০৪:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
মানব উন্নয়নে বিনিয়োগ ছাড়া জনসংখ্যা চ্যালেঞ্জের সমাধান অসম্ভব পাঁচ বছরের শিশুকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ, জীবিত উদ্ধার মা-মেয়ে আর্থিক অনিশ্চয়তায় পিছিয়ে যাচ্ছে বিয়ে-সন্তানের সিদ্ধান্ত, জানালো ইউএনএফপিএ কর্ণফুলীর ঝোপে উদ্ধার ব্রাজিলের ৯ এমএম পিস্তল, ব্যালিস্টিক পরীক্ষায় মিলবে উৎসের তথ্য পাকিস্তান এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম সৌর প্যানেল আমদানিকারক, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় লক্ষ্য বেলুচিস্তানে ‘অপারেশন শাবান’ জোরদার, আরও ৯ জঙ্গি নিহত; ৫ জুলাই থেকে নিহতের সংখ্যা ৮৮ ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা হলে ‘ইরানকে সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করবে যুক্তরাষ্ট্র, কঠোর হুঁশিয়ারি শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমকে পিআইডির অনুরোধ, আদালতের নির্দেশনা মানার আহ্বান কারাগারে মৃত্যুর মিছিল থামছে না, ৬ মাসে ৬১ প্রাণহানির তালিকায় যোগ হলো যুবলীগ নেতা  অ্যান্ডি বার্নহ্যাম  কি ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী? লেবারে বিপুল সমর্থনে এগিয়ে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

 হালান্ডের সামনে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা, কিন্তু সব আশা এখনও শেষ হয়ে যায়নি

  • পল জয়েস
  • ০২:২১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • 14

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে অনেক ম্যাচ কৌশল, রক্ষণ কিংবা মিডফিল্ডের লড়াইয়ে নির্ধারিত হয়। কিন্তু কিছু ম্যাচে পুরো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন একজন ফুটবলার। ইংল্যান্ড ও নরওয়ের কোয়ার্টার ফাইনাল ঠিক তেমনই একটি লড়াই, যেখানে সব আলো স্বাভাবিকভাবেই পড়েছে আর্লিং হালান্ডের ওপর।

কারণটি শুধু তার গোলসংখ্যা নয়। আরও বড় বিষয় হলো, তিনি যেভাবে গোল করেন, যেভাবে অল্প সুযোগকে নিশ্চিত সাফল্যে পরিণত করেন এবং যেভাবে প্রতিপক্ষের আত্মবিশ্বাস ভেঙে দেন—সেটিই ইংল্যান্ডের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ।

হালান্ডের বিপক্ষে খেলার অর্থ হলো, পুরো ৯০ মিনিট প্রায় নিখুঁত রক্ষণ খেলতে হবে। কারণ তিনি এমন একজন স্ট্রাইকার, যিনি পুরো ম্যাচে প্রায় অদৃশ্য থেকেও এক বা দুই মুহূর্তে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারেন।

ক্লাব ফুটবলে ম্যানচেস্টার সিটি ও এভারটনের অসংখ্য লড়াইয়ে জর্ডান পিকফোর্ড এই বাস্তবতা খুব কাছ থেকে দেখেছেন। ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক হিসেবে শনিবারও তাকেই সেই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে।

সংখ্যাগুলো অবশ্য পিকফোর্ডের পক্ষে খুব বেশি স্বস্তিদায়ক নয়।

প্রিমিয়ার লিগে হালান্ড তার বিপক্ষে মাত্র ১০টি অন-টার্গেট শট নিয়েছেন। এর মধ্যে সাতটিই জালে গেছে। প্রত্যাশিত গোলের (এক্সজি) হিসেবে এত গোল হওয়ার কথা ছিল না। অর্থাৎ সুযোগ যতটা বলছে, বাস্তবে হালান্ড তার চেয়েও অনেক বেশি কার্যকর।

Is Erling Haaland British? Why the Leeds-born striker represents Norway  instead of England | Football News - The Times of India

এটাই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে।

ফুটবলে অনেক স্ট্রাইকার প্রচুর সুযোগ তৈরি করেন। কেউ কেউ অনেক শট নেন। কিন্তু হালান্ডের বিশেষত্ব হলো, তিনি খুব কম সুযোগ নষ্ট করেন। তার গোলের ধরনও একরকম নয়। কখনও হেড, কখনও ডান পায়ে, কখনও বাঁ পায়ে, আবার কখনও একক নৈপুণ্যে রক্ষণ ভেঙে গোল করেন।

