০৪:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
মানব উন্নয়নে বিনিয়োগ ছাড়া জনসংখ্যা চ্যালেঞ্জের সমাধান অসম্ভব পাঁচ বছরের শিশুকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ, জীবিত উদ্ধার মা-মেয়ে আর্থিক অনিশ্চয়তায় পিছিয়ে যাচ্ছে বিয়ে-সন্তানের সিদ্ধান্ত, জানালো ইউএনএফপিএ কর্ণফুলীর ঝোপে উদ্ধার ব্রাজিলের ৯ এমএম পিস্তল, ব্যালিস্টিক পরীক্ষায় মিলবে উৎসের তথ্য পাকিস্তান এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম সৌর প্যানেল আমদানিকারক, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় লক্ষ্য বেলুচিস্তানে ‘অপারেশন শাবান’ জোরদার, আরও ৯ জঙ্গি নিহত; ৫ জুলাই থেকে নিহতের সংখ্যা ৮৮ ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা হলে ‘ইরানকে সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করবে যুক্তরাষ্ট্র, কঠোর হুঁশিয়ারি শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমকে পিআইডির অনুরোধ, আদালতের নির্দেশনা মানার আহ্বান কারাগারে মৃত্যুর মিছিল থামছে না, ৬ মাসে ৬১ প্রাণহানির তালিকায় যোগ হলো যুবলীগ নেতা  অ্যান্ডি বার্নহ্যাম  কি ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী? লেবারে বিপুল সমর্থনে এগিয়ে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

জাপানের ‘সিলিকন দ্বীপ’ হতে চলেছে হোক্কাইডো, সেমিকন্ডাক্টর বিপ্লবে বদলে যেতে পারে অর্থনীতির ভবিষ্যৎ

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, তুষারাচ্ছন্ন পাহাড় আর দুগ্ধজাত পণ্যের জন্য পরিচিত জাপানের উত্তরাঞ্চলের হোক্কাইডো এখন নতুন এক পরিচয়ের দিকে এগোচ্ছে। দ্বীপটিকে দেশের পরবর্তী উচ্চপ্রযুক্তির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা চলছে। এর কেন্দ্রে রয়েছে অত্যাধুনিক সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের উচ্চাভিলাষী উদ্যোগ, যা সফল হলে জাপানের প্রযুক্তি খাতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে নতুন বাজি

এই রূপান্তরের মূল চালিকাশক্তি একটি নতুন চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। কয়েক বছর আগে যাত্রা শুরু করা এই প্রকল্পের লক্ষ্য অত্যাধুনিক সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে জাপানকে আবারও বিশ্বসেরাদের কাতারে ফিরিয়ে আনা।

হোক্কাইডোর চিতোসে এলাকায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছেই প্রথম কারখানা নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে ইতোমধ্যে দুই ন্যানোমিটার প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক চিপ উৎপাদন শুরু হয়েছে। এই প্রযুক্তিকে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন প্রযুক্তিগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়।

কেন বেছে নেওয়া হলো হোক্কাইডো

Why Hokkaido is the New Taiwan

সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের জন্য বিপুল পরিমাণ বিশুদ্ধ পানির প্রয়োজন হয়। সেই দিক থেকে হোক্কাইডো একটি আদর্শ স্থান। একই সঙ্গে দ্বীপটিতে ভবিষ্যতে বিপুল পরিমাণ উপকূলীয় বায়ুশক্তি উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে, যা শিল্পে পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে সহায়ক হবে।

স্থানীয় প্রশাসন দ্বীপটির একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পুনরায় চালুর উদ্যোগও নিয়েছে। এতে স্থিতিশীল ও কার্বনমুক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, যা সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বড় শিল্পাঞ্চল গড়ার সুযোগ

হোক্কাইডো তুলনামূলকভাবে কম জনবহুল এবং বিস্তীর্ণ খোলা জায়গার অধিকারী। ফলে নতুন নতুন কারখানা নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত জমি রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ভবিষ্যতে একই এলাকায় আরও কয়েকটি চিপ উৎপাদন কারখানা গড়ে তোলা হতে পারে।

শীতল আবহাওয়ার কারণে তথ্যকেন্দ্র স্থাপনের জন্যও এটি উপযুক্ত। উচ্চক্ষমতার কম্পিউটার পরিচালনায় যে অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন হয়, তা নিয়ন্ত্রণে ঠান্ডা আবহাওয়া উল্লেখযোগ্য সুবিধা দেয়।

কৌশলগত নিরাপত্তার দিকেও গুরুত্ব

বিশ্লেষকদের মতে, হোক্কাইডোকে প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পেছনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। যদি পূর্ব এশিয়ায় কোনো বড় সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, তাহলে জাপানের দক্ষিণাঞ্চলের শিল্প এলাকা তুলনামূলক বেশি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। সে তুলনায় উত্তরাঞ্চলের হোক্কাইডো অনেক বেশি নিরাপদ অবস্থানে রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

