বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে দুর্দান্ত লড়াইয়ের পর সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। অতিরিক্ত সময়ের নাটকীয়তায় ৩-১ গোলের জয় তুলে নিয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা এখন মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডের।
শুরুতেই এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা
যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটির মাঠে সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের মধ্যেই ম্যাচ শুরু করে আর্জেন্টিনা। ১০ মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। অধিনায়ক লিওনেল মেসির দুর্দান্ত কর্নার থেকে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার হেডে বল জালে পাঠান।
গোলের পর আর্জেন্টিনা নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার চেষ্টা করলেও সুইজারল্যান্ড সহজে হাল ছাড়েনি। ইউরোপের দলটি ধীরে ধীরে আক্রমণে ফিরতে থাকে এবং দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে সমতা ফেরানোর সুযোগ তৈরি করে।
সুইজারল্যান্ডের ঘুরে দাঁড়ানো ও নাটকীয় মোড়
দ্বিতীয়ার্ধের ৬৭ মিনিটে সুইজারল্যান্ডের দান এনদোয়ে দারুণ এক আক্রমণ থেকে গোল করে ব্যবধান সমান করেন। এরপর ম্যাচে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।
কিন্তু কয়েক মিনিট পরই সুইজারল্যান্ড বড় ধাক্কা খায়। এম্বোলো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় সুইজারল্যান্ড। ভিডিও পর্যালোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অতিরিক্ত সময়ে আলভারেজের জাদু
নির্ধারিত সময়ে আর কোনো দল গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানে সুইজারল্যান্ড আর্জেন্টিনার একের পর এক আক্রমণ ঠেকিয়ে যাচ্ছিল।
তবে ১১২ মিনিটে জুলিয়ান আলভারেজ অসাধারণ এক শটে আর্জেন্টিনাকে আবার এগিয়ে দেন। তার বাঁকানো শট সরাসরি জালে ঢুকে যায়। এই গোলের পর আর্জেন্টিনা শিবিরে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।
শেষ দিকে লাওতারো মার্টিনেজ আরও একটি গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন।
সেমিফাইনালে বড় লড়াইয়ের অপেক্ষা
এই জয়ের মাধ্যমে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপে নিজেদের অপরাজিত থাকার ধারা আরও দীর্ঘ করেছে। শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়া দলটি এবার সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ইতিহাস বরাবরই উত্তেজনায় ভরা। দুই দলের লড়াইয়ে অতীতের অনেক স্মরণীয় মুহূর্ত রয়েছে, যা নতুন ম্যাচের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