ফলে তাকে থামানোর জন্য নির্দিষ্ট কোনো ছক তৈরি করা কঠিন।

বিশ্বকাপেও সেই ধারাবাহিকতা আরও স্পষ্ট হয়েছে।

এ পর্যন্ত মাত্র ১৮টি শট থেকে তিনি সাতটি গোল করেছেন। অর্থাৎ প্রতি তিনটি শটেরও কমে একটি গোল। রূপান্তরের এই হার টুর্নামেন্টের সেরা। লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে কিংবা হ্যারি কেইনের মতো তারকারাও এই পরিসংখ্যানে পিছিয়ে।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নরওয়ের হয়ে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে তিনি টানা ১৪ ম্যাচে গোল করেছেন। এই সময়ে তার গোলসংখ্যা ২৭।

অর্থাৎ তিনি কেবল ভালো ফর্মে নেই; সম্ভবত ক্যারিয়ারের সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী সময় পার করছেন।

তবে পরিসংখ্যানের সবটাই একপেশে নয়।

পিকফোর্ডের কাছেও এমন কিছু স্মৃতি আছে, যা তাকে আত্মবিশ্বাস জোগাতে পারে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে তিনি হালান্ডের পেনাল্টি ঠেকিয়েছিলেন। সেটি ছিল প্রিমিয়ার লিগে নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারের প্রথম পেনাল্টি মিস।

World Cup 2018: How Jordan Pickford became England's number one - BBC Sport

সেই মুহূর্ত দেখিয়েছিল, হালান্ডকেও থামানো সম্ভব—যদি গোলরক্ষক সঠিক সিদ্ধান্ত নেন এবং মানসিকভাবে দৃঢ় থাকেন।

বিশ্বকাপে পিকফোর্ডের অভিজ্ঞতাও ইংল্যান্ডের জন্য বড় সম্পদ। মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ষোলোতে তার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ দলকে টুর্নামেন্টে টিকিয়ে রেখেছে। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে বহুবার তিনি কঠিন মুহূর্তে ইংল্যান্ডকে রক্ষা করেছেন।

তাই ব্যক্তিগত পরিসংখ্যান যতই হালান্ডের দিকে ঝুঁকে থাকুক, পিকফোর্ড জানেন বড় মঞ্চে অতীতের হিসাব সবসময় ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে না।

তবু ইংল্যান্ডের জন্য উদ্বেগের জায়গা রয়েছে অন্যত্রও।

ইনজুরি, নিষেধাজ্ঞা এবং একাধিক পরিবর্তনের কারণে পুরো টুর্নামেন্টে তাদের রক্ষণভাগ স্থিতিশীল ছিল না। বিভিন্ন সেন্টার-ব্যাককে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হয়েছে। আর হালান্ড এমন একজন ফরোয়ার্ড, যিনি ইংল্যান্ডের সম্ভাব্য অধিকাংশ রক্ষণভাগের বিপক্ষেই ক্লাব পর্যায়ে গোল করেছেন।

অর্থাৎ তিনি শুধু গোল করেন না; প্রতিপক্ষের রক্ষণ সম্পর্কে তার বাস্তব অভিজ্ঞতাও রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ইংল্যান্ডের সাফল্য নির্ভর করবে কেবল একজন ডিফেন্ডারের ওপর নয়। পুরো দলের সমন্বিত রক্ষণ, মিডফিল্ডের চাপ সৃষ্টি এবং গোলরক্ষকের সেরা পারফরম্যান্স—সবকিছুর সমন্বয় দরকার হবে।

Erling Haaland puts 'all the pressure on England' as on-fire forward  downplays Norway's quarter-final chances - Yahoo Sports

হালান্ডকে পুরো ম্যাচে বল থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা প্রায় অসম্ভব। তাই লক্ষ্য হওয়া উচিত, তাকে যত কম সম্ভব পরিষ্কার সুযোগ দেওয়া।

কারণ তার ক্ষেত্রে একটি সুযোগই অনেক সময় যথেষ্ট।

কোয়ার্টার ফাইনালের মতো বড় ম্যাচে ছোট ছোট মুহূর্তই ইতিহাস লিখে দেয়। আর সেই মুহূর্তে যদি বল হালান্ডের পায়ে বা মাথায় পৌঁছে যায়, তাহলে ইংল্যান্ডের জন্য বিপদের ঘণ্টা বেজে উঠতে পারে।