Japan wants to return its chip industry to its former glory

অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখার সম্ভাবনা

আঞ্চলিক উন্নয়ন সংস্থার এক মূল্যায়ন অনুযায়ী, সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বিকাশ ঘটলে ২০২৩ থেকে ২০৩৬ সালের মধ্যে হোক্কাইডোর অর্থনীতিতে বিপুল পরিমাণ নতুন মূল্য সংযোজন হতে পারে।

যদিও অল্প সময়ে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি কেন্দ্র বা তাইওয়ানের মতো বিশাল চিপ উৎপাদন ঘাঁটিতে পরিণত হবে না, তবুও আন্তর্জাতিক সেমিকন্ডাক্টর সরবরাহ ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে জাপানের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সামনে রয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ

তবে এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার সামনে কয়েকটি বড় বাধাও রয়েছে। প্রথম চ্যালেঞ্জ দক্ষ প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদ তৈরি করা। হোক্কাইডোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দীর্ঘদিন কৃষি, মৎস্য, বনায়ন ও সেবাখাতকেন্দ্রিক শিক্ষা দিয়েছে। এখন সেমিকন্ডাক্টর খাতের জন্য নতুনভাবে দক্ষ জনবল তৈরির উদ্যোগ নিতে হচ্ছে।

বিদেশি বিশেষজ্ঞদের আকৃষ্ট করাও সহজ নয়। আন্তর্জাতিক মানের স্কুলের সংখ্যা কম এবং জাপানের বেতন কাঠামোও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে।

Semiconductor Industry News - January 2025 Update | Sourcengine

সরবরাহ শৃঙ্খল গড়তে লাগবে সময়

হোক্কাইডোতে সেমিকন্ডাক্টর-সম্পর্কিত কিছু প্রতিষ্ঠান থাকলেও পূর্ণাঙ্গ শিল্প পরিবেশ এখনো গড়ে ওঠেনি। সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর অনেকেই সহায়তা কেন্দ্র খুলেছে, কিন্তু বড় উৎপাদন ঘাঁটি তৈরি করেনি।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, একটি শক্তিশালী সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকেন্দ্র গড়ে তুলতে অন্তত এক দশক সময় লাগতে পারে। সবকিছুর সফলতা নির্ভর করছে নতুন চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক সাফল্যের ওপর।

প্রতিষ্ঠানটি আগামী বছর থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করার লক্ষ্য নিয়েছে। তাদের পরিকল্পনা হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য দ্রুত সরবরাহযোগ্য বিশেষায়িত চিপ উৎপাদন করা। তবে এই প্রকল্পের সফলতা নিশ্চিত নয় এবং দীর্ঘ সময় সরকারি আর্থিক সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হবে। ইতোমধ্যে সরকার এ প্রকল্পে বিপুল অর্থ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ফলে হোক্কাইডোকে নতুন প্রযুক্তি রাজধানীতে রূপান্তরের স্বপ্ন বাস্তবায়ন অনেকটাই এই একক প্রকল্পের সফলতার ওপর নির্ভর করছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মানব উন্নয়নে বিনিয়োগ ছাড়া জনসংখ্যা চ্যালেঞ্জের সমাধান অসম্ভব

জাপানের ‘সিলিকন দ্বীপ’ হতে চলেছে হোক্কাইডো, সেমিকন্ডাক্টর বিপ্লবে বদলে যেতে পারে অর্থনীতির ভবিষ্যৎ

০২:৪১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, তুষারাচ্ছন্ন পাহাড় আর দুগ্ধজাত পণ্যের জন্য পরিচিত জাপানের উত্তরাঞ্চলের হোক্কাইডো এখন নতুন এক পরিচয়ের দিকে এগোচ্ছে। দ্বীপটিকে দেশের পরবর্তী উচ্চপ্রযুক্তির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা চলছে। এর কেন্দ্রে রয়েছে অত্যাধুনিক সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের উচ্চাভিলাষী উদ্যোগ, যা সফল হলে জাপানের প্রযুক্তি খাতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে নতুন বাজি

এই রূপান্তরের মূল চালিকাশক্তি একটি নতুন চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। কয়েক বছর আগে যাত্রা শুরু করা এই প্রকল্পের লক্ষ্য অত্যাধুনিক সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে জাপানকে আবারও বিশ্বসেরাদের কাতারে ফিরিয়ে আনা।

হোক্কাইডোর চিতোসে এলাকায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছেই প্রথম কারখানা নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে ইতোমধ্যে দুই ন্যানোমিটার প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক চিপ উৎপাদন শুরু হয়েছে। এই প্রযুক্তিকে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন প্রযুক্তিগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়।

