বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য আগামী ১৩, ১৫ ও ১৬ জুলাইয়ের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি শনিবার (১১ জুলাই) এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।
কমিটির প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাভুক্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য। দেশের অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত পরীক্ষাগুলো পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।
বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় সিদ্ধান্ত
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন সব জেলার জেলা প্রশাসকদের পাঠানো প্রতিবেদন এবং চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সুপারিশ পর্যালোচনা করে পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আওতায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন সব জেলার এইচএসসি পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। একই সঙ্গে ওই এলাকার বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) এবং ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষার ১৩, ১৫ ও ১৬ জুলাইয়ের নির্ধারিত পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছে।
অন্যান্য বোর্ডে পরীক্ষা চলবে
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি স্পষ্ট করেছে, এই সিদ্ধান্ত দেশের অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য নয়। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতার বাইরে থাকা সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর পাশাপাশি মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট জেলার পরীক্ষাগুলো পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।
ফলে অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে এবং এ বিষয়ে পূর্বের সূচিতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

নতুন সময়সূচি পরে
কমিটির বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, বন্যার কারণে স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলোর সংশোধিত সময়সূচি পরবর্তী সময়ে প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষার্থীদের এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের পরবর্তী নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে।
বন্যা পরিস্থিতির কারণে পরীক্ষা স্থগিতের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও বাস্তব পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