কিন্তু ফুটবল কখনও শুধু পরিসংখ্যানের খেলা নয়। বড় টুর্নামেন্টে অভিজ্ঞতা, মানসিক দৃঢ়তা এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

এই কারণেই শনিবারের লড়াইটি কেবল হালান্ড বনাম পিকফোর্ড নয়। এটি হবে বিশ্বের অন্যতম সেরা গোলশিকারির বিপক্ষে ইংল্যান্ডের পুরো রক্ষণব্যবস্থার সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার একটি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মানব উন্নয়নে বিনিয়োগ ছাড়া জনসংখ্যা চ্যালেঞ্জের সমাধান অসম্ভব

 হালান্ডের সামনে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা, কিন্তু সব আশা এখনও শেষ হয়ে যায়নি

০২:২১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে অনেক ম্যাচ কৌশল, রক্ষণ কিংবা মিডফিল্ডের লড়াইয়ে নির্ধারিত হয়। কিন্তু কিছু ম্যাচে পুরো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন একজন ফুটবলার। ইংল্যান্ড ও নরওয়ের কোয়ার্টার ফাইনাল ঠিক তেমনই একটি লড়াই, যেখানে সব আলো স্বাভাবিকভাবেই পড়েছে আর্লিং হালান্ডের ওপর।

কারণটি শুধু তার গোলসংখ্যা নয়। আরও বড় বিষয় হলো, তিনি যেভাবে গোল করেন, যেভাবে অল্প সুযোগকে নিশ্চিত সাফল্যে পরিণত করেন এবং যেভাবে প্রতিপক্ষের আত্মবিশ্বাস ভেঙে দেন—সেটিই ইংল্যান্ডের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ।

হালান্ডের বিপক্ষে খেলার অর্থ হলো, পুরো ৯০ মিনিট প্রায় নিখুঁত রক্ষণ খেলতে হবে। কারণ তিনি এমন একজন স্ট্রাইকার, যিনি পুরো ম্যাচে প্রায় অদৃশ্য থেকেও এক বা দুই মুহূর্তে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারেন।

ক্লাব ফুটবলে ম্যানচেস্টার সিটি ও এভারটনের অসংখ্য লড়াইয়ে জর্ডান পিকফোর্ড এই বাস্তবতা খুব কাছ থেকে দেখেছেন। ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক হিসেবে শনিবারও তাকেই সেই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে।

সংখ্যাগুলো অবশ্য পিকফোর্ডের পক্ষে খুব বেশি স্বস্তিদায়ক নয়।

প্রিমিয়ার লিগে হালান্ড তার বিপক্ষে মাত্র ১০টি অন-টার্গেট শট নিয়েছেন। এর মধ্যে সাতটিই জালে গেছে। প্রত্যাশিত গোলের (এক্সজি) হিসেবে এত গোল হওয়ার কথা ছিল না। অর্থাৎ সুযোগ যতটা বলছে, বাস্তবে হালান্ড তার চেয়েও অনেক বেশি কার্যকর।

Is Erling Haaland British? Why the Leeds-born striker represents Norway  instead of England | Football News - The Times of India

এটাই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে।

ফুটবলে অনেক স্ট্রাইকার প্রচুর সুযোগ তৈরি করেন। কেউ কেউ অনেক শট নেন। কিন্তু হালান্ডের বিশেষত্ব হলো, তিনি খুব কম সুযোগ নষ্ট করেন। তার গোলের ধরনও একরকম নয়। কখনও হেড, কখনও ডান পায়ে, কখনও বাঁ পায়ে, আবার কখনও একক নৈপুণ্যে রক্ষণ ভেঙে গোল করেন।

ফলে তাকে থামানোর জন্য নির্দিষ্ট কোনো ছক তৈরি করা কঠিন।

বিশ্বকাপেও সেই ধারাবাহিকতা আরও স্পষ্ট হয়েছে।

এ পর্যন্ত মাত্র ১৮টি শট থেকে তিনি সাতটি গোল করেছেন। অর্থাৎ প্রতি তিনটি শটেরও কমে একটি গোল। রূপান্তরের এই হার টুর্নামেন্টের সেরা। লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে কিংবা হ্যারি কেইনের মতো তারকারাও এই পরিসংখ্যানে পিছিয়ে।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নরওয়ের হয়ে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে তিনি টানা ১৪ ম্যাচে গোল করেছেন। এই সময়ে তার গোলসংখ্যা ২৭।

