০২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
পূর্বশত্রুতার জেরে মিরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি, অস্ত্রসহ আটক একজন চীনের ভূমিধসে মৃত বেড়ে ২১, উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত তেলের বাজারে নতুন অস্থিরতা, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় আবারও বাড়ল অপরিশোধিত জ্বালানির দাম বাংলাদেশের সবুজ শিল্পে নতুন গতি, ব্র্যাক ব্যাংকের মাধ্যমে ৬ কোটি ইউরো অর্থায়ন এমএজি ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি, অচল ইন্টার্ন সেবা প্রাণ গেল বাসচালকের, হবিগঞ্জে মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ২৫ কক্সবাজার রেলপথ পানিতে তলিয়ে বন্ধ ট্রেন চলাচল, যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা ইরানে নতুন মার্কিন হামলার পর বাহরাইন ও কুয়েতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা দামেস্কে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল সফর, নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মধ্যেই সিরিয়ার পাশে থাকার বার্তা ফ্রান্সের বাংলাদেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল, উপকূলে সতর্ক থাকার নির্দেশ

আপনি কি সব ধরনের মানসিক কষ্টে থেরাপি নেবেন? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সব সমস্যার সমাধান নয় থেরাপি

মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে থেরাপির প্রতি মানুষের আগ্রহও বেড়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবনের প্রতিটি দুঃসময় বা মানসিক অস্বস্তির জন্য থেরাপি প্রয়োজন হয় না। একাকীত্ব, কর্মক্ষেত্রের চাপ, আর্থিক সংকট বা পারিবারিক টানাপোড়েনের মতো বাস্তব জীবনের সমস্যাকে অনেকেই মানসিক রোগ ভেবে থেরাপির দিকে ঝুঁকছেন। এতে প্রকৃত চিকিৎসার প্রয়োজন যাদের, তাদের জন্য সেবাপ্রাপ্তি আরও কঠিন হয়ে পড়ছে।

সব দুঃখ মানেই মানসিক রোগ নয়

দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন ক্লিনিক্যাল মনোবিজ্ঞানীর মতে, থেরাপি অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে যখন কেউ দীর্ঘদিন ধরে অবাঞ্ছিত চিন্তা, তীব্র উদ্বেগ, গভীর হতাশা বা এমন মানসিক সমস্যায় ভুগছেন যা দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করছে। কিন্তু জীবনের স্বাভাবিক চ্যালেঞ্জ, সম্পর্কের জটিলতা বা সামাজিক বিচ্ছিন্নতা সব সময় চিকিৎসার বিষয় নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক ক্ষেত্রে মানুষের কষ্টের মূল কারণ ব্যক্তিগত মানসিক অসুস্থতা নয়, বরং সামাজিক বাস্তবতা ও জীবনযাপনের পরিস্থিতি। তাই সব ধরনের অস্বস্তিকে চিকিৎসার আওতায় নিয়ে আসা সমস্যার স্থায়ী সমাধান দিতে পারে না।

বাড়ছে থেরাপির চাহিদা, বাড়ছে চাপও

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে থেরাপি গ্রহণকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর ফলে অনেক এলাকায় দীর্ঘ অপেক্ষার তালিকা তৈরি হয়েছে এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় কর্মরত পেশাজীবীরাও অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়ছেন।

Opinion | I'm a Therapist. Not Everyone Should Be in Therapy. - The New  York Times

এর প্রভাব পড়ছে গুরুতর মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের ওপর। তারা সময়মতো প্রয়োজনীয় সেবা পেতে বিলম্বের শিকার হচ্ছেন। অন্যদিকে, যারা মূলত একজন মনোযোগী শ্রোতা বা আবেগগত সমর্থন খুঁজে থেরাপিতে আসেন, তাদের অনেকেই প্রত্যাশিত ফল না পেয়ে হতাশ হন।

থেরাপির সীমাবদ্ধতা কোথায়

বিশেষজ্ঞদের মতে, থেরাপি মানুষের চিন্তার ধরন, আচরণ ও মানসিক প্রতিক্রিয়া বুঝতে এবং পরিবর্তনের পথ খুঁজতে সাহায্য করে। কিন্তু যদি সমস্যার মূল কারণ হয় চাকরি হারানো, নতুন শহরে মানিয়ে নেওয়ার কষ্ট, সন্তান লালন-পালনের চাপ বা পারিবারিক বিরোধ, তাহলে শুধু থেরাপি সেই বাস্তব পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে না।

অনেক ক্ষেত্রে মানুষ থেরাপির পাশাপাশি পরিবার, বন্ধু বা পরিচিতজনের সহায়তা পেলে আরও দ্রুত মানসিকভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেন। বাস্তব জীবনের সম্পর্ক ও সামাজিক সংযোগ প্রায়ই দীর্ঘমেয়াদে বেশি কার্যকর সমর্থন দেয়।

