দেশের পুঁজিবাজারে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস ইতিবাচক প্রবণতায় শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান সূচক ঊর্ধ্বমুখী ছিল। একই সঙ্গে দুই বাজারেই আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
ডিএসইতে সূচকের উত্থান
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৩৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান নেয়। পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক ২ পয়েন্ট এবং ব্লু-চিপ কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএস-৩০ বেড়েছে ৮ পয়েন্ট।
বাজারে ক্রয়চাপ তুলনামূলক বেশি থাকায় অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। এদিন তালিকাভুক্ত ২১৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বিপরীতে ১১৬টির দাম কমেছে এবং ৬২টির দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি।
লেনদেনে বড় উল্লম্ফন
ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ১ হাজার ১৫৬ কোটি টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এতে বাজারে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণও আগের দিনের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে।
দিনের লেনদেনে দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড প্রায় ১০ শতাংশ দর বেড়ে সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে উঠে আসে। অন্যদিকে ফাস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড প্রায় ৮ শতাংশ দর হারিয়ে সবচেয়ে বেশি দরপতনের তালিকায় অবস্থান করে।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও ইতিবাচক ধারা
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও দিনটি ইতিবাচক প্রবণতায় শেষ হয়েছে। সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই ২৯ পয়েন্ট বেড়েছে।
এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১২৫টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, ৯১টির কমেছে এবং ৩১টির দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি।
সিএসইতে মোট লেনদেন প্রায় ৫ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা আগের কার্যদিবসের প্রায় ৩ কোটি টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।
সিএসইতে নাহি অ্যালুমিনিয়াম কম্পোজিট প্যানেল পিএলসি এবং মেঘনা ইন্স্যুরেন্স পিএলসি প্রায় ১০ শতাংশ দর বেড়ে যৌথভাবে দিনের সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধির তালিকায় ছিল। অন্যদিকে এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ১০ শতাংশ দর হারিয়ে দিনের সবচেয়ে বেশি দরপতনের শেয়ার হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়।
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দুই শেয়ারবাজারেই সূচক ও লেনদেন বৃদ্ধির এই ধারা বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রতিফলন হিসেবে দেখা গেছে।
শেয়ারবাজারে সপ্তাহের শেষ দিনে ডিএসই ও সিএসইর সূচক বেড়েছে, পাশাপাশি লেনদেনেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