অর্থাৎ তিনি কেবল ভালো ফর্মে নেই; সম্ভবত ক্যারিয়ারের সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী সময় পার করছেন।

তবে পরিসংখ্যানের সবটাই একপেশে নয়।

পিকফোর্ডের কাছেও এমন কিছু স্মৃতি আছে, যা তাকে আত্মবিশ্বাস জোগাতে পারে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে তিনি হালান্ডের পেনাল্টি ঠেকিয়েছিলেন। সেটি ছিল প্রিমিয়ার লিগে নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারের প্রথম পেনাল্টি মিস।

World Cup 2018: How Jordan Pickford became England's number one - BBC Sport

সেই মুহূর্ত দেখিয়েছিল, হালান্ডকেও থামানো সম্ভব—যদি গোলরক্ষক সঠিক সিদ্ধান্ত নেন এবং মানসিকভাবে দৃঢ় থাকেন।

বিশ্বকাপে পিকফোর্ডের অভিজ্ঞতাও ইংল্যান্ডের জন্য বড় সম্পদ। মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ষোলোতে তার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ দলকে টুর্নামেন্টে টিকিয়ে রেখেছে। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে বহুবার তিনি কঠিন মুহূর্তে ইংল্যান্ডকে রক্ষা করেছেন।

তাই ব্যক্তিগত পরিসংখ্যান যতই হালান্ডের দিকে ঝুঁকে থাকুক, পিকফোর্ড জানেন বড় মঞ্চে অতীতের হিসাব সবসময় ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে না।

তবু ইংল্যান্ডের জন্য উদ্বেগের জায়গা রয়েছে অন্যত্রও।

ইনজুরি, নিষেধাজ্ঞা এবং একাধিক পরিবর্তনের কারণে পুরো টুর্নামেন্টে তাদের রক্ষণভাগ স্থিতিশীল ছিল না। বিভিন্ন সেন্টার-ব্যাককে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হয়েছে। আর হালান্ড এমন একজন ফরোয়ার্ড, যিনি ইংল্যান্ডের সম্ভাব্য অধিকাংশ রক্ষণভাগের বিপক্ষেই ক্লাব পর্যায়ে গোল করেছেন।

অর্থাৎ তিনি শুধু গোল করেন না; প্রতিপক্ষের রক্ষণ সম্পর্কে তার বাস্তব অভিজ্ঞতাও রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ইংল্যান্ডের সাফল্য নির্ভর করবে কেবল একজন ডিফেন্ডারের ওপর নয়। পুরো দলের সমন্বিত রক্ষণ, মিডফিল্ডের চাপ সৃষ্টি এবং গোলরক্ষকের সেরা পারফরম্যান্স—সবকিছুর সমন্বয় দরকার হবে।

Erling Haaland puts 'all the pressure on England' as on-fire forward  downplays Norway's quarter-final chances - Yahoo Sports

হালান্ডকে পুরো ম্যাচে বল থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা প্রায় অসম্ভব। তাই লক্ষ্য হওয়া উচিত, তাকে যত কম সম্ভব পরিষ্কার সুযোগ দেওয়া।

কারণ তার ক্ষেত্রে একটি সুযোগই অনেক সময় যথেষ্ট।

কোয়ার্টার ফাইনালের মতো বড় ম্যাচে ছোট ছোট মুহূর্তই ইতিহাস লিখে দেয়। আর সেই মুহূর্তে যদি বল হালান্ডের পায়ে বা মাথায় পৌঁছে যায়, তাহলে ইংল্যান্ডের জন্য বিপদের ঘণ্টা বেজে উঠতে পারে।

কিন্তু ফুটবল কখনও শুধু পরিসংখ্যানের খেলা নয়। বড় টুর্নামেন্টে অভিজ্ঞতা, মানসিক দৃঢ়তা এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

এই কারণেই শনিবারের লড়াইটি কেবল হালান্ড বনাম পিকফোর্ড নয়। এটি হবে বিশ্বের অন্যতম সেরা গোলশিকারির বিপক্ষে ইংল্যান্ডের পুরো রক্ষণব্যবস্থার সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার একটি।