কেন বেছে নেওয়া হলো হোক্কাইডো

Why Hokkaido is the New Taiwan

সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের জন্য বিপুল পরিমাণ বিশুদ্ধ পানির প্রয়োজন হয়। সেই দিক থেকে হোক্কাইডো একটি আদর্শ স্থান। একই সঙ্গে দ্বীপটিতে ভবিষ্যতে বিপুল পরিমাণ উপকূলীয় বায়ুশক্তি উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে, যা শিল্পে পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে সহায়ক হবে।

স্থানীয় প্রশাসন দ্বীপটির একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পুনরায় চালুর উদ্যোগও নিয়েছে। এতে স্থিতিশীল ও কার্বনমুক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, যা সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বড় শিল্পাঞ্চল গড়ার সুযোগ

হোক্কাইডো তুলনামূলকভাবে কম জনবহুল এবং বিস্তীর্ণ খোলা জায়গার অধিকারী। ফলে নতুন নতুন কারখানা নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত জমি রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ভবিষ্যতে একই এলাকায় আরও কয়েকটি চিপ উৎপাদন কারখানা গড়ে তোলা হতে পারে।

শীতল আবহাওয়ার কারণে তথ্যকেন্দ্র স্থাপনের জন্যও এটি উপযুক্ত। উচ্চক্ষমতার কম্পিউটার পরিচালনায় যে অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন হয়, তা নিয়ন্ত্রণে ঠান্ডা আবহাওয়া উল্লেখযোগ্য সুবিধা দেয়।

কৌশলগত নিরাপত্তার দিকেও গুরুত্ব

বিশ্লেষকদের মতে, হোক্কাইডোকে প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পেছনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। যদি পূর্ব এশিয়ায় কোনো বড় সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, তাহলে জাপানের দক্ষিণাঞ্চলের শিল্প এলাকা তুলনামূলক বেশি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। সে তুলনায় উত্তরাঞ্চলের হোক্কাইডো অনেক বেশি নিরাপদ অবস্থানে রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

Japan wants to return its chip industry to its former glory

অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখার সম্ভাবনা

আঞ্চলিক উন্নয়ন সংস্থার এক মূল্যায়ন অনুযায়ী, সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বিকাশ ঘটলে ২০২৩ থেকে ২০৩৬ সালের মধ্যে হোক্কাইডোর অর্থনীতিতে বিপুল পরিমাণ নতুন মূল্য সংযোজন হতে পারে।

যদিও অল্প সময়ে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি কেন্দ্র বা তাইওয়ানের মতো বিশাল চিপ উৎপাদন ঘাঁটিতে পরিণত হবে না, তবুও আন্তর্জাতিক সেমিকন্ডাক্টর সরবরাহ ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে জাপানের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সামনে রয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ

তবে এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার সামনে কয়েকটি বড় বাধাও রয়েছে। প্রথম চ্যালেঞ্জ দক্ষ প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদ তৈরি করা। হোক্কাইডোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দীর্ঘদিন কৃষি, মৎস্য, বনায়ন ও সেবাখাতকেন্দ্রিক শিক্ষা দিয়েছে। এখন সেমিকন্ডাক্টর খাতের জন্য নতুনভাবে দক্ষ জনবল তৈরির উদ্যোগ নিতে হচ্ছে।

বিদেশি বিশেষজ্ঞদের আকৃষ্ট করাও সহজ নয়। আন্তর্জাতিক মানের স্কুলের সংখ্যা কম এবং জাপানের বেতন কাঠামোও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে।

Semiconductor Industry News - January 2025 Update | Sourcengine

সরবরাহ শৃঙ্খল গড়তে লাগবে সময়

হোক্কাইডোতে সেমিকন্ডাক্টর-সম্পর্কিত কিছু প্রতিষ্ঠান থাকলেও পূর্ণাঙ্গ শিল্প পরিবেশ এখনো গড়ে ওঠেনি। সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর অনেকেই সহায়তা কেন্দ্র খুলেছে, কিন্তু বড় উৎপাদন ঘাঁটি তৈরি করেনি।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, একটি শক্তিশালী সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকেন্দ্র গড়ে তুলতে অন্তত এক দশক সময় লাগতে পারে। সবকিছুর সফলতা নির্ভর করছে নতুন চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক সাফল্যের ওপর।

প্রতিষ্ঠানটি আগামী বছর থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করার লক্ষ্য নিয়েছে। তাদের পরিকল্পনা হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য দ্রুত সরবরাহযোগ্য বিশেষায়িত চিপ উৎপাদন করা। তবে এই প্রকল্পের সফলতা নিশ্চিত নয় এবং দীর্ঘ সময় সরকারি আর্থিক সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হবে। ইতোমধ্যে সরকার এ প্রকল্পে বিপুল অর্থ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ফলে হোক্কাইডোকে নতুন প্রযুক্তি রাজধানীতে রূপান্তরের স্বপ্ন বাস্তবায়ন অনেকটাই এই একক প্রকল্পের সফলতার ওপর নির্ভর করছে।