১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারতের কৌশলগত স্বাধীনতার পরের পরীক্ষা: নেতৃত্ব কি নির্ভরতার বদলে পারস্পরিক সমৃদ্ধি আনবে? তারেক রহমানকে ট্রাম্পের চিঠি: কিছু কথা রাজনীতির নতুন সূত্র: ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের মাংসের জোগান বইয়ের পাতার মতোই মুগ্ধতা ছড়ায় বিশ্বের ৭ অপূর্ব গ্রন্থাগার লুলুলেমন আনল ‘বিগ-অ্যাস ব্যাগ’, ৮০ লিটারের বিশাল টোট ব্যাগে ঢুকবে যেন পুরো সংসার শিশুদের মুখে নতুন হাসি, মিশিগানে ম্যাগির উইগস ৪ কিডস-এর ২৩তম বার্ষিক গালা নাসার রোমান টেলিস্কোপের নতুন ঠিকানার পথে তিন মাসের মহাকাশযাত্রা মাত্র ১০ সেন্টিমিটার উচ্চতার ‘কিউটি পাই’ গোলাপ, ছোট বাগান সাজাতে দারুণ প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানকে স্বনির্ভর করতে অভিভাবকের যে ৬টি পদক্ষেপ জরুরি বাড়িতে প্রাপ্তবয়স্ক সন্তান থাকলে সম্পর্ক ভালো রাখার উপায়

করাপশনবিরোধী ব্যঙ্গদলের বড় আইনি জয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট ফেরানোর নির্দেশ

ভারতের রাজধানীতে আলোচিত ব্যঙ্গধর্মী রাজনৈতিক সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বড় ধরনের আইনি স্বস্তি পেয়েছে। আদালতের নির্দেশে সংগঠনটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আদালত বলেছে, যে পরিস্থিতির কারণে অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করা হয়েছিল, সেই কারণ এখন আর বিদ্যমান নেই।

রায়ের পর সংগঠনটির সমর্থকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে পরীক্ষা-সংক্রান্ত বিতর্ক এবং তরুণদের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে দলটি ব্যাপক আলোচনায় আসে।

পরীক্ষা ঘিরে উদ্বেগ থেকেই অ্যাকাউন্ট বন্ধ

আদালতে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চিকিৎসাশাস্ত্রে ভর্তি পরীক্ষার পুনঃপরীক্ষা চলাকালে সংগঠনটির কিছু পোস্ট শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি বা বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারত। সেই আশঙ্কা থেকেই সাময়িকভাবে অ্যাকাউন্টটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তবে পুনঃপরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ায় সেই উদ্বেগ আর নেই বলে আদালত মনে করে। এ কারণে আগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের নির্দেশ দেওয়া হয়।

তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়তা

শুরুতে ব্যঙ্গধর্মী উদ্যোগ হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংগঠনটি দ্রুত তরুণদের নজর কাড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের অনুসারীর সংখ্যা বাড়তে থাকলে অ্যাকাউন্টটি ভারতে অচল করে দেওয়া হয়।

এরপর সংগঠনটি নতুন নামে আরেকটি অ্যাকাউন্ট খুলে কার্যক্রম চালিয়ে যায় এবং নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের অবস্থান প্রকাশ করতে থাকে।

আন্দোলন অব্যাহত

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দায় নির্ধারণ এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সংগঠনটি রাজধানীতে একাধিক বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। একই দাবিতে চলমান অনশনও জনমনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনেও অংশ নিচ্ছেন। তাদের দাবি, তরুণদের উদ্বেগ ও দাবি তুলে ধরতে এবং সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে একটি স্বাধীন যুবভিত্তিক আন্দোলন গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।

আদালতের সর্বশেষ নির্দেশের ফলে সংগঠনটির অনলাইন কার্যক্রম আবারও স্বাভাবিকভাবে চালানোর পথ খুলে গেল। একই সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও জনস্বার্থে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের কৌশলগত স্বাধীনতার পরের পরীক্ষা: নেতৃত্ব কি নির্ভরতার বদলে পারস্পরিক সমৃদ্ধি আনবে?

করাপশনবিরোধী ব্যঙ্গদলের বড় আইনি জয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট ফেরানোর নির্দেশ

০৮:২৫:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

ভারতের রাজধানীতে আলোচিত ব্যঙ্গধর্মী রাজনৈতিক সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বড় ধরনের আইনি স্বস্তি পেয়েছে। আদালতের নির্দেশে সংগঠনটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আদালত বলেছে, যে পরিস্থিতির কারণে অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করা হয়েছিল, সেই কারণ এখন আর বিদ্যমান নেই।

রায়ের পর সংগঠনটির সমর্থকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে পরীক্ষা-সংক্রান্ত বিতর্ক এবং তরুণদের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে দলটি ব্যাপক আলোচনায় আসে।

পরীক্ষা ঘিরে উদ্বেগ থেকেই অ্যাকাউন্ট বন্ধ

আদালতে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চিকিৎসাশাস্ত্রে ভর্তি পরীক্ষার পুনঃপরীক্ষা চলাকালে সংগঠনটির কিছু পোস্ট শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি বা বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারত। সেই আশঙ্কা থেকেই সাময়িকভাবে অ্যাকাউন্টটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তবে পুনঃপরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ায় সেই উদ্বেগ আর নেই বলে আদালত মনে করে। এ কারণে আগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের নির্দেশ দেওয়া হয়।

তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়তা

শুরুতে ব্যঙ্গধর্মী উদ্যোগ হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংগঠনটি দ্রুত তরুণদের নজর কাড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের অনুসারীর সংখ্যা বাড়তে থাকলে অ্যাকাউন্টটি ভারতে অচল করে দেওয়া হয়।

এরপর সংগঠনটি নতুন নামে আরেকটি অ্যাকাউন্ট খুলে কার্যক্রম চালিয়ে যায় এবং নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের অবস্থান প্রকাশ করতে থাকে।

আন্দোলন অব্যাহত

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দায় নির্ধারণ এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সংগঠনটি রাজধানীতে একাধিক বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। একই দাবিতে চলমান অনশনও জনমনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনেও অংশ নিচ্ছেন। তাদের দাবি, তরুণদের উদ্বেগ ও দাবি তুলে ধরতে এবং সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে একটি স্বাধীন যুবভিত্তিক আন্দোলন গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।

আদালতের সর্বশেষ নির্দেশের ফলে সংগঠনটির অনলাইন কার্যক্রম আবারও স্বাভাবিকভাবে চালানোর পথ খুলে গেল। একই সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও জনস্বার্থে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।