং সেই সময়ের বীরদের স্মরণ করা হয়।
চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যাশা
শনিবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাস থেকে অনুপ্রেরণা গ্রহণের পাশাপাশি চীন ও বাংলাদেশের বন্ধুত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তারা দুই দেশের বাস্তবমুখী সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ এবং নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্যে চীন-বাংলাদেশ অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নেওয়ার আশাবাদও প্রকাশ করেন।
চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ইউল্যাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে লং মার্চের ইতিহাস, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং দুই দেশের বন্ধুত্ব জোরদারের বার্তা উঠে এসেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