স্বাভাবিক আবেগকে রোগ হিসেবে দেখার ঝুঁকি

মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছেন, মানুষের স্বাভাবিক আবেগকে অতিরিক্তভাবে রোগ হিসেবে চিহ্নিত করার প্রবণতা বাড়ছে। উদ্বেগ, শোক বা হতাশা অনেক সময় জীবনের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে। এগুলো সব সময় মানসিক রোগের লক্ষণ নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মানসিক কষ্টকে অনেক সময় একটি সংকেত হিসেবে দেখা উচিত, যা ইঙ্গিত দেয় জীবনের কিছু দিক পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। কেবল চিকিৎসার মাধ্যমে নয়, সামাজিক সম্পর্ক, জীবনধারা ও পরিবেশের পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

Do I need therapy? A psychologist explains why some people might not | Here  & Now

সম্পর্কই হতে পারে সবচেয়ে বড় শক্তি

থেরাপি নেওয়ার আগে বিশ্বস্ত কোনো আত্মীয়, বন্ধু বা পরিচিত মানুষের সঙ্গে কথা বলা, স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে যুক্ত হওয়া, সামাজিক বা কমিউনিটির কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া কিংবা পুরোনো সম্পর্কগুলো পুনরুজ্জীবিত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাদের মতে, অর্থবহ সম্পর্ক এক দিনে তৈরি হয় না। তবে ছোট ছোট সামাজিক সংযোগও দীর্ঘমেয়াদে মানসিক সুস্থতার জন্য বড় ভূমিকা রাখতে পারে। যদি এসব প্রচেষ্টার পরও মানসিক কষ্ট দৈনন্দিন জীবন, কাজ বা সম্পর্ককে দীর্ঘদিন ধরে ব্যাহত করে, তখন থেরাপি নেওয়া যুক্তিযুক্ত হতে পারে।

শুধু ব্যক্তির নয়, সমাজেরও দায়িত্ব

বিশেষজ্ঞদের মতে, একাকীত্ব ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতা মোকাবিলার দায় শুধু ব্যক্তির নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র, স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারকেও মানুষের সামাজিক সংযোগ বাড়াতে উদ্যোগ নিতে হবে।

বিভিন্ন দেশে ইতোমধ্যে কমিউনিটিভিত্তিক কর্মসূচি, স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম এবং সামাজিক সংযোগ বৃদ্ধির নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো বিচ্ছিন্ন মানুষকে বিদ্যমান সামাজিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা এবং মানসিক সুস্থতার জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, থেরাপি অনেক মানুষের জন্য অপরিহার্য এবং জীবন পরিবর্তনকারী হতে পারে। তবে প্রত্যেক মানসিক কষ্টের একমাত্র সমাধান এটি নয়। অনেক সময় পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী, বন্ধু ও সামাজিক সম্পর্ক থেকেই সবচেয়ে কার্যকর মানসিক সমর্থন পাওয়া সম্ভব।

মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ, তবে একই সঙ্গে বাস্তব জীবনের সম্পর্ক, সামাজিক বন্ধন ও পারস্পরিক সহায়তার মূল্যও সমানভাবে উপলব্ধি করা প্রয়োজন।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্বশত্রুতার জেরে মিরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি, অস্ত্রসহ আটক একজন

আপনি কি সব ধরনের মানসিক কষ্টে থেরাপি নেবেন? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সব সমস্যার সমাধান নয় থেরাপি

০১:২৩:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে থেরাপির প্রতি মানুষের আগ্রহও বেড়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবনের প্রতিটি দুঃসময় বা মানসিক অস্বস্তির জন্য থেরাপি প্রয়োজন হয় না। একাকীত্ব, কর্মক্ষেত্রের চাপ, আর্থিক সংকট বা পারিবারিক টানাপোড়েনের মতো বাস্তব জীবনের সমস্যাকে অনেকেই মানসিক রোগ ভেবে থেরাপির দিকে ঝুঁকছেন। এতে প্রকৃত চিকিৎসার প্রয়োজন যাদের, তাদের জন্য সেবাপ্রাপ্তি আরও কঠিন হয়ে পড়ছে।

সব দুঃখ মানেই মানসিক রোগ নয়

দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন ক্লিনিক্যাল মনোবিজ্ঞানীর মতে, থেরাপি অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে যখন কেউ দীর্ঘদিন ধরে অবাঞ্ছিত চিন্তা, তীব্র উদ্বেগ, গভীর হতাশা বা এমন মানসিক সমস্যায় ভুগছেন যা দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করছে। কিন্তু জীবনের স্বাভাবিক চ্যালেঞ্জ, সম্পর্কের জটিলতা বা সামাজিক বিচ্ছিন্নতা সব সময় চিকিৎসার বিষয় নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক ক্ষেত্রে মানুষের কষ্টের মূল কারণ ব্যক্তিগত মানসিক অসুস্থতা নয়, বরং সামাজিক বাস্তবতা ও জীবনযাপনের পরিস্থিতি। তাই সব ধরনের অস্বস্তিকে চিকিৎসার আওতায় নিয়ে আসা সমস্যার স্থায়ী সমাধান দিতে পারে না।

বাড়ছে থেরাপির চাহিদা, বাড়ছে চাপও

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে থেরাপি গ্রহণকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর ফলে অনেক এলাকায় দীর্ঘ অপেক্ষার তালিকা তৈরি হয়েছে এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় কর্মরত পেশাজীবীরাও অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়ছেন।

Opinion | I'm a Therapist. Not Everyone Should Be in Therapy. - The New  York Times

এর প্রভাব পড়ছে গুরুতর মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের ওপর। তারা সময়মতো প্রয়োজনীয় সেবা পেতে বিলম্বের শিকার হচ্ছেন। অন্যদিকে, যারা মূলত একজন মনোযোগী শ্রোতা বা আবেগগত সমর্থন খুঁজে থেরাপিতে আসেন, তাদের অনেকেই প্রত্যাশিত ফল না পেয়ে হতাশ হন।

থেরাপির সীমাবদ্ধতা কোথায়

বিশেষজ্ঞদের মতে, থেরাপি মানুষের চিন্তার ধরন, আচরণ ও মানসিক প্রতিক্রিয়া বুঝতে এবং পরিবর্তনের পথ খুঁজতে সাহায্য করে। কিন্তু যদি সমস্যার মূল কারণ হয় চাকরি হারানো, নতুন শহরে মানিয়ে নেওয়ার কষ্ট, সন্তান লালন-পালনের চাপ বা পারিবারিক বিরোধ, তাহলে শুধু থেরাপি সেই বাস্তব পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে না।

অনেক ক্ষেত্রে মানুষ থেরাপির পাশাপাশি পরিবার, বন্ধু বা পরিচিতজনের সহায়তা পেলে আরও দ্রুত মানসিকভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেন। বাস্তব জীবনের সম্পর্ক ও সামাজিক সংযোগ প্রায়ই দীর্ঘমেয়াদে বেশি কার্যকর সমর্থন দেয়।

স্বাভাবিক আবেগকে রোগ হিসেবে দেখার ঝুঁকি

মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছেন, মানুষের স্বাভাবিক আবেগকে অতিরিক্তভাবে রোগ হিসেবে চিহ্নিত করার প্রবণতা বাড়ছে। উদ্বেগ, শোক বা হতাশা অনেক সময় জীবনের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে। এগুলো সব সময় মানসিক রোগের লক্ষণ নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মানসিক কষ্টকে অনেক সময় একটি সংকেত হিসেবে দেখা উচিত, যা ইঙ্গিত দেয় জীবনের কিছু দিক পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। কেবল চিকিৎসার মাধ্যমে নয়, সামাজিক সম্পর্ক, জীবনধারা ও পরিবেশের পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

Do I need therapy? A psychologist explains why some people might not | Here  & Now

সম্পর্কই হতে পারে সবচেয়ে বড় শক্তি

থেরাপি নেওয়ার আগে বিশ্বস্ত কোনো আত্মীয়, বন্ধু বা পরিচিত মানুষের সঙ্গে কথা বলা, স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে যুক্ত হওয়া, সামাজিক বা কমিউনিটির কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া কিংবা পুরোনো সম্পর্কগুলো পুনরুজ্জীবিত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাদের মতে, অর্থবহ সম্পর্ক এক দিনে তৈরি হয় না। তবে ছোট ছোট সামাজিক সংযোগও দীর্ঘমেয়াদে মানসিক সুস্থতার জন্য বড় ভূমিকা রাখতে পারে। যদি এসব প্রচেষ্টার পরও মানসিক কষ্ট দৈনন্দিন জীবন, কাজ বা সম্পর্ককে দীর্ঘদিন ধরে ব্যাহত করে, তখন থেরাপি নেওয়া যুক্তিযুক্ত হতে পারে।

শুধু ব্যক্তির নয়, সমাজেরও দায়িত্ব

বিশেষজ্ঞদের মতে, একাকীত্ব ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতা মোকাবিলার দায় শুধু ব্যক্তির নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র, স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারকেও মানুষের সামাজিক সংযোগ বাড়াতে উদ্যোগ নিতে হবে।

বিভিন্ন দেশে ইতোমধ্যে কমিউনিটিভিত্তিক কর্মসূচি, স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম এবং সামাজিক সংযোগ বৃদ্ধির নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো বিচ্ছিন্ন মানুষকে বিদ্যমান সামাজিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা এবং মানসিক সুস্থতার জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, থেরাপি অনেক মানুষের জন্য অপরিহার্য এবং জীবন পরিবর্তনকারী হতে পারে। তবে প্রত্যেক মানসিক কষ্টের একমাত্র সমাধান এটি নয়। অনেক সময় পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী, বন্ধু ও সামাজিক সম্পর্ক থেকেই সবচেয়ে কার্যকর মানসিক সমর্থন পাওয়া সম্ভব।

মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ, তবে একই সঙ্গে বাস্তব জীবনের সম্পর্ক, সামাজিক বন্ধন ও পারস্পরিক সহায়তার মূল্যও সমানভাবে উপলব্ধি করা প্রয়োজন।